php glass

হিমু হত্যা মামলায় বাদির জেরা অব্যাহত

34 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
কুকুর লেলিয়ে দিয়ে মেধাবী ছাত্র হিমাদ্রি মজুমদার হিমু হত্যা মামলার বাদি ও হিমু’র মামা শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিতকে জেরা করেছেন আসামীপক্ষের আইনজীবীরা। জেরা অসমাপ্ত অবস্থায় আদালত বুধবার পর্যন্ত এ মামলার কার্যক্রম মূলতবি করেছেন।

চট্টগ্রাম: কুকুর লেলিয়ে দিয়ে মেধাবী ছাত্র হিমাদ্রি মজুমদার হিমু হত্যা মামলার বাদি ও হিমু’র মামা শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিতকে জেরা করেছেন আসামীপক্ষের আইনজীবীরা। জেরা অসমাপ্ত অবস্থায় আদালত বুধবার পর্যন্ত এ মামলার কার্যক্রম মূলতবি করেছেন।

বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এস এম মুজিবুর রহমানের আদালতে আবারও বাদিকে জেরা করা হবে বলে বাংলানিউজকে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলী ও মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন আহমেদ।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, জেরার সময় বাদি শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিতকে হিমুর পরিবারের সঙ্গে তাদের আত্মীয়তা, তার পেশা এবং ঘটনার বিষয়ে জানতে চেয়েছেন আসামীপক্ষের আইনজীবীরা।

এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি পাঁচ আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার বিচার শুরু হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি বাদি শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিত প্রথম দফা সাক্ষ্য দেন।

মামলায় অভিযুক্ত পাঁচ আসামি হলেন, জাহিদুর রহমান শাওন, জুনায়েদ আহমেদ রিয়াদ এবং তার বাবা শাহ সেলিম টিপু, শাহাদাত হোসেন সাজু ও মাহবুব আলী ড্যানি।

উল্লেখ্য ২০১২ সালের ২৭ এপ্রিল নগরীর পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের ‘ফরহাদ ম্যানশন’ নামের ১০১ নম্বর বাড়ির চারতলায় হিমুকে হিংস্র কুকুর লেলিয়ে দিয়ে নিমর্মভাবে নির্যাতন করে সেখান থেকে ফেলে দেয় অভিজাত পরিবারের কয়েকজন বখাটে যুবক। 

গুরুতর আহত হিমু ২৬ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ২৩ মে ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান। হিমু পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের ইংরেজি মাধ্যমের সামারফিল্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের ‘এ’ লেভেলের শিক্ষার্থী ছিল।

এ ঘটনায় হিমুর মামা শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিত বাদি হয়ে পাঁচলাইশ থানায় পাঁচজনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের এক মাসের মাথায় আসামী শাহাদাৎ হোসাইন সাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর ২০১২ সালের ১০ অক্টোবর শাহ সেলিম টিপু ও ছেলে রিয়াদ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠান। কিন্তু পরবর্তীতে তিনজনই জামিন পেয়ে কারাগার থেকে বেরিয়ে যান। বাকি দু’জন শুরু থেকেই পলাতক আছেন।

২০১২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পাঁচলাইশ থানা পুলিশ ওই মামলায় এজাহারভুক্ত পাঁচজন আসামীকে অন্তর্ভুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। ১৮ অক্টোবর পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম। 

ওই আদালত থেকে বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়ে মামলাটির নথি নভেম্বরের শুরুতে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসে এবং অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫১ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৪

ksrm
সুনামগঞ্জে ধোপাজান নদীতে ৪ টি ড্রেজার পুড়িয়েছে প্রশাসন
বনানীতে ওয়ান ম্যান ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড
সাংবাদিক বহিষ্কারে আর্টিকেল নাইনটিনের নিন্দা
খুমেক হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত নারীর মৃত্যু
ছন্দবিশারদ প্রবোধচন্দ্র সেনের প্রয়াণ


রমনায় সাবেক যুগ্ম সচিব এর মরদেহ উদ্ধার
শাহজালালে ৬০ লাখ টাকার স্বর্ণ আটক
আবেদীন টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে রাজউকের কমিটি
সে সাংবাদিক না, কেনো ছবি তুললো: মিন্নির বাবা
যুবলীগ নেতা খালেদ ডিবি হেফাজতে