সব শিল্পের মধ্যেই আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান

ফিচার রিপোর্টার | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

গৌড়ীয় নৃত্যের একটি ভঙ্গি। ছবি- সংগৃহীত

ঢাকা: পৃথিবীর সবকয়টি শিল্পের মধ্যে একধরনের আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান। যেমন- নৃত্যশিল্পের সঙ্গে রয়েছে ভাস্কর্যশিল্পের এক গভীর প্রেম। একজন নাচের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং আরেকজন তৈরি করেন সেই ভঙ্গির মূর্তি।

মঙ্গলবার (১৫ মে) দুপুরে 'গৌড়ীয় নৃত্য: বাংলার মূর্তি ও চিত্রকলা' প্রবন্ধ পাঠ অনুষ্ঠানে এ কথা বলছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রবীন্দ্র অধ্যাপক ড. মহুয়া মুখোপাধ্যায়। ঢাবি'র চারুকলা অনুষদের লেকচার থিয়েটার হলে অনুষ্ঠিত হয় এ আয়োজনটি।

মহুয়া মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রাচীন বাংলাতে বিভিন্ন প্রকার মূর্তি নির্মিত হতো। চিত্রকলায় যেমন ৬টি অঙ্গ আছে, তেমনি গৌড়ীয় নৃত্যেও অঙ্গ ৬টি। প্রকৃতির অনুকরণে ৩৩টি রূপে দাঁড়ানোর ভঙ্গি নিয়েই গৌড়ীয় নৃত্য। আর এসব ভঙ্গিগুলোই বিভিন্ন সময়ে স্থান পেয়েছে প্রাচীন মূর্তি ও চিত্রকলায়।

তিনি প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন শতাব্দীর ব্রোঞ্জ, পাথর, কাঠসহ বিভিন্ন মূর্তি ও চিত্রকলার মাধ্যমে চিত্রকলা, রাশলীলা, পটচিত্র ও গুজরাট পেইন্টিংসহ বিভিন্ন চিত্রকর্মের মধ্যে নৃত্যের ভঙ্গিমা তুলে ধরেন। এগুলো বাংলাদেশ এবং ভারতের বিভিন্ন জাদুঘর ও পুরনো ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

গৌড়ীয় নৃত্যের এ আয়োজনে এসব ভঙ্গিমা নৃত্যের মাধ্যমে দিয়ে দর্শকদের সামনে মঞ্চে উপস্থাপন করে দেখান এগনেস র‍্যাচেল প্যারিস।

অনুষ্ঠান সম্পর্কে কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মলয় বালার সঙ্গে। 

তিনি বলেন, এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা গৌড়ীয় নৃত্যের ভাবটা ধরতে পারবেন। বুঝতে পারবেন শিল্প মূল্যায়নের দিকগুলো। এগুলো আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি। এসব মূর্তি ও চিত্রকলার ফর্মগুলো নেওয়া হয়েছে আমাদের নিজস্ব অঙ্গন থেকেই।

বাংলাদেশ সময়: ২০১৮ ঘণ্টা, মে ১৫, ২০১৮
এইচএমএস/এনএইচটি

ঘুষ-হয়রানি ছাড়াই কর দিচ্ছি, ব্যাগভর্তি উপহার নিচ্ছি
পিইসি পরীক্ষায় বসা হলো না সুমনার
যষ্টিমধু কী!
সাদিয়া প্রমার সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবু হায়দার
রাঙ্গুনিয়ায় বসতঘরে অগ্নিকাণ্ড
বেগমগঞ্জে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার
বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দ্বিতীয়দিনের সাক্ষাৎকার চলছে
বিশ্বকাপে সান্ত্বনার জয়টাও পেলো না বাংলাদেশ
মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে ৭ তথ্য
কাস্টমস-ভ্যাটে দুর্নীতির যে ১৯ উৎস চিহ্নিত করলো দুদক