অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং : ঘরে বসে আয় 

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঘরে বসে আয় করতে চান, এমন লোকের অভাব নেই। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এদিকে বেশি ঝুঁকছেন...

ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং বা ঘরে বসে আয় করতে চান, এমন লোকের অভাব নেই। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এদিকে বেশি ঝুঁকছেন। পড়াশোনা বা চাকরির পাশাপাশি ঘরে বসে আয়ের একটি উৎস হতে পারে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে নামমাত্র খরচে কিভাবে ঘরে বসে আয় করবেন সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার ও ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (ডিআইপিটিআই) শিক্ষক মো. ওবায়েদুল ইসলাম রাব্বি। 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি? 

প্রযুক্তিনির্ভর এই বিশ্বে মানুষের কেনাকাটার জন্য এখন আর বাইরে বের হওয়ার প্রয়োজন নেই। বাসা বা অফিসে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ই কমার্স সাইট থেকে কেনাকাটা করতে পারেন। অনলাইনে অর্ডারকৃত পণ্য ক্রেতার হাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পৌঁছে দেয় ইকমার্স প্রতিষ্ঠান। ই কমার্স সাইটগুলো তাদের পণ্যের প্রসারের উদ্দেশ্যে অ্যাফিলিয়েট সুবিধা দিয়ে থাকে। আর মার্কেটাররা এই সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে নিজেরা মার্কেটিং করে আয় করে। এটাই হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। সহজে বলা যায়, আপনি অনলাইনে কোনো পণ্য বিক্রি করতে চাইলে সে প্রতিষ্ঠান আপনাকে তাদের পণ্যের একটা লিংক দিবে। আপনার দেয়া লিংকের মাধ্যমে কোন গ্রাহক যদি তাদের ওয়েবসাইটে ঢুকে এবং পণ্য ক্রয় করে, তাহলে ওই প্রতিষ্ঠান আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন দেবে। এই কমিশনের মাধ্যমে অর্থ আয় করার মাধ্যকেই বলা হয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য প্রচলিত অনেকগুলো মার্কেটপ্লেস থাকলেও অ্যামাজান অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংকেই পছন্দের তালিকায় প্রথম স্থানে রাখেন বেশিরভাগ মার্কেটার। কেননা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই কমার্স সাইট অ্যামাজন ডট কম (Amazon.com)। বিশ্বে সম্ভবত এমন কোন প্রোডাক্ট নেই যা অ্যামাজনে নেই। আমেরিকায় প্রতি আট জনের মধ্যে একজন মানুষের অ্যামাজনে অ্যাকাউন্ট আছে। একজন মার্কেটার অ্যামাজনের পণ্যের বিক্রি বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারেন এবং তার মাধ্যমে যে বিক্রি হয় তা থেকে কমিশন হিসেবে আয় করতে পারেন। 

যেভাবে শুরু করবেন
বেশ কয়েকভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে কাজ শুরু করতে পারেন- সোশ্যাল সাইটে লিংকগুলো শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে, ল্যান্ডিং পেইজ তৈরির মাধ্যমে, ব্লগ সাইট বা ওয়েবসাইট তৈরির মাধ্যমে। সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো ওয়েবসাইট তৈরি করে কাজ করা। তবে গতানুগতিক ওয়েবসাইট থেকে এ ওয়েবসাইটের ধরন একটু আলাদা হবে। যখন আপনি অ্যামাজনের কোন প্রডাক্ট প্রচার ও প্রসারের উদ্দেশ্যে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন এবং সেখানে আপনার নির্ধারিত প্রডাক্টের বর্ণনাসহ যখন সেটা বিক্রির উদ্দেশ্যে দিবেন, তখন আপনার ওয়েবসাইটটিকে বলা হবে অ্যামাজন নিশ সাইট। অ্যামাজনের নিশ সাইটে একটি ছোট বিনিয়োগের উপর বড় অংকের আয় করা সম্ভব। আর এটি যদি হয় প্যাসিভ ইনকাম তাহলে তো কথাই নেই। প্যাসিভ ইনকাম হলো এমন আয় যেখানে আপনি সরাসরি সম্পৃক্ত না থেকেও আয় করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি একটি নির্দিষ্ট সময় এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ বিনিয়োগ করে রাখবেন এবং পরবর্তীতে সক্রিয়ভাবে কাজ না করা সত্ত্বেও আপনি আয় করতে থাকবেন। অ্যামাজন নিশ সাইট নিয়ে কাজ করে অনেকেই আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে। অনেকে মাসে কয়েক হাজার ডলারও ইনকাম করছে। 

নিশ সাইট থেকে আয় করবেন যেভাবে

নিশ সাইটের জন্য যা দরকারঃ   
১। কি-ওয়ার্ড রিসার্চ
২। একটি ডোমেইন নাম নির্বাচন করা ও হোস্টিং সেট আপ 
৩। ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল
৪। মানসম্মত কনটেন্ট 
৫। ভাল মানের ব্যাকলিংক তৈরি করা
৬। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং 
৭। দরকারি পেজ সেটআপ 
৮। কাঙ্খিত কনভার্সন রেট

প্রতিটি ধাপে কাজের বিস্তারিত ব্যাখ্যা পড়ুন পরের পর্বে...

চৌদ্দগ্রামে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৬
চট্টগ্রামে আগুনে পুড়ে ৮ জনের মৃত্যু
খাশোগি হত্যায় সব তথ্য এখনো প্রকাশ করেনি তুর্কি
ইউএনওর তৎপরতায় রক্ষা পেলো এক পরিবার
সয়াবিন চাষে বাড়ে জমির উর্বরতা, কমে সারের ব্যবহার


চা বাগানে এখন কুঁড়ির অপেক্ষা
খুলনায় নলকূপে উঠছে না পানি!
ইউরোপীয় আ’লীগের সভাপতি নজরুল, সম্পাদক মুজিব
পেনাল্টি মিস করেও জয়ের নায়ক মেসি
কবিরহাটে ইয়াবাসহ আটক ২