php glass

ব্যাংকারদের সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

কর্মশালায় উপস্থিত অতিথিরা, ছবি: বাংলানিউজ

walton

ঢাকা: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চাহিদামাফিক সঠিকভাবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন বা তথ্য দেওয়ার জন্য ব্যাংকাদের এ সংক্রান্ত সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। এছাড়া ব্যাংকিংয়ে নতুন কমপ্লায়েন্স পরিপালন এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনামাফিক তথ্য দক্ষ ব্যাংকার ছাড়া দেওয়া সম্ভব নয়।

এ কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টকে (বিআইবিএম) উদ্যোগ নিতে হবে। একইসঙ্গে ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং বোর্ড সদস্যদেরও এ সংক্রান্ত বিষয়ে সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

সোমবার (২২ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে ‘রেগুলেটরি রিপোর্টিং রিকয়ারমেন্টস ফর ব্যাংকস’ শীর্ষক বার্ষিক পর্যালোচনা কর্মশালায় উপস্থাপিত গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

কর্মশালায় গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের অধ্যাপক এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. শাহ মো. আহসান হাবীব। আট সদস্যের গবেষণা দলে অন্যান্যের মধ্যে রয়েছেন- বিআইবিএম’র অধ্যাপক নেহাল আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আরিফুজ্জামান, এএসএম শাহাবুদ্দিন, মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক মোহামম্মদ সাইফুল ইসলাম।

কর্মশালার উদ্বোধন করে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, বিভিন্ন উদ্দেশে রেগুলেটরি রিপোর্ট চায় বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব রিপোর্ট বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্লেষণ করে। ব্যাংকিং খাতের সমস্যা চিহ্নিত করার পাশাপাশি এসব ব্যাংকিং খাতের নজরদারিতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন দিক বিবেচনায় রেগুলেটরি রিপোর্টিং খুব গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণার মধ্য দিয়ে যেসব সমস্যা চিহ্নিত হবে, তা পরবর্তীতে বিবেচনা করা হয়।

বিআইবিএমের চেয়ার প্রফেসর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা বলেন, ব্যাংকিং খাতে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসছে। এ জন্য দক্ষ কর্মী গড়ে তোলা প্রয়োজন। ব্যাংক র্মীদের প্রশিক্ষণের ওপর সর্বোচ্চ জোরারোপ করতে হবে। তথ্য ব্যবস্থাপনা সহজ হতে হবে। প্রত্যেক কর্মীকে স্বচ্ছতার সঙ্গে তথ্য ব্যবস্থাপনা করতে হবে।

পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, রিপোর্টিংয়ের সত্যতা বজায় রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে প্রত্যেক ব্যাংককে দক্ষতা এবং সকক্ষমতা বাড়াতে হবে। ব্যাংকগুলো যেনো কোনোভাবেই কমপ্লায়েন্সে ছাড় না দেয়। কমপ্লায়েন্স পরিপূরণে বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। কোনোভাবেই তা ব্যয় হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।

সীমান্ত ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোখলেসুর রহমান বলেন, প্রযুক্তি খাতে অর্থ ব্যয়কে বিনিয়োগ হিসেবে দেখা উচিত। এতে ব্যাংকিং খাত লাভবান হবে।

স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এবং বিআইবিএমের মহাপরিচালক নাজিমুদ্দিন।

তিনি সঠিক এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিপোর্টিংয়ের ওপর জোরারোপ করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৬০৯ ঘণ্টা, জুলাই ২২, ২০১৯
এসই/টিএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: বাংলাদেশ ব্যাংক
পাঁচবিবিতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
বিপিএলে সব দলের সঙ্গেই থাকবে দুদক কর্মকর্তা: পাপন
আদালতে নিলামে ৯১ টাকা দরে বিক্রি হলো পেঁয়াজ
খালেদা ইস্যুতে ২০১১ সালে হাইকোর্টে হট্টগোল হয়েছিল
বিএনপিপন্থিদের হট্টগোল কলঙ্কজনক-আদালত অবমাননা


অন-অ্যারাইভাল ভিসাসহ বাংলাদেশ-ভারতের নৌপথে খুলছে অনেক জট
পেঁয়াজ বেশি খায় সিলেটের মানুষ, কম বরিশালের
দুদকের মামলায় ছেলেসহ শিল্পপতি আবুল হোসেন গ্রেফতার
সমতলে বৈভবময় পার্বত্য মেলা
ভালো জিনিস তৈরিতে সময় লাগে: আলিয়া ভাট