১১৪৯ কিমি উপকূলীয় এলাকায় সবুজ বেষ্টনী

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: সংগৃহীত

walton
গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর, সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলার ১৯টি উপকূলীয় উপজেলায় ১ হাজার ১৪৯ কিলোমিটার এলাকায় নন ম্যানগ্রোভ গাছের বনায়ন করা হবে। বনায়নের জন্য শোভা পাবে সুপারি, নারিকেল, খেজুর, তাল, বাঁশ, বেত, ফল, বিভিন্ন অর্নামেন্টাল ও ভেষজ গাছের সারি।

ঢাকা: গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর, সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলার ১৯টি উপকূলীয় উপজেলায় ১ হাজার ১৪৯ কিলোমিটার এলাকায় নন ম্যানগ্রোভ গাছের বনায়ন করা হবে। বনায়নের জন্য শোভা পাবে সুপারি, নারিকেল, খেজুর, তাল, বাঁশ, বেত, ফল, বিভিন্ন অর্নামেন্টাল ও ভেষজ গাছের সারি। এছাড়া যে স্থানে যে গাছটি ভালো জন্মে সে উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে পাঁচটি জেলায় এ উদ্যোগ নেওয়া হলেও পর্যায়ক্রমে সকল উপকূলীয় এলাকায় সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে।

এবারই প্রথম ব্যাপকভাবে উপকূলীয় জেলায় এমন ‍উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়। ‘এ ফরেস্টেশন ইন ফাইভ কোস্টাল ডিসট্রিক্টস অব বাংলাদেশ’। প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে দুই লাখ ৪০ হাজার সুপারি চারা, এক লাখ ৯৮ হাজার নারকেল চারা এবং ৫২৫ কিলোমিটার স্ট্রিপ বনায়ন করা হবে।

উপকূলীয় বাঁধ এলাকায় ৫৪ হাজার ৪০০টি পাম গাছ লাগানো হবে। এছাড়াও বাঁধ এলাকায় বনায়নের জন্য ৭৩ হাজার ৪৪০টি খেজুর গাছের চারাও লাগানো হবে।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় জানায়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় সবুজ বেষ্টনী তৈরি, ভূমিহীন দরিদ্রদের পুনর্বাসন, দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য কর্মসংস্থানের সৃষ্টি, ভূমিক্ষয় ও জীববৈচিত্র্য হ্রাস রোধকল্পে এ উদ্যোগ। জনগণকে বনজ সম্পদ ব্যবস্থাপনার বিষয়ে শক্তিশালীকরণ এবং টেকসই বনজ সম্পদ ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এতে মোট ব্যয় করা হবে ২২ কোটি ৯২ লাখ টাকা। ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের জুন মেয়াদে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে উপকূলীয় এলাকায়।
 
পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, আমরা সমস্ত উপকূলীয় জেলায় সবুজ বেষ্টনী গড়ে তুলবো। তবে অর্থ ও সময়ের কারণে সব উপকূলীয় জেলায় একসঙ্গে এ উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব নয়। প্রাথমিকভাবে পাঁচটি জেলাকে দিয়ে সবুজ বনায়নের কাজ শুরু করতে যাচ্ছি। পর্যায়ক্রমে সমস্ত উপকূলীয় এলাকায় গড়ে তুলবো সবুজ বেষ্টনী। যে জেলায় যেটা উপযুক্ত মনে হবে সেই গাছের চারা রোপন করা হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় সবুজ বেষ্টনী তৈরি, ভূমিহীন দরিদ্রদের পুনর্বাসন, দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য কর্মসংস্থানের সৃষ্টি, ভূমিক্ষয় ও জীববৈচিত্র্য হ্রাস রোধকল্পে এ উদ্যোগ।

মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, বাংলাদেশে জনপ্রতি বনভূমির পরিমাণ মাত্র ০ দশমিক ০২ হেক্টর। যা সারা পৃথিবীর তুলনায় সর্বনিম্ন। বাংলাদেশের জনসংখ্যা বর্তমান হারে বৃদ্ধি পেলে বনভূমির পরিমাণ আরও কমে যাবে। সে প্রেক্ষিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে বনায়ন করা জরুরি। যাতে করে দেশের গ্রামীণ জনসাধারণকে গাছ থেকে প্রাপ্ত জ্বালানি বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারেন।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় জানায়, বনাঞ্চল দেশের জলাভূমি রক্ষা, সেচ এবং নদ-নদীর নাব্যতা রক্ষায় ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়াও বনভূমি দেশের উপকূলীয় এলাকাকে প্রাকৃতিক দূরোগের হাত থেকে রক্ষা করে। তাই দেশের বনজ সম্পদ উন্নয়নের জন্য নানা প্রজাতির গাছ লাগানো হবে।

জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর প্রভাব মোকাবেলায় সবুজ বেষ্টনী তৈরি, জ্বালানি কাঠ এবং শিল্প উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠের যোগানের ব্যবস্থা করা হবে। নতুন চারা লাগানোর পর এগুলো রক্ষার্থেও গড়ে তোলা হবে নিরাপত্তা বেষ্টনী। প্রকল্প এলাকার সকল প্রতিষ্ঠানে নতুন নতুন সৌন্দর্য র্বর্ধনের চারা লাগানো বাধ্যতামূলক করা হবে।

যাতে করে দেশে সবুজ বেষ্টনী বৃদ্ধির পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য রোধকল্পে টেরেস্ট্রিয়াল ইকোসিস্টেমের পুনরুদ্ধার করা হয়।
 
বাংলাদেশ সময়: ০০০৬ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১০, ২০১৬
এমআইএস/এএসআর

Nagad
নীলফামারী পৌরসভার মেয়র করোনায় আক্রান্ত
সিলেট বিভাগে আরও ১৬১ জনের করোনা শনাক্ত
দুর্দান্ত জয়ে শিরোপা দৌড়ে টিকে রইলো বার্সা
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ফেনীর যুবক নিহত
ডোমারে নিখোঁজ ২ শিশুর মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার


সিনিয়র সচিব হলেন আকরাম-আল-হোসেন
তিন মন্ত্রণালয়, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগে নতুন সচিব
লুটের মামলায় লক্ষ্মীপুর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্পাদক গ্রেফতার
সোনাইমুড়ীতে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় আ'লীগ নেতাকে গুলি
ঘরের মাঠে ফিরেই জয় পেল চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল