php glass

গোপালগঞ্জের ৫ উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন যারা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

গোপালগঞ্জের ৫ উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন যারা

walton

গোপালগঞ্জ: তৃতীয় দফায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের ৫টি উপজেলার সবক’টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এ ৫ উপজেলায় আওয়ামী লীগ থেকে কোনো মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।  

৫ উপজেলায় বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিতরা হলেন- গোপালগঞ্জ সদরে শেখ লুৎফার রহমান, টুঙ্গিপাড়ায় সোলায়মান বিশ্বাস, কোটালীপাড়ায়  বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস, কাশিয়ানীতে সুব্রত ঠাকুর ও মুকসুদপুরে কাবির মিয়া।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় শেখ লুৎফার রহমান বাচ্চু দোয়াত কলম প্রতীকে ৩৭ হাজার ৬৫০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহমুদ হোসেন দিপু ঘোড়া প্রতীকে ৩৭ হাজার ৬২০ ভোট পেয়েছেন । অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহ আলম আনারস প্রতীকে ৩৪ হাজার ভোট পেয়েছেন।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় সোলায়মান বিশ্বাস আনারস প্রতীকে ২৭ হাজার ৬০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাবুল শেখ দোয়াত কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৩২ ভোট। এ উপজেলায় অসিম বিশ্বাস বাল্ব প্রতীকে ১৭ হাজার ৬৮২ ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান ও সোফিদা আক্তার জোনাকী ফুটবল প্রতীকে ২৯ মহাজার ৪৫১ ভোট পেয়েছেন।

কোটালীপাড়ায় বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস দোয়াত কলম প্রতীকে ৬০ হাজার ২১১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মুজিবর রহমান হাওলাদার চিংড়ি মাছ প্রতীকে ৩৭ হাজার ১৪১ ভোট পেয়েছেন। এ উপজেলায় আবদুল খালেক হাওলাদার চশমা প্রতীকা ৫০ হাজার ৫৭৫ ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান ও লক্ষ্মী রানী সরকার প্রজাপতি প্রতীকে ৫৫ হাজার ৮৪৫ ভোটে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। 

কাশিয়ানীতে সুব্রত ঠাকুর টেলিফোন প্রতীকে ২২ হাজার ৪১৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোক্তার হোসেন দোয়াত-কলম প্রতীকে ২১ হাজার ৭১৬ ভোট পেয়েছেন। এ উপজেলায় খাজা নেওয়াজ তালা প্রতীকে ৩৮ হাজার ১৬৫ ভোট পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান ও সোহাগী রহমান মুক্তা পদ্মফুল প্রতীকে ২৯ হাজার ৩৯১ ভোট পেয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
 
মুকসুদপুর উপজেলায় কাবির মিয়া আনারস প্রতীকে ৭০ হাজার ৬১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে এম এম মহিউদ্দিন আহম্মেদ মুক্ত মিয়া মটর সাইকেল প্রতীকে ৪২ হাজার ৯৯৭ ভোট পেয়েছেন। এ উপজেলায় রবিউল ইসলাম মোল্লা টিউবওয়েল প্রতীকে ৩৭ হাজার ৭৮০ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাপসী বিশ্বাস দূর্গা ৪৩ হাজার ৫১ ভোট পেয়েছেন।
 
এর আগে আজ রোববার (২৪ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলার ৫ উপজেলার ৩৮৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ১১৪টি কেন্দ্রে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট নেওয়া হয়। জেলার ৫টি উপজেলায় মোট ভোটার ছিলো ৮ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৫ জন। এখানে আওয়ামী লীগ থেকে কাউকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। তবে নির্বাচিতরা সবাই আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৫০ ঘণ্টা, মার্চ ২৫, ২০১৯
এসএইচ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
‘বরগুনার ঘটনার আসামিরা যেন দেশত্যাগ করতে না পারে’
বাংলাদেশের কাছে ইচ্ছে করে হারবে ভারত!
নীলের পরিবর্তে কমলা রঙের জার্সিতে দেখা যাবে ভারতকে
রাজধানীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু
টেকনাফে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার


আমদানি করা গুঁড়োদুধের চেয়ে মিল্ক ভিটা পুষ্টিযুক্ত!
দাবি না মানলে আমরণ অনশনের হুমকি ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের
২০১৭ সালের আগের ডিএজি-এএজিদের পদত্যাগের নির্দেশ
খালেদার মুক্তি-গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা একসূত্রে গাঁথা
রিফাতের মরদেহ নিয়ে বরগুনার পথে বন্ধু-স্বজনরা