বাড়ছে শীত, বাড়ছে দুর্ভোগ

30 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

পৌষের মাঝামাঝিতেই বন্দরনগরীতে ঝেঁকে বসেছে শীত। শৈত্যপ্রবাহের কারণে কনকনে ঠান্ডায় জবুথবু হয়ে আছেন সাধারণ মানুষ। কুয়াশাছন্ন নগরীতে ভোরে নিম্ন আয়ের মানুষকে কাজে যেতে বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

php glass

চট্টগ্রাম: পৌষের মাঝামাঝিতেই বন্দরনগরীতে ঝেঁকে বসেছে শীত। শৈত্যপ্রবাহের কারণে কনকনে ঠান্ডায় জবুথবু হয়ে আছেন সাধারণ মানুষ। কুয়াশাছন্ন নগরীতে ভোরে নিম্ন আয়ের মানুষকে কাজে যেতে বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম নগরী ও আশপাশের এলাকায় হালকা ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। যা জানুয়ারির মাঝামাঝিতে আরও বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর পতেঙ্গা অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বাংলানিউজকে বলেন,‘চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় হালকা ও মাঝারি ধরনের শৈত্য প্রবাহ বিরাজ করছে। এ অঞ্চলে ১০০ মিটার পর্যন্ত কুয়াশা পরিলক্ষিত হচ্ছে।’

‌আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, পাবনা, যশোর, কুষ্টিয়া ও শ্রীমঙ্গলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এ সময় রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও সিলেট বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানান।

হারুন অর রশিদ জানান, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন,‘এ মাসের শুরু থেকেই রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমছে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে বায়ু প্রবাহ সক্রিয় হলে শৈত্যপ্রবাহ আরও বাড়তে পারে।’

এসময় দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে মৃদু অথবা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানান আবহাওয়া পূর্বাভাস কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ।

এদিকে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শীত মৌসুমের এই সময়ে বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল, মধ্যাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যান্য স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

তবে চট্টগ্রাম অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জানুয়ারি থেকে শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে বলে উল্লেখ করা হয় ওই পূর্বাভাস বার্তায়।

শীতকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে বন্দরনগরীর শীতবস্ত্রের বাজার। হকার্স থেকে শুরু করে সব মার্কেটেই এখন শীত-পোশাক কেনায় ব্যস্ত ক্রেতারা।

তবে শীতে কষ্ট বাড়ছে কর্মমুখী নিম্ন আয়ের মানুষসহ নগরীর ছিন্নমূল লোকজনের। শীতের মধ্যেও তাদেরকে কর্মস্থলে ছুটতে হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে কর্নফুলী নদী পাড় হচ্ছিলেন দিনমজুর আবদুল হাই। শীতে কাঁপছিলেন তিনি। বললেন, ‘শীত হলেও উপায় নাই। কাজে তো যেতেই হবে, না হলে খাবো কী?’

কাজীর দেউড়ি মোড়ে মুসলিম মিয়া (৬০) বলেন,‘শীতের মধ্যে খুব কষ্ট হচ্ছে।’
 
বাংলাদেশ সময়: ১০৪২ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৩
সম্পাদনা: তপন চক্রবর্তী, ব্যুরো এডিটর। 

ববি শিক্ষার্থীদের ব্যতিক্রমী কর্মসূচি
রাঙামাটিতে পুলিশ সদস্যর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ঘটনাস্থলে গিয়ে নুসরাত হত্যার বর্ণনা দিলেন ‘মনি’
গাজীপু‌রে পুলিশের কাছ থেকে আসামির পলায়ন
ভোলায় জ্বিন তাড়াতে গৃহবধূর গায়ে আগুন, আটক ২


ঘাটাইলে ট্রাক-অটোরিকশা সংর্ঘষে যুবক নিহত
তাড়াইলে আগুনে ৩ বসতঘর পুড়ে ছাই
কোহলির সেঞ্চুরিতে ম্লান রানা-রাসেল ঝড়
নিরোধ-শান্তা শিক্ষাবৃত্তি পেলো ১০২ শিক্ষার্থী
নিউইয়র্কে এফএফডি সভা: আঞ্চলিক সহযোগিতার বিকল্প নেই