পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার দাবি

32 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

একাত্তরের ঘাতক কাদের মোল্লার ফাঁসির প্রতিক্রিয়ায় যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে পাকিস্তান পার্লামেন্টে দেয়া শোক প্রস্তাব প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। একই সঙ্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার চাইতে সরকারের কাছে দাবি জানান তারা।

php glass

চট্টগ্রাম: একাত্তরের ঘাতক কাদের মোল্লার ফাঁসির প্রতিক্রিয়ায় যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে পাকিস্তান পার্লামেন্টে দেয়া শোক প্রস্তাব প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। একই সঙ্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার চাইতে সরকারের কাছে দাবি জানান তারা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট কমাণ্ডের উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা এ দাবি জানান।

বক্তারা বলেন,‘সম্প্রতি কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকরের পর একাত্তরের হানাদার পাকিস্তান তাদের জাতীয় পরিষদে শোক প্রস্তাব ও নিন্দা জানিয়ে যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে তা ক্ষমার অযোগ্য। কেননা বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। এখানে তাদের নাক গলানোর প্রশ্নই আসেনা। তাই তাদের দেয়া ওই শোক প্রস্তাব প্রত্যাহার এবং ক্ষমা চাইতে হবে।’  

যারা পাকিস্তানের হয়ে দালালি এবং বক্তব্য বিবৃতি দিচ্ছেন তাদের নাগরিকত্ব বাতিল করে পাকিস্তানে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলেও ঘোষণা দেন একাত্তরের এই বীর সেনানীরা।

সমাবেশে পাকিস্তানের ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্যের বিরুদ্ধে মুখ না খোলার জন্য বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার সমালোচনা করেন মুক্তিযোদ্ধারা।

পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানিয়ে তারা বলেন,‘ অবিলম্বে একাত্তরের দালাল সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের রায় কার্যকর করে দেশকে কলঙ্কমুক্ত করতে হবে।’

একই সঙ্গে পাকিস্তানের ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণের জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার চাইতে সরকারের কাছে দাবি জানান দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা।

সমাবেশে তারা সম্প্রতি দেশে জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডব ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ’৭১-এর মত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য আহ্বান জানান।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক জেলা কমান্ডার মো. সাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, কমরেড শাহ আলম, ডা. মাফজুর রহমান, বদিউল আলম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফায়েম উদ্দিন আহমেদ, মাহবুবুল আলম চৌধুরী, ঘাতক দালাল নিমূল কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত বাঙালি, একেএম সরওয়ার কামাল দুলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল রাজ্জাক, জামান উল্লাহ, মোহাম্মদ হারিজ, সরম চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সমাবেশ শেষে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকায় আগুন দেয়া হয়। এরপর শহীদ মিনার থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর নিউমার্কেট হয়ে ফের শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

বাংলাদেশ সময়: ২০৫০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৩
সম্পাদনা: তপন চক্রবর্তী, ব্যুরো এডিটর

নুসরাতের পরিবারকে ১ লাখ টাকা দিলেন এমপি মাসুদ
সিলেটে দখলকৃত ভূমি উদ্ধারে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মারকলিপি
সৈয়দপুরে ২ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘সততার দোকান’
গবেষকদের সহযোগিতা করতে হবে: মেয়র
রূপসায় ট্রাকচাপায় স্কুলশিক্ষক নিহত


বাস চালককে পিটিয়ে হত্যা, চট্টগ্রামে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক
বই দিবসের ছড়া | আলেক্স আলীম 
ফের ঢাকা-দিল্লি রুটে ফ্লাইট চালু করছে বিমান
ময়মনসিংহে মানবপাচারকারী চক্রের ২ সদস্যসহ আটক ১৪
চট্টগ্রামে নিরাপত্তা জোরদার