সন্ত্রাসীদের ধর্ম নেই, সবাইকে সোচ্চার হতে হবে

মহিউদ্দিন মাহমুদ, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ব্রুনেইতে প্রবাসীদের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা/ছবি: পিআইডি

walton

ব্রুনেই থেকে: শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সন্ত্রাসীদের ধর্ম নেই, দেশ নেই। এদের বিরুদ্ধে সবাইকে সর্তক ও সোচ্চার হতে হবে।

php glass

সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, মাদকাসক্তের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এদের কোনো স্থান হবে না।

ব্রুনেই সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার (২১ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় এম্পায়ার অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাব হোটেলের বলরুমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, আসলে সন্ত্রাসী সন্ত্রাসীই, এদের কোন ধর্ম নেই, এদের কোনো জাত নেই, এদের কোনো দেশ নেই, কিচ্ছু নেই। এরা সন্ত্রাসী।

‘এদের বিরুদ্ধে সবাইকে সর্তক হতে হবে, সোচ্চার হতে হবে। কারণ এরা মানুষের জীবন নষ্ট করে, মানুষের জীবন ধ্বংস করে দেয়।’

ব্রুনেইতে প্রবাসীদের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা/ছবি: পিআইডিসন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি, মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স নীতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস নির্মূল করার জন্য বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স ঘোষণাই শুধু আমরা দেইনি। আমাদের সমস্ত গোয়েন্দা সংস্থাকে আমরা সব সময়ে সর্তক রেখেছি। এবং এই ধরনের কোনো চিহ্ন কোথাও দেখা গেলে আমরা সঙ্গে সঙ্গে তার ব্যবস্থা নিচ্ছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে কোনো রকম সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতিবাজ, মাদকাসক্তের কোনো স্থান হবে না।

শ্রীলঙ্কার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, একটা দুঃখজনক ঘটনা ঘটে গেছে শ্রীলঙ্কায়। সেখানে প্রায় আটটি জায়গায় বোমা হামলা হয়েছে। অনেক মানুষ সেখানে মারা গেছে, বহু আহত হয়েছেন। এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। 

সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডে মসজিদের নামাজরত মুসলমানদের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছুদিন আগে দেখেছেন নিউজিল্যান্ড, সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ এলাকা; সেখানে কেউ চিন্তাই করতে পারেনি এ রকম ঘটনা ঘটবে। সেখানে মসজিদের ভেতরে নামাজ পড়া অবস্থায় প্রায় ৬০ জনের মতো মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ, যুব এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ প্রমুখ।

সভাপতিত্ব করেন ব্রনেইতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মাহমুদ হোসাইন।

বাংলাদেশ সময়: ২০১২ ঘণ্টা, এপ্রিল ২১, ২০১৯
এমইউএম/এএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
পুলিশি অভিযানে মৃত্যু, এসআইসহ ৬ পুলিশ প্রত্যাহার
মহাখালীতে ৬ তলা ভবনে আগুন 
টেলিভিশন বিস্ফোরণে স্বামীর পর মারা গেলেন স্ত্রীও
বেকারত্বের কারণে শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে
আম পাড়া নিয়ে ঝগড়া, বড় ভাইকে কোপালো ছোট ভাই


কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
ইতিহাসের এই দিনে

কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম

অস্ত্রসহ গ্রেফতার ছিনতাইকারী
প্রস্ততি ম্যাচে আফগানদের কাছে হারলো পাকিস্তান
তিন গুণ দামে কাপড় বিক্রি মিমিতে, লাখ টাকা জরিমানা
আশুলিয়ায় মলমপার্টির সদস্য আটক