php glass

দিল্লিতে জেল খেটেছিলেন নোবেলজয়ী অভিজিৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃতীত

walton

ঢাকা: প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভারতীয় এই মার্কিন অমর্ত্য সেনের পর দ্বিতীয় বাঙালি হিসেবে নিজের ঘরে তুলে নিয়েছেন সম্মানীয় পুরস্কার অর্থনীতিতে নোবেল। 

তার কাজের প্রশংসা এবং অর্জন নিয়ে বিশ্বজুড়ে এখন চলছে মাতামাতি। কিন্তু এ অবস্থানে আসার আগে ভারতে যখন নোবেলজয়ী এ অর্থনীতিবিদ ছিলেন তাকেও জেল খাটতে হয়েছিল।   

বন্দি হিসেবে ছিলেন দিল্লির তিহার কারাগারে। এ সময় তাকে পুলিশ মারধরও করেছিল। সম্প্রতি ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন এ নোবেলজয়ী। 

পড়ুন>>চতুর্থ বাঙালির হাতে এবার অর্থনীতির নোবেল

খবরে বলা হয়, ১৯৮৩ সালে দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (জেএনইউ) অধ্যয়নকালে ছাত্র আন্দোলনে যোগ দেন আজকের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদও। ওইদিন জেএনইউ-এর উপাচার্যকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ঘেরাও করে রেখেছিলেন ছাত্ররা। 

ছাত্রদের অভিযোগ ছিল, ছাত্র সংসদের সভাপতিকে অনৈতিকভাবে অপসারণ করা হয়েছে। ওই আন্দোলন চলাকালে বন্ধুদের সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছিলেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এ সময় তাকে মারধরও করা হয়। 

সম্প্রতি ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমকে নোবেলজয়ী অভিজিৎ বলেন, ‘আমাদের পুলিশ মারে। তিহার জেলে রাখে। আমাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার চার্জ ছিল না। তবে খুনের চেষ্টা-সহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয়।’

‘তবে সৃষ্টিকর্তার কৃপায়, পরে অবশ্য সেই চার্জ থেকে মুক্তি দেওয়া হয় আমাদের। কিন্তু তিহার জেলে ১০ দিন ছিলাম আমরা,’ যোগ করেন তিনি। 

উল্লেখ্য, দারিদ্র্য বিমোচনে গবেষণায় অবদান রাখায় এবার অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন অভিজিৎ। তার সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল পান অভিজ্যিৎপত্নী এস্থার দুফলো এবং সহকর্মী মাইকেল ক্রেমার। 

বাংলাদেশ সময়: ১৪০৭ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৬, ২০১৯
এমএ/

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: নোবেল পুরস্কার
চীনে খনি বিস্ফোরণে ১৫ শ্রমিকের মৃত্যু
মারামারি করতে চান কাভানি, প্রস্তুত মেসি!
সেপটিক ট্যাংক মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে: নওফেল
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির সমাবেশ শনিবার
বরিশা‌লের ৮ রু‌টের বাস চলাচল বন্ধ


পরিবহন ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে ‘অচল’ বিভিন্ন জেলা
নওগাঁর সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন নুসরাত
নড়াইলে বাস ধর্মঘট ২য় দিনে, দুর্ভোগ
শিকারিদের ফাঁদে মরলো বিপন্ন ‘গন্ধগোকুল’