স্কুলছাত্র বাদল হত্যায় দু’জনের ফাঁসির দণ্ড বহাল

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

হাইকোর্ট/ফাইল ফটো

walton

ঢাকা: ২০ বছর আগে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার স্কুলছাত্র বাদল হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসির দণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। 

php glass

তবে চার আসামির মধ্যে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত দু’জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
 
এ বিষয়ে ডেথ রেফারেন্স ও ফৌজদারি আপিলের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (এপ্রিল ১৮) বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
 
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। এক আসামির পক্ষে ছিলেন মোহাম্মদ রেজাউল কবির খান। পলাতকদের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন শফিকুল ইসলাম।
 
রায়ের পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ বলেন, মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত দু’জনের দণ্ড বহাল রেখে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত দু’জনকে খালাস দিয়েছেন। আসামি চারজনের মধ্যে তিনজন পলাতক। বাকি একজন জামিনে ছিলেন।
 
২০১৪ সালের ৯ মার্চ বাগেরহাটের জেলা ও দায়রা জজ এস এম সোলায়মান ওই রায় ঘোষণা করেন।
 
রায়ে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বহরবুনিয়া গ্রামের মৃত মতু হাওলাদারের ছেলে ফুল মিয়া হাওলাদার ও একই গ্রামের মফেজ মল্লিকের ছেলে শহিদুল মল্লিককে ফাঁসির দণ্ড দেন।
 
যাবজ্জীবন দণ্ড দেওয়া হয় বহরবুনিয়া গ্রামের গ্রামের আইয়ুব আলী হাওলাদারের ছেলে হাওলাদার মনিরুজ্জামান ওরফে মনিরুল ও মৃত আবদুল আজিজ হাওলাদারের ছেলে আলী আকবর হাওলাদারকে।

এর মধ্যে জামিনে থাকা মনিরুজ্জামান ছাড়া বাকিরা পলাতক।
 
আদালত সূত্র জানায়, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বহরবুনিয়া গ্রামে ১৯৯৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে আসামি ফুলমিয়া হাওলাদারসহ দু’তিনজন দুর্বৃত্ত প্রতিবেশী এলাল উদ্দিনের বাড়িতে যান। এসময় আসামি ফুল মিয়া এলাল উদ্দিনের স্কুলপড়ুয়া ছেলে বাদলের ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। ধস্তাধস্তির শব্দ পেয়ে নিহতের বাবা এলাল ও তার মা তানজিরা বেগমের ঘুম ভেঙে যায়। এরপর বাদলের ঘরে গিয়ে খাটের ওপর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
 
আসামি ফুল মিয়ার সঙ্গে এলাল উদ্দিনের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। ঘটনার দিন বিকেলে এলাল উদ্দিন বাদী হয়ে ফুল মিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে মোরেলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ মামলায় ২০০১ সালের ১৯ মার্চ ফুল মিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
 
পরে মামলার বিচার শেষে ২০১৪ সালের ৯ মার্চ রায় ঘোষণা করেন আদালত।
 
নিয়ম অনুসারে ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন) হাইকোর্টে আসে। একইসঙ্গে এক আসামি ফৌজদারি আপিল করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৭২৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৮, ২০১৯
ইএস/এএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: মৃত্যুদণ্ড
পুলিশি অভিযানে মৃত্যু, এসআইসহ ৬ পুলিশ প্রত্যাহার
মহাখালীতে ৬ তলা ভবনে আগুন 
টেলিভিশন বিস্ফোরণে স্বামীর পর মারা গেলেন স্ত্রীও
বেকারত্বের কারণে শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে
আম পাড়া নিয়ে ঝগড়া, বড় ভাইকে কোপালো ছোট ভাই


কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
ইতিহাসের এই দিনে

কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম

অস্ত্রসহ গ্রেফতার ছিনতাইকারী
প্রস্ততি ম্যাচে আফগানদের কাছে হারলো পাকিস্তান
তিন গুণ দামে কাপড় বিক্রি মিমিতে, লাখ টাকা জরিমানা
আশুলিয়ায় মলমপার্টির সদস্য আটক