ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, ১১ আগস্ট ২০২০, ২০ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

করোনা ভাইরাস-এডিস মশা দুটিই বিপদজনক: আতিকুল ইসলাম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭৪৭ ঘণ্টা, মার্চ ২৬, ২০২০
করোনা ভাইরাস-এডিস মশা দুটিই বিপদজনক: আতিকুল ইসলাম

ঢাকা: করোনা ভাইরাস ও এডিস মশা দুটিই বিপদজনক। সবাই মিলে একসঙ্গে করোনা ভাইরাসকে যেভাবেই হোক প্রতিহত করতে হবে। ঠিক একইভাবে এডিস মশা কমাতে এলাকা ও বাসা বাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা নগরে ডিএনসিসির ৭ নম্বর ওয়ার্ডে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ওয়াটার বাউজার গাড়িতে করে বিভিন্ন এলাকায় জীবাণুনাশক স্প্রে কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন নবনির্বাচিত মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ক্লোরিন মিশিয়ে রাস্তাঘাট জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে।

একই মেশিনে বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও বাজারগুলোকে ডিজইনফেক্টেট করতে হচ্ছে। অবশ্যই এটি একটি বাড়তি চাপ। আমাদের মশা বেড়ে গেছে। এটি বাস্তব। আপনারা সবাই বাসায় আছেন। এই মুহূর্তে আমি সবাইকে অনুরোধ করবো, আপনাদের বাসা বাড়িরগুলো পরিষ্কার রাখবেন। বাসার ছাদ, বাসার সামনের ড্রেন  সবাই মিলে পরিষ্কার করি। নিজের কাজ নিজে করতে কোনো অসুবিধা নাই।  

মশক কর্মীদের ওষুধ ছিটানো কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, মশক কর্মীদের সকাল আটটা থেকে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত মশার ওষুধ ছিটানোর নিয়ম। কিন্তু বাস্তবে অনেকে ওষুধ  ছিটাচ্ছে না। বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কার্যক্রম মনিটরিং করা। আমাদের ওষুধের সমস্যা নেই। আমরা যে ওষুধ পরিবর্তন করেছি, সে ওষুধ আমাদের কাছে আছে। আমাদের কাছে ওষুধ ও স্প্রেম্যান আছে।

জনসাধারণকে উদ্দেশ্য করে আতিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের যেখানে ওষুধ ছেটানো হচ্ছে সেখানে সবাই আসুন। ওষুধ ছেটানো কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য। আমরা যদি সঠিকভাবে ওষুধ ছিটানো মনিটরিং করতে পারি তাহলে আমরা এই এডিস মশা অনেকাংশে কমাতে পারবো।  

এ কার্যক্রম পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এবং প্যানেল মেয়র মো. জামাল মোস্তফা।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৪৪ ঘণ্টা, মার্চ ২৬, ২০২০
এমএমআই/এইচএডি/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয় এর সর্বশেষ

Alexa