বোরো ধানের চনমনে ঘ্রাণে মাতোয়ারা কৃষক

169 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি:বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
প্রখর রোদে পায়ের পাতা ধানে ডুবিয়ে নাড়া কিংবা বাতাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কুলোয় ধান পরিস্কার করার কাজে ব্যস্ত, তাই দম ফেলারও ফুরসত নেই তাদের। সোনা রাঙা ধানের বাম্পার ফলনের পর চনমনে গন্ধে মাতোয়ারা কৃষকের মন আর নব উদ্দীপনায় আন্দোলিত গ্রামীণ জীবন।

ময়মনসিংহ: প্রখর রোদে পায়ের পাতা ধানে ডুবিয়ে নাড়া কিংবা বাতাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কুলোয় ধান পরিস্কার করার কাজে ব্যস্ত, তাই দম ফেলারও ফুরসত নেই তাদের। সোনা রাঙা ধানের বাম্পার ফলনের পর চনমনে গন্ধে মাতোয়ারা কৃষকের মন আর নব উদ্দীপনায় আন্দোলিত গ্রামীণ জীবন।

বোরো ধান নিয়ে পুরো মাত্রায় ব্যস্ত ময়মনসিংহের গ্রামগুলো। ধান কাটা আর মাড়াই শেষে গোলায় তুলতে দিন-রাত খাটছেন কেউ কেউ। মাঠের আসল নায়ক অনেক কৃষক আবার ব্যস্ত এ ধান পরিবহনে। বসে নেই কৃষকবধূও।

জানা গেছে, ভারতীয় উপ-মহাদেশের এক সময়ের বৃহত্তম জেলা ময়মনসিংহ খাদ্যশষ্যের ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত। সময়মতো বৃষ্টি, সারের সঙ্কট না থাকা, চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও ডিজেলসহ সেচ সুবিধা নিশ্চিত হওয়ায় চলতি বছর জেলায় বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে।

গতবারের চেয়ে এ বছর সোনা রাঙা ধানের দাম একটু বেশি। প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৭৩০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকায়। প্রত্যাশা মাফিক দাম পাওয়ায় আনন্দে উদ্বেল কৃষক। এরই মধ্যে জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৭০ ভাগ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে।

ময়মনসিংহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড.এস.এম.আবুল হোসেন বাংলানিউজকে জানান, এবার ময়মনসিংহের ১৩টি উপজেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদিত হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, প্রখর খরতাপে ধান কাটা শুরু হওয়ার পর থেকেই কামলার (শ্রমিক) সঙ্কট মারাত্মক আকার নিয়েছে। এ সঙ্কটের মুখে চামড়া পুড়িয়ে যারা মাঠে নামছেন তাদের দিতে হচ্ছে গড়ে ৫’শ টাকা করে মজুরি। গ্রামের অবস্থাসম্পন্ন অনেক গৃহস্থ আবার শ্রমিকদের মজুরি কমাতে নিজেই আঁটঘাট বেঁধে নেমে পড়ছেন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজে।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কাতলাসেন এলাকার চরপাড়া গ্রামের কৃষক মাসুম (৫০) ১৩ কাঠা জমিতে বোরো আবাদ করেন। প্রতি কাঠায় তিনি ধান পেয়েছেন ৩ মণ করে। পরে এ ধান ভ্যানে উঠিয়ে বিক্রি করেছেন স্থানীয় দেওখোলা বাজারে ৭৩০ টাকা মণ দরে।

একই গ্রামের সাইফুল মিয়া অবস্থাসম্পন্ন এক কৃষকের কাছ থেকে ২ একর জমি বর্গা নিয়ে বোরো চাষ করেন। তিনি জানান, এবার বোরোর ভালো ফলন হয়েছে। উৎপাদিত এ ফসলেই স্বাচ্ছন্দ্যে তাঁর চলে যাবে বছর। এ গ্রামে ধান কাটা শেষ হতে আরো দেড় সপ্তাহ সময় লাগবে।

বাংলাদেশ সময়: ০৪০৮ ঘণ্টা, মে ১২, ২০১৪

যশোরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত
বানরের খামচি খেয়ে যুব বিশ্বকাপ শেষ অজি ব্যাটসম্যানের
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত রাজশাহীবাসী
‘পাহারার নামে সন্ত্রাসীরা ভোটের পরিবেশ বিঘ্নিত করতে পারে’
কারাগারে শূন্যপদে ১১৭ চিকিৎসক নিয়োগে নির্দেশ


বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মাঠে থাকবে বিজিবি
করোনা ভাইরাস: চীনফেরত বাংলাদেশিদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে
বিএনপি অতীতে কেন এজেন্ট দিতে পারেনি প্রশ্ন কাদেরের
ডিএনসিসিতে ৮৭৬ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ
খালেদার ১১ মামলায় অ‌ভি‌যোগ গঠন শুনা‌নি ১৫ এপ্রিল