খরা কাটিয়ে ঈদের পর একরাশ মঞ্চ নাটক

হোসাইন মোহাম্মদ সাগর, ফিচার রিপোর্টার | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ফাইল ছবি

ঢাকা: মঞ্চ নাটক বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। প্রতিমাসের সবক’টি দিনই কোনো না কোনো দলের নাটক মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বলে আলোকিত হয় ঢাকার মঞ্চগুলো। সে প্রদীপে প্রাণসঞ্চার করে দর্শক।

এবারের রমজানে সে দৃশ্য ছিলো একটু ভিন্ন। প্রতিবার রমজানে যথাসময়ের চেয়ে একটু দেরিতে নাটক মঞ্চায়িত হলেও এবার দর্শক খরায় অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছিলো নাটকের দলগুলো। তবে সে অবস্থা কাটিয়ে ঈদের ছুটির পর একরাশ নতুন-পুরনো নাটক নিয়ে দর্শকদের জন্য হাজির হচ্ছে ঢাকার মঞ্চদলগুলো।

ঈদের ছুটির পর বৃহস্পতিবার (২১ জুন) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে বিশ্ব সঙ্গীত দিবস উদযাপনের মধ্য দিয়ে দ্বার খুলবে শিল্পকলা একাডেমির। তারপরই শুরু হবে বিভিন্ন দলের নাটক মঞ্চায়ন। জুনের শেষ এ ১০ দিনে দর্শকদের জন্য দলগুলো উপহার দেবে বেশকিছু নাটক।

জাতীয় নাট্যশালায় মূল থিয়েটার হলে আগামী ২৪ জুন থাকবে 'এথিক' দলের নাটক 'আলোর অপেরা', ২৫ জুন থিয়েটার আর্ট ইউনিটের নাটক 'মর্ষকাম', ২৭ জুন নাগরিক নাট্যাঙ্গন বাংলাদেশের 'গহর বাদশা ও বানেছাপরী', ২৮ জুন দেশ নাটকের পক্ষ থেকে 'সুরগাঁও' এবং ২৯ জুন মঞ্চস্থ হবে নাট্যধারার নাটক 'চার্লি'।

স্টুডিও থিয়েটার হলে ২১ জুন থাকছে পালাকারের 'উজানে মৃত্যু', ২২ জুন নাট্যকেন্দ্রের 'বন্দুকযুদ্ধ ও গাধার হাট', ২৩ জুন ম্যাড থেটার দরের 'নদ্দিউ নতিম', ২৪ জুন থিয়েটার ওয়ালা রেপার্টরির 'জবর আজব ভালোবাসা', ২৫ জুন অবয়ব নাট্যদলের নাটক 'ফেরিওয়ালা', ২৬ জুন উৎস নাট্যদলের 'স্বর্ণজননী', ২৮ জুন 'বঙ্গরঙ্গ নাট্যদলের নাটক 'সৎপদ' (উদ্বোধনী), ২৯ জুন নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের 'ওপেন কাপল' এবং ৩০ জুন সংশপ্তক নাট্যদল মঞ্চন্থ করবে 'সুবচন নির্বাসনে'।

এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে ২১ জুন থাকবে ঢাকা পদাতিকের নাটক 'হেফাজত', ২২ জুন হৃৎমঞ্চের 'রধিররঙ্গিনী', ২৩ জুন ঢাকা থিয়েটারের 'বিনোদিনী', ২৪ জুন লোক নাট্যদলের (বনানী) 'বৈকুণ্ঠের খাতা', ২৫ জুন প্রাচ্যনাট’র 'সার্কাস সার্কাস', ২৬ জুন প্রাঙ্গণেমোর নাট্যদলের 'হাছনজানের রাজা', ২৭ জুন স্বপ্নদলের নাটক 'হেলেন কেলার', ২৮ জুন আরণ্যক নাট্যদলের নাটক 'রাঢ়াঙ', ২৯ জুন বটতলা আনবে 'খনা' এবং ৩০ জুন শনিবার সুবচন নাট্য সংসদ মঞ্চস্থ করবে 'মহাজনের নাও'।

ঈদের পর নাটক মঞ্চায়ন প্রসঙ্গে মহাকাল নাট্য সম্প্রদায়ের দলপ্রধান মীর জাহিদ বলেন, দর্শক সংকটের অন্যতম কারণ আর্থ-সামাজিক অবস্থা। অনেকের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পেশাগত কাজের চাপে নাটক দেখা হয়ে ওঠে না। আবার সারাদিন রোজা রেখে, অফিস করে অনেকেই ক্লান্ত থাকে। তবে ঈদের ছুটির পর মঞ্চ আবার আগের মতো জমজমাট হবে বলেই আশা করছি।

তিনি বলেন, সরকারের একান্ত সহযোগিতায় স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় মঞ্চ নাটকের চর্চা বাড়াতে হবে। যদি দেশের শিক্ষার্থীরা নিজের সংস্কৃতির চর্চায় নিমগ্ন হয়, তা হলে এ দেশের মধ্যে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর প্ররোচনায় যে সংস্কার তৈরি হয়েছে, তা থেকে আমরা মুক্ত হতে পারবো। আর তখনই আমাদের নাটকে দর্শকের একটি সুষ্ঠু অবস্থান তৈরি হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৫১৭ ঘণ্টা, জুন ২০, ২০১৮
এইচএমএস/আরআর

খালেদার আপিল ‘মোকাবেলায়’ দুদক প্রস্তুত
এবার ইয়েমেনে রফতানি হচ্ছে ওয়ালটনের ফ্রিজ 
সে এক ফেরিওয়ালা
না’গঞ্জে বন্যপ্রাণী পাচার চক্রের ৪ সদস্য আটক
‘বিমসটেক ট্রেড নেগসিয়েশনকে কার্যকর করতে হবে’
মধ্যপাড়া শিলাখনিতে একদিনে রেকর্ড পরিমাণ পাথর উত্তোলন
যেখানে ব্যতিক্রম আবদুল্লাহ আল নোমান
দৌলতপুরে ইউপি সদস্যের নামে ধর্ষণ মামলা
লাইফ সাপোর্টে আমজাদ হোসেন
রেজা কিবরিয়া কেন ধানের শীষে, তাকেই জিজ্ঞেস করুন: কাদের