php glass

দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির বিকল্প নেই:পলক

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

মতবিনিময় সভা । ছবি: বাংলানিউজ

walton

ঢাকা: ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওস্থ আইসিটি টাওয়ারে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে জাপানে প্রশিক্ষণের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রার্থীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশকে একটি মেধানির্ভর অর্থনীতির দেশে পরিণত করতে আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা দেশের তৃণমূল পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে চাই। এর অংশ হিসেবে জেলা পর্যায়ে আইটি বা হাই-টেক পার্ক স্থাপন (১২টি জেলায়) প্রকল্পের আওতায় ৩০ হাজার তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

‘প্রথম পর্যায়ে আমরা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মাধ্যমে ৩ হাজার ৪১১ জন ইইই/সিএসই/আইটি/কম্পিউটার সায়েন্স/সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার গ্রাজুয়েটের মধ্য থেকে ২০০ জনকে নির্বাচন করেছি। মেধাক্রম অনুসারে প্রথম ৫০ জন জাপান যাচ্ছে। আমি আশা করি এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা দক্ষ আইটি কর্মী পাবো।’

এছাড়াও অনাড়ম্বর এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদেরকে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

প্রশিক্ষণের জন্য জাপান যাচ্ছেন ৫০ শিক্ষার্থী। ছবি: বাংলানিউজ

বাংলাদেশের হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন জেলা পর্যায়ে আইটি/ হাই-টেক পার্ক স্থাপন (১২টি জেলায়) প্রকল্পের আওতায় জাপানে প্রশিক্ষণে যাচ্ছে ৫০ জনের একটি দল। জাপানের ফুজিৎসু রিসার্চ ইন্সটিটিউটে ডাটা সায়েন্স, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং, ইন্টারনেট অব থিংস, রবোটিক্স, ব্লক চেইন এবং সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে ৯০ দিনব্যাপি এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে। আজ (১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯) বাংলাদেশের হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে এ উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।  

মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ১১ হাজারের অধিক জনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। বর্তমানে আরও প্রায় তিন হাজার ১০০ জনের প্রশিক্ষণ চলমান এবং আরও ৪৫ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আমরা শুধু প্রশিক্ষণেরই ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি, গুণগত প্রশিক্ষণ শেষে আমরা তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেছি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্ন আইটি কোম্পানিতে প্রায় চার হাজার ৪৭৬ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এ প্রশিক্ষণ শেষে তোমরাও দেশের জন্য ভালো কিছু করতে পারবে।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন জেলা পর্যায়ে আইটি/ হাই-টেক পার্ক স্থাপন (১২টি জেলায়) প্রকল্পের আওতায় ৩০ হাজার তরুণ-তরুণীকে আইটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রকল্পের আওতায় নির্মিতব্য স্থাপনাসমূহের মধ্যে রয়েছে ১২টি জেলায় ৭ তলা (প্রতি তলা ১৫,০০০ বর্গফুট) মাল্টিটেনেন্ট ভবন নির্মাণ (স্টিল স্ট্রাকচার); ১২টি জেলায় ৩ তলা (প্রতি তলা ৭,০০০ বর্গফুট) ক্যান্টিন ও এমপি থিয়েটার ভবন (স্টিল স্ট্রাকচার); ৮টি জেলায় ৩ তলা (প্রতি তলা ৬,০০০ বর্গফুট) ডরমেটরি ভবন (আর সিসি স্ট্রাকচার) এবং ১২টি জেলায় ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কাজ। এছাড়া এ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫২ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯
এসএইচএস/এইচএডি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: তথ্যপ্রযুক্তি
ksrm
সিটি ব্যাংকের সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের চুক্তি সই
শেবাচিম হাসপাতালে আরেক ডেঙ্গুরোগীর মৃত্যু
মীরাক্কেল ১০: বাংলাদেশে অডিশন ২৭ সেপ্টেম্বর
পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কাজ করবে ১৫ টিম
কাগজের ঠোঙা নিয়ে কাজ করছে ত্রিপুরা


চাঁদপুরে মাদক মামলায় যুবকের ২ বছর কারাদণ্ড
ক্যাসিনোতে জড়িতরা অনুপ্রবেশকারী: এইচ টি ইমাম
‘এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোনে ক্যাসিনো থাকবে’
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে নিয়োগ
শাহরাস্তিতে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু