‘দাদার হত্যাকারীর বিচার দেখে গেলে বাবা স্বস্তি পেতেন’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

অধ্যাপক অজয় রায়ের ছোট ছেলে অনুজিৎ রায়। ছবি: জিএম মুজিবুর

walton

ঢাকা: অধ্যাপক অজয় রায়ের ছোট ছেলে অনুজিৎ রায় বলেন, আমার দাদা (বড় ভাই) অভিজিৎ রায়ের হত্যাকারীদের বিচার দেখে গেলে বাবা স্বস্তিবোধ করতেন। সেই বেদনা নিয়েই বাবা চলে গেলেন।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অধ্যাপক অজয় রায়ের নাগরিক শ্রদ্ধাঞ্জলির আয়োজনে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় এ শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজনে যোগ দেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

অনুজিৎ রায় বলেন, পিতা হারানোর বেদনা আমি মর্মে মর্মে অনুভব করছি। তিনি শুধু আমার পিতা ছিলেন না। তিনি ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানী, লেখক, বুদ্ধিজীবী; সর্বোপরি একজন মুক্তচিন্তার মানুষ।

‘বাবা ইচ্ছা করলে সপরিবারে বিদেশে থাকতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটি করেননি। তিনি সপরিবারে বাংলাদেশে থেকেছেন। তিনি বলতেন, এটা আমার দেশ, আমি দেশ ছেড়ে কেন যাব?’

তিনি আরও বলেন, মৌলবাদমুক্ত, উদার গণতান্ত্রিক একটি রাষ্ট্রের জন্য বাবা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন। তার প্রত্যাশা মাফিক বাংলাদেশ হলে, তার সব সংগ্রাম সার্থক হবে।

অনুজিৎ রায় জানান, অজয় রায়ের শেষ ইচ্ছা ছিল, তার মরদেহ চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণার জন্য দান করা। সেই ইচ্ছা অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে তার মরদেহ দান করা হবে।

সোমবার (০৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান অধ্যাপক অজয় রায়।

বাংলাদেশ সময়: ১৪০৪ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
ডিএন/এসএ

অভিজ্ঞতাবাদের জনক ফ্রান্সিস বেকনের প্রয়াণ
আতিককে পথভ্রষ্ট না হওয়ার পরামর্শ রুবানার 
টাইগারদের নতুন পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন
সিলেটে বাসের ধাক্কায় লেগুনা উল্টে নারীর মৃত্যু
তথ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইটে ‘মুজিব শতবর্ষ’ নামক সেবাবক্স


গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারীর ওরশ শুরু বুধবার
শীতলক্ষ্যা নদীর তীর থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
হামলা নিয়ে তাবিথের লিখিত অভিযোগ
জিম্বাবুয়ে বোলারদের ধৈর্য পরীক্ষা নিলেন ম্যাথিউস-মেন্ডিস
অক্ষয়ের পারিশ্রমিক এখন ১২০ কোটি!