php glass

চলতি মৌসুমে নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা নেই

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বক্তব্য রাখছেন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। ছবি: বাংলানিউজ

walton

ঢাকা: রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেছেন, চলতি শীত মৌসুমে নিপাহ, রোটা ভাইরাস ও চিকেনপক্সের প্রাদুর্ভাবের কোনো আশঙ্কা নেই। তবে ‘কমন কোল্ড’ বা সাধারণ ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা হতে পারে। সেজন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। 

সোমবার (১৮ নভেম্বর) আইইডিসিআর কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন। 

‘ওরিয়েন্টেশন ওয়ার্কশপ অন নিপাহ ভাইরাস ইনফেকশন অ্যান্ড আদার সিজোনাল ডিজিজ’ শীর্ষক এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় মৌসুমি রোগ সম্পর্কে তিনটি পৃথক গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। এরমধ্যে এ সময়ের শ্বাসতন্ত্রজনিত জটিলতা বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল সায়েন্টেফিক অফিসার ডা. এ এস এম আলমগীর, রোটা ভাইরাস বিষয়ক গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার ডা. মনজুর হেসেন খান ও নিপাহ ভাইরাস বিষয়ে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. শারমিন সুলতানা।

বক্তারা বলেন, আসন্ন শীত মৌসুমে রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া এবং প্রাণ হরণকারী নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব (আইটব্রেক) হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। রোটা ভাইরাস মূলত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি এবং নিপাহ ডিসেম্বর থেকে মার্চ এ সময়ে সংক্রমণ ঘটায়। সাধারণত জনসমাগম স্থল, স্কুল, কলেজ, হোস্টেল বা এতিমখানা মতো স্থানে কারও রোটা ভাইরাস হলে সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে খাবারের আগে হাত ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিলে এ ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকা সম্ভব। এ রোগে মৃত্যুহার খুবই কম।

বাংলাদেশে শীত মৌসুমে ইনফ্লুয়েঞ্জা হয় না বলেই চলে। এ সময়ে মূলত ‘কমন ক্লোড’ বা সাধারণ ঠাণ্ডা, সর্দি, কাশি হয়ে থাকে। ২০০ এর বেশি ভাইরাসের মাধ্যমে এসব রোগ ছড়ায়। এরমধ্যে ৭২ শতাংশই রাইনো ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। যা হাঁচি, কাশির মাধ্যমে একজন থেকে আরেকজনে ছড়ায়। শীত মৌসুমে ‘কমন কোল্ডে’ ৩০ থেকে ৫০ ভাগ প্রাপ্তবয়স্করা এবং ৬০ থেকে ৮০ ভাগ শিশুরা আক্রান্ত হয়ে থাকে। 

করমর্দনের মাধ্যমে এ ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ছড়ায়। তবে সচেতনতার মাধ্যমে এ রোগ থেকে নিরাপদ থাকা অনেকাংশে সম্ভব।  

অন্যদিকে বিগত ১৮ বছরে বাংলাদেশের ৩১টি জেলায় বিভিন্ন সময়ে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা গেছে। এ রোগের লক্ষণ সাধারণত এনসেফেলাইটিসের মতো। বিশেষ করে জ্বর, মাথা ব্যথা, খিঁচুনি, প্রলাপ বকা ইত্যাদি। স্তন্যপায়ী প্রাণী বাদুরের মাধ্যমে আমাদের দেশে এ রোগ ছড়িয়ে থাকে। বিশেষ করে বাদুর মুখ নিশ্রিত লালা বা মূত্র মিশ্রিত কাঁচা খেজুর রস এবং বাদুরের খাওয়া ফল খেলে নিপাহ হতে পারে। নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুহার প্রায় ৭০ শতাংশ। তাই এ মৌসুমে কাঁচা খেজুর রস খাওয়া থেকে বিরত থেকে নিপাহ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৪৩ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৮, ২০১৯
এমএএম/আরবি/

তথ্য কমিশন-এটুআই’র মধ্যে চুক্তি সই
বাংলাদেশ ক্যানসার এইড ট্রাস্টের যাত্রা শুরু
জাপার সম্মেলন উপলক্ষে প্রচার উপ-কমিটির সভা
‘নারীর প্রতি সহিংসতার প্রকাশ্য প্রতিবাদ করতে হবে’
বগুড়ায় ইউপি সদস্যকে ইয়াবাসহ আটক


সালমান-ক্যাটরিনার পারফরম্যান্সে শেষ হলো বিপিএল’র উদ্বোধনী
ট্রাক্টরই এখন কৃষকের ‘গলার কাঁটা’
বাংলাদেশকে অনেক ভালোবাসি: সালমান খান
পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা চরমে, দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ
বেগম রোকেয়ার জন্ম-মৃত্যু
ইতিহাসের এই দিনে

বেগম রোকেয়ার জন্ম-মৃত্যু