ঢাকা, রবিবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৯ আগস্ট ২০২০, ১৮ জিলহজ ১৪৪১

ইচ্ছেঘুড়ি

একাত্তরের বীর আমরা | আলেক্স আলীম

বুকের ভেতর বারুদ মোদের সময় মত জ্বলে। মোড়লগিরি চলবে না আর রাজার আসন টলে! কাপ আনবো ঘরে এবার যতই আসুক ঝড়।  বিশ্বসেরা মোড়লরা সব কাঁপে

আসল মামা | বাবলু ভঞ্জ চৌধুরী

ব্যাঙের সামনে বড় একটা শিকড়। আর সাপ গাছের আড়াল থেকে অর্ধেকটা বেরিয়ে আছে। হাঁ-করা মুখ। লকলকে জিভ। কেউ কারো থেকে চোখ সরাচ্ছে না। 

রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৯০)

আর মাইক নৌকাটা ডুবিয়ে দিয়ে খুব ভালো একটা কাজ করেছে, নোরা বলে। এখানে একটা নৌকা দেখতে পেলে আমাদের খুঁজে পাওয়ার আগপর্যন্ত ওরা এখানে

এরা-ওরা | মালিপাখি

এরা বলে বেশি বেশি  ওরা বলে কমকম! এরা বলে ডিঙি, টাঙা  ওরা বলে টমটম!! এরা বলে নিরিবিলি  ওরা বলে জমজম  ! এরা বলে ঝিরি ঝিরি  ওরা বলে

পুরান পুতুল | সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্

হঠাৎ যখন পড়ল চোখে নিলাম টেনে মনের দুখে পুছে মুছে যতন করে সু-কেসে যেই তুলি; চিঁ চিঁ করে উঠল কেঁদে রাখতে বলে চুলে বেঁধে ছোটোবেলার মতো

হারকিউলিস ও মালগাড়ির চালক

মালগাড়ির দিকে চেয়ে রইলেন আর কিছুই করতে পারছিলেন না। শুধু উঁচু গলায় কান্না করছিলেন। কান্নায় তিনি হারকিউলিসকে ডাকতে শুরু করলেন। 

রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৮৯)

আর মজার একটা বালিময় পুঁচকে উঠানের মতো কিছু একটা- এসব দেখে তোমরা দাবি করতে পারো না বাচ্চাগুলো এখানে দিনের পর দিন বসবাস করবার মতো

প্রিয় দেশ | নাজিয়া ফেরদৌস

হেথায় শুধু শান্তি রবে মানুষগুলো মানুষ হবে হাসিমুখে থাকবে সবে কষ্ট হবে শেষ। ভূস্বর্গ এই মাতৃভূমি প্রত্যহ তার চরণ চুমি বুকের মাঝে

হামিংবার্ডের ১০ জানা-অজানা

১. হামিংবার্ড হাঁটতে পারে না। তবে এরাই একমাত্র পাখি যারা সামনে, পেছনে, ওপরে ও নিচে সবদিকেই পূর্ণগতিতে চলাচল করতে পারে। ২.

রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৮৮)

বাচ্চারা শোনে, কেউ একজন সরু সুড়ঙ্গের ভেতর পথ হাতড়ে তাদের দিকে এগিয়ে আসছে। আরো সামনে আসতে গেলে পথটা ঠেসে ধরায়, লোকটা যন্ত্রণায় বিড়বিড়

একাত্তরের মা জননী | আলেক্স আলীম

এমন সাহস ত্যাগের প্রতীক  তুমি ছাড়া কে আর! মা তোমাকে অনেক কিছু ছিল আমার দেয়ার। হয়নি কিছু দেয়া তোমায় দিয়ে গেছো কত। শ্রদ্ধা এবং

ঈশপের অনুগল্প: প্রকৃত বন্ধুত্বের পরীক্ষা

তখন অপরজন ভাবলো, আমি তো নিশ্চিত ভাল্লুকের পেটে যেতে বসেছি। এটা ভেবে সে রাস্তার উপর সটান হয়ে শুয়ে পড়লো।  এবার ভাল্লুকটি আস্তে

হোঁতকা বিড়াল | আবু আফজাল সালেহ

রাতের বেলায় যায় না দেখা দেখতে বেশ কালো অন্ধকারে গোল্লা গোল্লা দুটো চোখে আলো। বিড়ালটি তো হুলো বিড়াল আছে বেশ শক্তি মিউঁ মিউঁ ডাকের

রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৮৭)

খাবার শেষে জ্যাক আবারও তার চৌকিতে ফিরে যায়। গুহামুখের ভেতরে বসে শুনতে থাকে।  লোকগুলো হতবুদ্ধি আর হতাশ হয়ে পড়ে। ওরা পাহাড়ের গোঁড়ায়

আগুনের শিখা কেন শুধু উপরে ওঠে?

হাইড্রোজেনও অক্সিজেনের সঙ্গে মিশে তৈরি করে পানি। সঙ্গে তৈরি হয় অন্য আরও কিছু গ্যাস।  প্রজ্জ্বলন প্রক্রিয়ায় এসব পদার্থ তাপ ও আলো

সেই বাছুরটা | পলাশ বসু

তিড়িং বিড়িং নাচে ওগো হাম্বা হাম্বা ডাকে  খিদে পেলেই তখন শুধু খুঁজে বেড়ায় মা-কে। ছুটে ছুটে সেই বাছুরটা আসে খুকির কাছে খুকি চলে আগে

কাকের অদ্ভুত শখ

কাকটি ভাবলো রাজহাঁসের সুন্দর সাদা পালকগুলি পানিতে সাঁতার কাটার সময় নিশ্চয় রং ছড়ায়। মানে সাদা রং হয়তো সাঁতার কাটার সময় ওই পানিতে

রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৮৬)

হুম, ভাগ্য ভালো, টুপিটা পকেট থেকে বের করে মাইক বলে। উইলো বাড়ির কাছেই পড়ে ছিল, তবে ঘন গাছের আড়ালে লুকানো বলে মনে হয় না ওখানে পড়ে থাকলে

শরৎ রানি | আবু আফজাল সালেহ

মাছরাঙা ও কালো ফিঙে ছোট্টমণি যারা। নদীর ধারে বালুর তীরে গাঙশালিক আর ঘুঘু-টিয়ে নীলপরীদের খেলা নীল আকাশে সাদা বকে সাদা সাদা

রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৮৫)

ডেইজি নামে তাদের সেই গরুটাকে জ্যাক আবারও ভেতরের গুহায় নিয়ে যায়, তখন ওটাকে একটুও অবাক হতে দেখা যায় না এবং একবারও হাম্বা না ডেকে, একটা

Alexa