ঢাকা, বুধবার, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ১২ আগস্ট ২০২০, ২১ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

২০২৩ সালের মধ্যে দেড় কোটি যুবকের কর্মসংস্থান হবে

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৯১৮ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
২০২৩ সালের মধ্যে দেড় কোটি যুবকের কর্মসংস্থান হবে

ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধের মতো টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের যুবকেরা মূল শক্তি বলে মনে করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

তিনি বলেছেন, এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে ১০টিই যুবকদের কেন্দ্র করে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মতো যুব সমাজই আমাদের মূল শক্তি।

আমরা আশা করি ২০২৩ সালের মধ্যে দেড় কোটি যুবকের কর্মসংস্থান হবে। এজন্য আমাদের কারিগরি শিক্ষার দিকে নজর দিতে হবে বেশি।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে ‘এসডিজি বাস্তবায়নে যুব সমাজের অংশগ্রহণ’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কে এম খালিদ এসব কথা বলেন।  

তিনি বলেন, এসডিজি ছাড়া আমাদের যাবতীয় রূপরেখায় একইভাবে যুব সমাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে যুব সমাজকেও সে সুযোগ গ্রহণ করতে হবে। নিজেদের যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।  

সংস্কৃতি বিষয় মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এসডিজি বিষয়ক) মো. মোকাম্মেল হোসেন, সংস্কৃতি বিষয় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন ও পরিকল্পনা) মো. আব্দুল মান্নান ইলিয়াস প্রমুখ।  
অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, আমাদের যুবকদের মাঝে সবার আগে প্রয়োজন আকাঙ্ক্ষা। সেই আকাঙ্ক্ষা থেকে ৫/৬টি পর্যায়ে কাজে নেমে পড়লে দেশ এমনিতেই এগিয়ে যাবে, উন্নত হবে। আমি বলবো- আপনারা ভালো কাজ শুরু করুন। তার আগে অবশ্যই নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে, নইলে কাজটা ঠিকভাবে হবে না।

তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজে উজ্জ্বীবিত হোন, নিজস্ব একটি স্বকীয়তা বজায় রাখুন। নিজে এমন কিছু করুন যেখানে সাধারণ মানুষের উপকার হয়, কল্যাণ হয়।  

বাংলাদেশ সময়: ১৩৪৩ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
এইচএমএস/এমএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয় এর সর্বশেষ

Alexa