ঢাকা, শনিবার, ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৮ আগস্ট ২০২০, ১৭ জিলহজ ১৪৪১

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য

শিকারির কাছ থেকে দু’টি ‘নিশিবক’ উদ্ধার

ডিভিশনাল সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০৪৯ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১, ২০১৯
শিকারির কাছ থেকে দু’টি ‘নিশিবক’ উদ্ধার উদ্ধার করা দুটো কালামাথা-নিশিবক। ছবি: বাংলানিউজ

মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা থেকে বিপন্ন প্রজাতির দুইটি কালামাথা-নিশিবক (Black-crowned Night Heron) উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (১ ডিসেম্বর) উপজেলার দেববাড়ি আবাসিক এলাকায় পাখি দুইটি বিক্রিকালে এগুলো উদ্ধার করেন স্থানীয় পাখিপ্রেমীরা।

দুপুরে খবর পেয়ে সংবাদকর্মী হৃদয় দেবনাথ, বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী খোকন থৌনাউজাম, বন্যপ্রাণীপ্রেমী সোহেল শ্যাম ও অভিজিৎ চৌধুরী অরূপ ছুটে আসেন।

তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পাখি শিকারি সামাদ পাখি দুটো রেখে পালিয়ে যান। পরে সেখান থেকে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে সেগুলো সুস্থতার জন্য সোহেল শ্যামের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।

হৃদয় দেবনাথ বাংলানিউজকে বলেন, সামাদ এই এলাকার একজন কুখ্যাত পাখিশিকারি। চলতি বছরের ৩ নভেম্বর সামাদকে আমরা শ্রীমঙ্গলের নতুন বাজার থেকে পাতি-সরালি হাঁসসহ (Lesser Whistling Duck) হাতেনাতে আটক করেছিলাম। তিনি ২৫ হাজার টাকায় হাঁসগুলোর বিক্রি করতে চেয়েছিলেন। বন্যপ্রাণী রেঞ্জের কাছে সামাদকে হস্তান্তর করা হয়। পরে বন্যপ্রাণী রেঞ্জ তার কাছ থেকে মুচলেখা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেন। কিন্তু তিনি মুচলেখার শর্ত ভঙ্গ করে আবারও পাখিশিকারে নেমে পড়েছেন।

মৌলভীবাজার বন্যপ্রাণী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোনায়েম হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, বিষয়টি খুব দুঃখজনক। পাখিশিকারি সাদামকে এবার আমরা হাতেনাতে ধরতে পারলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবো।

বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব (বিবিসি) সূত্র জানায়, কালামাথা-নিশিবক (Black-crowned Night Heron)  বিপন্ন প্রজাতি পাখি। প্রাকৃতিক নদী-নালা, হাওর-বিল প্রভৃতি ধ্বংস হওয়ায় তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন। এদের মাথায় ঝুলন্ত সাদা ঝুঁটি থাকে। এদের চোখ লাল। দিনের বেলায় এরা আড়াল করা গাছে ডালে ঘুমায়। সন্ধ্যা ও রাতে জলাভূমিতে খাবারের সন্ধানে ঘুরে বেড়ায়।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৪৭ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০১, ২০১৯
বিবিবি/এএটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa