php glass

নিয়োগে দুর্নীতির মামলায় রেলওয়ের ১১ কর্মকর্তার সাক্ষ্য

86 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ফুয়েল চেকার ও সহকারী কেমিস্ট পদে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া দু’টি মামলায় মঙ্গলবার একইদিনে রেলওয়ের ১১ কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম: রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ফুয়েল চেকার ও সহকারী কেমিস্ট পদে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া দু’টি মামলায় মঙ্গলবার একইদিনে রেলওয়ের ১১ কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ এস এম আতাউর রহমানের আদালতে দু’টি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার যে ১১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন তারা হলেন, রেলওয়ের উপ মহাপরিচালক-১ আহসানউল্লাহ, পরিচালক (সংস্থাপন) ইব্রাহিম খলিল, উপ সহকারী পরিচালক (সংস্থাপন) হোসনে আরা আক্তার, প্রধান সংস্থাপন কর্মকর্তা কাউসার আহমেদ, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ, টেলিকম শাখার চিফ সুপারিনট্যানডেন্ট নাছির উদ্দিন, যুগ্ম মহাপরিচালক (অপারেশন) মিয়াজান, চিফ পার্সোনাল অফিসার অসীম কুমার তালুকদার, প্রধান সহকারী আলাউদ্দিন, অফিস সহকারী খন্দকার সাইফুল ইসলাম ও মৌসুমী।

দুর্নীতি দমন কমিশনের পিপি অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হক মাহমুদ বাংলানিউজকে বলেন, ফুয়েল চেকার ও সহকারী কেমিস্ট পদের পৃথক মামলায় একইসঙ্গে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। আদালত আগামী ৭ ও ৮ এপ্রিল পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণের সময় নির্ধারণ করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রেল ভবন ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের কার্যালয় থেকে মামলার বাদি ও তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুর রেজা অনিয়মের প্রমাণ হিসেবে বেশকিছু নথিপত্র জব্দ করেন। এ জব্দ তালিকার সাক্ষী হিসেবে ১১ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আলোচিত আসামী রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধাকে কারাগারে হাজির করে পুলিশ।

ফুয়েল চেকার ও সহকারী কেমিস্ট পদে নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগে ২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর কোতয়ালী থানায় দু’টি মামলা দায়ের হয়। ২০১৩ সালের ১৮ আগস্ট পাঁচজনকে আসামী করে আদালতে দু’টি মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

সহকারী কেমিস্ট পদে অভিযুক্তরা হলেন, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বরখাস্ত হওয়া মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধা, সাবেক সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান এবং অবৈধভাবে নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা দু’প্রার্থী সুলতানা বেগম ও গণেশ চন্দ্র শীল।  

ফয়েল চেকার পদে অভিযুক্তদের মধ্যেও এ তিন কর্মকর্তা আছেন। একইসঙ্গে নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা দু’প্রার্থী আবুল কাশেম ও আনিসুর রহমানও অভিযুক্ত হিসেবে আছেন।

উল্লেখ্য ২০১২ সালের ৯ এপ্রিল সুরঞ্জিতের এপিএসের গাড়িতে ৭০ লাখ টাকা পায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) জওয়ানরা। এ সময় ওই গাড়িতে অভিযুক্ত ওই দু’জন ছাড়াও রেলের নিরাপত্তা বাহিনীর ঢাকা বিভাগীয় কমান্ড্যান্ট এনামুল হকও ছিলেন। সে রাতে ফারুকের গাড়ি চালক আলী আজম বিজিবি দফতরে টাকাসহ গাড়িটি ঢুকিয়ে দেন। ঘটনার পরদিন থেকে আলী আজম ‘রহস্যজনকভাবে’ নিখোঁজ আছেন।

পরে ওই ঘটনার জেরে রেলমন্ত্রীর পদ ছাড়েন সুরঞ্জিত। বরখাস্ত হন ফারুক এবং সাময়িক বরখাস্ত হন মৃধা ও এনামুল।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫০ঘণ্টা, মার্চ ২৫, ২০১৪ 

২৫ জনকে আসামি করে ফাহাদ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র
এখন পর্যন্ত শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা ৩৬১টি
ইন্দোনেশিয়ায় পুলিশ সদরদপ্তরে বোমা হামলা, নিহত ১
আ’লীগ থেকে বিএনপিতে আসার অবস্থা তৈরি হয়েছে: ফখরুল
ভারত-বাংলাদেশ কলকাতা টেস্টের সময় এগিয়ে আনা হলো


বশেমুরবিপ্রবির সাবেক ভিসির বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু
বেপরোয়া রাজনীতি রাজনৈতিক দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে: কাদের
শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারতের ক্রিকেট
দেশে ১ কোটি মানুষ কর দিতে সক্ষম: তথ্যমন্ত্রী
রিজেন্ট টেক্সটাইলের ৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা