‘খালেদার অনুপস্থিতিতে শুনানি ন্যায়বিচার পরিপন্থি’

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা: খালেদা জিয়ার মামলার শুনানি তার অনুপস্থিতে হবে, আদালতের এই আদেশ ন্যায়বিচারের পরিপন্থি, মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একজন বন্দি যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তার সামনে শুনানি হওয়াটাই নিয়ম।

শুক্রবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

একটি বেআইনি আদেশ দিয়ে কারাগারের অভ্যন্তরে আদালত বসানো হয়েছে দাবি করে ফখরুল বলেন, আমরা এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছি না। 

এত তাড়া কেন, প্রশ্ন করে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার তাকে দ্রুত সাজা দিয়ে আটকে রাখতে চায়। কিন্তু আদালতের কাছ থেকে আমরা এটা প্রত্যাশা করি না।

খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ একথা কারাকর্তৃপক্ষ বারবার স্বীকার করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারা কর্তৃপক্ষ বোর্ড বসিয়েছে, বোর্ড থেকে যতটুকু রিপোর্ট বাইরে এসেছে তাতে বলা হয়েছে তিনি অত্যন্ত অসুস্থ, হাঁটার উপযুক্ত নন। তাকে জরুরিভাবে হাসপাতালে ভর্তির কথা বলেছে।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, “যে আদালত একটি মিথ্যা মামলায় সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়েছে সেই আদালত কারাগারের মধ্যে তার অনুপস্থিতিতে মামলা পরিচালনার কথা বলছে। আমরা এ সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে পারছি না। একই সপ্তাহে পর পর তিনদিন তারিখ দিয়েছে। এত তাড়া কেন? 

সরকারের তাড়াটা আমরা বুঝতে পারি। তারা চায় যত দ্রুত খালেদা জিয়াকে আটকে রাখার ব্যবস্থা করতে। কিন্তু আদালতের কাছে তো আমরা এটা প্রত্যাশা করি না, জনগণও প্রত্যাশা করে না। আমরা মনে করি এই আদেশের পরিবর্তন হওয়া উচিত এবং খালেদা জিয়াকে একজন নাগরিক হিসেবে সংবিধান সম্মতভাবে প্রাপ্য সুযোগগুলো দেওয়া উচিত। আশা করবো, তার প্রতি এই অমানবিক আচরণ থেকে বিরত থাকবেন। একই সঙ্গে অবিলম্বে তার সুচিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতালের বাইরে যে কোনো হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

ফখরুল বলেন, বৃহস্পতিবার আইনজীবীরা তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি (খালেদা জিয়া) প্রথম কথাই বলেছেন আমাকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে না কেন? কতটা ‍অসুস্থ হলে তিনি একথা বলতে পারেন। আগে তিনি কখনও একথা বলেননি।

বিচার বিভাগের যারা দায়িত্বে রয়েছেন তাদের প্রতি দাবি জানিয়ে ফখরুল বলেন, অবিলম্বে শুনানি বন্ধ করে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি উপস্থিত ছিলেন।
 
বাংলাদেশ সময়: ১১৫৭ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২০১৮
এমএইচ/এমজেএফ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: খালেদা জিয়া
বিশ্বের যে ১০ শহরে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেন পর্যটকরা
৩ কর্মকর্তা দিয়ে চলছে মুন্সিগঞ্জের পরিসংখ্যান কার্যালয়
ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
ভারতে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত সংখ্যা বেড়ে ৬০
দ্বিধাবিভক্ত কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি
সংগীতজ্ঞ অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
‘বঙ্গবন্ধুর পর দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় শেখ হাসিনা’
যুক্তরাষ্ট্রের উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা আসছেন
গলায় ফাঁস দিয়ে ইবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
ডা. জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে সাভারে ফের চাঁদাবাজির মামলা