php glass

পণ্য পরিবহনের আড়ালে ফেনসিডিলের ব্যবসা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

আটক করা হয়েছে মাদক চোরাচালান চক্রের আট সদস্যকে। ছবি: বাংলানিউজ

walton

ঢাকা: সীমান্ত এলাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুর থেকে কাঁচামাল নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দিতেন পিকআপ চালক রফিকুল ইসলাম। তবে, এসব পণ্য পরিবহনের আড়ালে মূলত ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকের চালান ঢাকায় পৌঁছানোর কাজ করতেন তিনি।

রোববার (২৫ আগস্ট) এমনই একটি চালান ঢাকায় আনার সময় র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েন রফিকুল। একে একে সংঘবদ্ধ এ মাদক চোরাচালান চক্রের আরও সাত সদস্যকে আটক করা হয়।

র‌্যাব জানায়, রাজধানীর উত্তরা ও টঙ্গী এলাকায় পৃথক দু’টি অভিযানে এক হাজার ছয়শ’ বোতল ফেনসিডিলসহ আট মাদক ব্যবসায়ীকে আটক, মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত দু’টি পিকআপ ও একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন বাপ্পী হোসেন বেলাল (২৫), সুমন গাজী (৩২), ফিরোজ কবির (২২), মেহেদী হাসান মুন্না (২২), সোলায়মান আলী (১৮), জুয়েল রানা (২৮), রফিকুল ইসলাম (৩৫) ও মিরাজ হোসেন ওরফে বাবু (২৭)।

তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১’র ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার (সিপিসি-২) সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সালাউদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, তারা সবাই একটি সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালানকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত। তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত হয়ে ভারত থেকে ফেনসিডিল নিয়ে আসে। পরে, পিকআপ ও প্রাইভেটকারে করে সেগুলো ঢাকায় বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর কাছে সরবরাহ করে আসছিল।

চক্রের অন্যতম সদস্য দিনাজপুরের মাদক ব্যবসায়ী বাপ্পী হোসেন বেলাল। তিনি ভারত থেকে ফেনসিডিলের চালান নিয়ে আসেন। এরপর বাপ্পীর কাছ থেকে ফিরোজ কবির, মেহেদী হাসান ও সোলায়মান পিকআপ ও প্রাইভেটকারে সেগুলো ঢাকায় নিয়ে আসেন। চালানটি ঢাকায় এনে এখানকার মাদক সিন্ডিকেটের সদস্য সুমন গাজীর কাছে হস্তান্তর করা হতো।

এএসপি সালাউদ্দিন বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকের চালান আনার নেপথ্যের মূল হোতা সুমন গাজী (৩২) ও বাপ্পী হোসেন বেলাল (২৫)। তারা পিকআপে কাঁচা মালামাল, ফল, শাকসবজি পরিবহনের আড়ালে ফেনসিডিলের চালান ঢাকায় পাঠাতো। ঢাকায় বসে সুমন গাজী রাজধানীসহ আশপাশের এলাকায় পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে সেসব মাদক সরবরাহ করতো।

ফিরোজ কবির মাদকের প্রতি চালান পৌঁছানোর জন্য নগদ ২০ হাজার টাকা নিতেন। মাদক পরিবহনে সোলায়মান আলী তার সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন।

মেহেদী হাসান মুন্না পেশায় প্রাইভেটকার চালক। প্রাইভেটকারে যাত্রী পরিবহনের আড়ালে মাদকের চালান দিনাজপুর থেকে ঢাকায় আনাই তার মূল কাজ। তিনিও এ কাজে ১৫ থেকে ২০ হাজার করে টাকা নিতেন।

শহিদুল, দুলাল, বাবু ও ছোট বাবু ভারত থেকে আসা ফেনসিডিলের চালান চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত পার করে দিতেন। ঢাকার মাদকের সিন্ডিকেটের জুয়েল সেগুলো পাইকারদের কাছে পৌঁছে দিতেন।

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানান এ র‌্যাব কর্মকর্তা।

বাংলাদেশ সময়: ০১৩১ ঘণ্টা, আগস্ট ২৬, ২০১৯
পিএম/একে

ksrm
মুন্সিগঞ্জে ‘জনস্বার্থে’ রাতের বেলা নিরাপত্তার কড়াকড়ি
ট্রাক সেলের মাধ্যমে খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রির সিদ্ধান্ত
‘নেত্রী নির্দেশ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবো’
বাংলাদেশের লজ্জার ম্যাচে আফগানদের রেকর্ড
আমরা কোন রুচির পরিচয় দিচ্ছি: শামীম ওসমান 


চট্টগ্রামে ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে জিয়াদ নিহত
টেস্টের পর টি-টোয়েন্টিতেও আফগানদের কাছে হারল বাংলাদেশ
ইতালি যাওয়ার পথে না ফেরার দেশে ফরিদপুরের ৩ যুবক
সহজ হওয়াটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ: ঋত্বিক রোশন
‘নুসরাতকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়’