php glass

কথাসাহিত্যিক রিজিয়া রহমানের প্রয়াণে স্মরণসভা

ফিচার রিপোর্টার | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

স্মরণসভা, ছবি: বাংলানিউজ

walton

ঢাকা: প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও বাংলা একাডেমির ফেলো রিজিয়া রহমানের প্রয়াণে বাংলা একাডেমিতে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে এ স্মরণসভার আয়োজন করে বাংলা একাডেমি। শুরুতেই রিজিয়া রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী, রিজিয়া রহমানের ছেলে আবদুর রহমানসহ অনেকে। স্মরণসভা সঞ্চালনা করেন বাংলা একাডেমির কর্মকর্তা মোজাফ্ফর হোসেন।

হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, রিজিয়া রহমান সমকালীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক। আশি বছরের বর্ণাঢ্য জীবনে তিনি গল্প-উপন্যাস-শিশুসাহিত্য-আত্মজীবনী এবং স্মৃতিকথামূলক রচনার মধ্যদিয়ে বাংলা সাহিত্যকে দিয়েছেন নতুন অভিমুখ। রিজিয়া রহমানের মতো অমর লেখকের কোনো মৃত্যু নেই, আমাদের সবার পাঠ ও ভালোবাসার মধ্যে তিনি বেঁচে থাকবেন নিরবধিকাল।

রিজিয়া রহমানের ছেলে আবদুর রহমান বলেন, মা একইসঙ্গে একজন ভালো লেখক এবং একজন ভালো মানুষ ছিলেন। তার কাছ থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো সততার শিক্ষা। তিনি সবসময় বলতেন, মানুষের সামনে পথ অনেক কিন্তু গন্তব্য একটাই- মানবিকতা।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, রিজিয়া রহমানের উপন্যাসে মানুষের মন থেকে ইতিহাস ও নৃতত্ত্বের গভীরতর অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়। তিনি নিম্নবর্গ ও প্রান্তিক মানুষের জীবনকে তার অনেক উপন্যাসের বিষয় করেছেন আবার মধ্যবিত্ত জীবনও উঠে এসেছে সুনিপুণ মমতায়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত হয়েছে তার অনন্য সাহিত্যকর্ম। রিজিয়া রহমানের লেখনশৈলীর সরলতা ও প্রত্যক্ষতা পাঠকের কাছে তার সমকালে যেমন আদৃত হয়েছে বিপুলভাবে তেমনি শিল্পসৃষ্টির নিজস্বতা তাকে বহুকাল স্মরণীয় করে রাখবে পাঠকের কাছে।

সভায় এ লেখকের জীবন ও সাহিত্যসৃষ্টি সম্পর্কে আলোচনা এবং স্মৃতিচারণায় আরও অংশ নেন কথাসাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হক, কবি জাহিদুল হক, লেখক কাজী মদিনা, কথাসাহিত্যিক নাসরীন জাহান, কথাসাহিত্যিক পারভেজ হোসেন, প্রকাশক মাজহারুল ইসলাম, কবি মাহবুব আজীজ, কথাসাহিত্যিক পাপড়ি রহমান, কথাসাহিত্যিক আবু হেনা মোস্তফা এনাম, কথাসাহিত্যিক স্বকৃত নোমান, কবি পিয়াস মজিদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, রিজিয়া রহমানের উপন্যাস ও গল্প বিষয়-বৈচিত্র্যে অনন্য। প্রাচীন বাংলার ইতিহাস থেকে আধুনিক বাংলাদেশের জন্মকথা, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের বাস্তবতা, বস্তিবাসী, নির্যাতিতা নারী, চা-শ্রমিক ও সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর জীবন-লড়াই এবং প্রবাসীজীবনের নানা সংকটকে তিনি গল্প-উপন্যাসের বিষয় করে তুলেছেন অসামান্য শিল্পদক্ষতায়। রিজিয়া রহমান নিভৃতের মানুষ। তার সমস্ত সরবতা ঘনীভূত হয়েছে লেখনীতে। কাহিনীনির্ভর একমাত্রিক কথাসাহিত্যিক ধারার তিনি অনুসারী ছিলেন না বরং কাব্যময় শিল্পব্যঞ্জনায় তার কথাসাহিত্য উত্তীর্ণ হয়েছে অন্যতর মাত্রায়।

বাংলাদেশ সময়: ২০৫০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৯
এইচএমএস/ওএইচ/

ksrm
জয়নালকে সহযোগিতা করতো নির্বাচন কমিশনের কতিপয় কর্মচারী
দুমকিতে ইয়াবাসহ বিক্রেতা আটক
বাগেরহাট কারাগারে হাজতির মৃত্যু
ইতালির প্রবাসীদের ১৩ দফা দাবি
কুষ্টিয়ায় রিকশাচালকের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার


কর কমিশনারের কার্যালয়ে ৫৪ পদে নিয়োগ
মেয়র পদে মনোনয়ন পেতে শতভাগ আশাবাদী খোকার ছেলে ইশরাক
কণ্ঠে ‘হৃদয়ের নীল’ ছড়ালেন সামিনা চৌধুরী-পিলু খান
কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে দুই স্পিডবোটের সংঘর্ষে আহত ৩
দোলনচাঁপায় স্বস্তি নারীদের