জোটে সমঝোতার পর আ’লীগের প্রার্থী তালিকা 

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

আওয়ামী লীগের লোগো

ঢাকা: জোটের সঙ্গে আসন সমঝোতার পর প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আগামী দুই তিনদিনের মধ্যে জোটের শরিকদের সঙ্গে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করা হতে পারে। 

আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়োর কয়েকজন নেতা ও সংসদীয় বোর্ডের সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত। মহাজোটের শরিকদের জন্য সর্বোচ্চ ৭০টির মতো আসন রেখে বাকি আসনগুলোতে দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে। 

রোববার (১৮ নভেম্বর) রাতে দলের সংসদীয় বোর্ডের সভায় সবগুলো আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়। এর আগে গত কয়েক দিন ধরে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের জন্য সংসদীয় বোর্ডের ধারাবাহিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

আওয়ামী লীগের ওই সূত্রগুলো জানায়, সোমবার (১৯ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা দেওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু মহাজোটের শরিকদের সঙ্গে আসন বণ্টন চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত দলীয় প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ স্থগিত রাখা হয়েছে। 

আগে থেকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হলে মহাজোটের আসন ভাগাভাগির সময় দুই একটি আসন পরিবর্তন হতে পারে। সেক্ষেত্রে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হবে। 

দলীয় প্রার্থী বসিয়ে দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। যদিও আওয়ামী লীগ প্রত্যেক প্রার্থীর কাছ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহারপত্রে স্বাক্ষর রেখে দেবে যদি শেষ মুহূর্তে প্রার্থী পরিবর্তন করতে হয় এ কারণে। তারপরও জটিলতা এড়াতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ স্থগিত রাখা হয়েছে। 

ওই সূত্রগুলো আরও বলছে, বর্তমান সংসদ সদস্যদের (এমপি) বেশ কয়েকজন মনোনয়ন থেকে বাদ পড়ছেন। এর মধ্যে দলের দুই একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও রয়েছেন। জরিপ প্রতিবেদনে যাদের অবস্থা ভালো নয়, বিজয়ের সম্ভাবনা নেই, শরিক দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতার ফলে আসন ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে এসব কারণে তারা বাদ পড়ছেন। 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, জোট শরিকদের ৬০টি আসন ছাড়তে চায় আওয়ামী লীগ। যদিও শরিকদের দাবি অনেক বেশি। তাই অনেক হিসাব-নিকাশ মিলাতে হচ্ছে দলটিকে। জোটের স্বার্থে দর কষাকষিতে এই সংখ্যা বাড়তেও পারে। 

সেক্ষেত্রে এই সংখ্যা বেড়ে ৬৫ থেকে ৭০টিতেও দাঁড়াতে পারে। এই বিষয়টি মাথায় রেখেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে তা নির্ভর করছে জোটের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ওপর। 

সূত্রগুলো দাবি করছে, গত ১৭ নভেম্বর জাতীয় পার্টি আসন বণ্টনের আলোচনা চেয়ে আওয়ামী লীগকে চিঠি দেয়। ওই চিঠিতেও জাতীয় পার্টির সঙ্গে আসন সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী আগেই ঘোষণা না দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। 

তা না হলে কোনো আসনে যদি আগে থেকেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাঠে নেমে পড়েন আর ওই আসন জোটের প্রার্থী পেলে তখন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। 

এই আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত করার জন্য সোমবার (১৯ নভেম্বর) জাতীয় পার্টির সঙ্গে আওয়ামী লীগের বৈঠক হওয়ার কথা ছিলো। তবে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু সন্ধ্যায় বাংলানিউজকে বলেন, আজ বৈঠক হওয়ার কথা না। পরশুদিন (বুধবার) হতে পারে।

এছাড়া ১৪ দলের শরিকদের সঙ্গেও আসন ভাগাভাগি নিয়ে দুই তিন দিনের মধ্যে বসবে আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) ১৪ দলের সঙ্গে বসার কথা শোনা যাচ্ছিলো। 

তবে ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বাংলানিউজকে বলেন, মঙ্গলবার বসার সম্ভাবনা নেই। আগামী দুই-তিনদিনের মধ্যে বসা হবে। 

বাংলাদেশ সময়: ০০১১ ঘণ্টা, নভেম্বর ২০, ২০১৮
এসকে/এমএ  

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: আওয়ামী লীগ
জলঢাকায় উপজেলা নির্বাচনে বৈধতা ফিরে পেলেন বাহাদুর 
‘বিকশিত হোক শত ভাবনা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
গাপটিলকে থামালেন সাইফ 
খুলনায় পচা মিষ্টি বিক্রির দায়ে বনফুলকে জরিমানা 
ঘরের মাঠে লিভারপুলের হোঁচট


কানাডায় আগুনে পুড়ে ৭ সিরিয়ান শরণার্থী শিশুর মৃত্যু
বার্সাকে জিততে দিল না লিঁও
শেষ ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
রাবিতে ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন শুরু ২৮ ফেব্রুয়ারি  
মান হারিয়ে আবেদন হারাচ্ছে লিটল ম্যাগ