আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ শুরুর ডাক চট্টগ্রামের গণসমাবেশে

19 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক গণসমাবেশ থেকে পাকিস্তান এবং তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ শুরুর ডাক এসেছে। তরুণ সমাজসহ সর্বস্তরের জনতাকে এ যুদ্ধের যোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গণসমাবেশের বক্তারা।

php glass

চট্টগ্রাম: মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক গণসমাবেশ থেকে পাকিস্তান এবং তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ শুরুর ডাক এসেছে। তরুণ সমাজসহ সর্বস্তরের জনতাকে এ যুদ্ধের যোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গণসমাবেশের বক্তারা।

বুধবার বিকেলে চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘ছাত্র-যুব-শিশু-কিশোর-সংস্কৃতি-কৃষক-শ্রমিক ও পেশাজীবি জনতার’ ব্যানারে আয়োজিত এ গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে উদীচী চট্টগ্রাম জেলা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের শিল্পীরা গণসঙ্গীত পরিবেশ করেন। গান করেন খেলাঘরের ক্ষুদে শিল্পীরাও।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পাকিস্তান যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার বিচার নিয়ে মন্তব্য করে, তাদের সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাশ করে আমাদের স্বাধীনতার মর্যাদায় আঘাত করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে তাদের এজেণ্ট জামায়াত-শিবির সাতক্ষীরা, জয়পুরহাট, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া-লোহাগাড়াসহ বিভিন্ন এলাকাকে মিনি পাকিস্তান বানানোর কাজ শুরু করেছে।

তারা বলেন, সাতক্ষীরায় দিনে-দুপুরে একাত্তরের মত মানুষকে জবাই করে হত্যা করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের ঘরে ঢুকে লুটপাট, ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে জামায়াত-শিবির। তাদের বর্বরত একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতাকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।

বক্তারা বলেন, দেশকে মিনি পাকিস্তান বানানোর জামায়াতি ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধ শুরু করতে হবে। তরুণ সমাজকে সেই যুদ্ধে নেতৃত্ব দিতে হবে। কৃষক, শ্রমিক, ক্ষেতমজুর, সংস্কৃতিকর্মী সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সেই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে হবে।

তারা বলেন, স্বাধীনতার ৪২ বছর পর যখন দেশকে কলংকমুক্ত করার কাজ চলছে তখন পাকিস্তান আর জামায়াত-শিবিরের ধৃষ্টতা আমরা মেনে নিতে পারিনা।

বক্তারা পাকিস্তানের সঙ্গে সকল কূটনৈতিক সম্পর্ক অবিলম্বে ছিন্ন করা, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফিরিয়ে আনা, পাকিস্তানের পণ্য বর্জন করা, সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ করে অবিলম্বে রায় কার্যকর করা এবং জামাত শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ ও তাদের সকল সম্পদ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।

‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এক হও বাংলাদেশ’ এ শ্লোগানে আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উদীচীর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও গণজাগরণ মঞ্চ, চট্টগ্রামের সদস্য সচিব ডা.চন্দন দাশ।

এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা কাজী নূরুল আবছার, খেলাঘর সংগঠক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, টিইউসি নেতা রাহাতউল্লাহ জাহিদ, উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক সুনীল ধর, প্রমা আবৃত্তি সংগঠনের সভাপতি রাশেদ হাসান, যুবনেতা আরিফউল্লাহ হাই, ছাত্র ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি রবিউল হোসেন প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে মশাল নিয়ে একটি গণমিছিল শহীদ মিনার থেকে আন্দরকিল্লা হয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ঘুরে চেরাগি পাহাড় মোড়ে এসে শেষ হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৯০০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৫,২০১৩
সম্পাদনা: তপন চক্রবর্তী, ব্যুরো এডিটর

শেখ হাসিনার সদস্যপদ নিয়ে সিদ্ধান্ত ডাকসুর পরবর্তী সভায়
আ’লীগ ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না: ফখরুল
আইসক্রিম তৈরির উপকরণ পামওয়েল-ঘনচিনি ও রং!
গাজীপুরে বাসচাপায় কলেজছাত্র নিহত
দেশে ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে ৭৮ শতাংশ


নিউজিল্যান্ডের জাতীয় প্রতীকে মুসল্লি, ছবি ভাইরাল
ফরিদগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
৫ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা দিলো বাংলাদেশ প্রতিদিন
রাজধানীতে দুইজন গুলিবিদ্ধ
পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ