php glass

আমি সুর পাল্টাবো না, ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ছবি: বাংলানিউজ

walton

ঢাকা: ব্যবসায়ীদের দাবি দাওয়া বাস্তবায়ন নিয়ে কখনও দ্বিমত পোষণ করবেন না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন, মন্ত্রী হয়েছি বলে, আমি সুর পাল্টাবো না।

বুধবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড সংলগ্ন ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) চারদিনের ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার্ন অ্যান্ড ফ্রেবিক শো-২০১৯ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
 
টিপু মুনশি একজন তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী। বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতিও ছিলেন তিনি। রংপুর-৪ আসন থেকে টানা তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন; এবার দায়িত্ব পেয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে।
 
দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা তার সঙ্গে দেখা করে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি নানা দাবিও তুলে ধরেছেন। 
 
মন্ত্রী জানান, সর্বশেষ তার সঙ্গে দেখা করেছেন ঢাকা চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের নেতারা। 
ফেব্রিক শো’তে ব্যবসায়ী নেতাদের দেওয়া বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, শিল্পখাতে আমাদের অবদান ৩৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। আমি আজ কর্মাস মিনিস্টার হয়েছি, ব‍াট ২৫ বছরের বেশি উল্টো টেবিলে বসেছি। দাবি দাওয়া যা কিছু আছে তা নিয়েই এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি।
 
‘তিনদিন আগে আমার কাছে ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধিরা এসেছিলেন। তারাও অনেক দাবি দাওয়া তুলে ধরেছেন। আমি তাদের বলেছি, মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছি মাত্র বোধ হয় ৭ থেকে ১০ দিন হয়েছে। বড়জোর ১৫ দিন হয়েছে। তার আগ পর্যন্ত তো আমি আপনাদের ওইদিকের টেবিলেই ছিলাম।’
 
তিনি বলেন, ‘আজকে এদিকে আছি বলে, এদিকে বসার পরে আমি আমার সুরটা পাল্টাবো না। আমি আপনাদের মতো করেই কথা বলবো। আপনাদের মতো করেই দেশের শিল্পকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, সেভাবে আপনাদের সঙ্গে থাকবো, কাজ করবো। সব সময় একটাই চিন্তা আমার কেমন করে দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়!’  
 
টিপু মুনশি বলেন, ২০২১ সাল নাগাদ আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৫০০ ডলারে উন্নীত হবে বলে আশা করছি। সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। বর্তমানে আমাদের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৭৫৪ ডলার। এটা অনেক দেশের চেয়ে বেশি।
 
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমার সামনের সারিতে যারা বসে আছেন, তাদের যোগ্যতাই তাদের এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। আমরা সবাই একই ট্রেন্ড থেকে এসেছি। আমার বিশ্বাস এদের নেতৃত্বেই সম্ভব ২০২১ সাল নাগাদ তৈরি পোশাক রফতানি আয় ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব হবে। চেষ্টা করলে ২০২৪ সালে রফতানির পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন ডলারও হতে পারে।
 
এসময় এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহি‌উদ্দিন, তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ-এর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম, বিকেএমইএ সহ-সভাপতি মনসুর আহমেদ ও সেমস গ্লোবালের এমডি মেহেরুন এন ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৩৪৯ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৩, ২০১৯
এসই/এমএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: বাণিজ্য
বরিশাল জেলা প্রশাসনের লেকের মাছে মড়ক
বৃষ্টি নামলেও অস্বস্তি কমেনি পশ্চিমবঙ্গবাসীর
ভেনেজুয়েলায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৮
মাধবপুরে ১৯ বস্তা চা পাতা জব্দ
সাইবার ট্রাইব্যুনালে ওসি মোয়াজ্জেম


গান্ধীর জন্মজয়ন্তীতে ভিকির সিনেমা
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের এখন সোনালি অধ্যায়
চুয়াডাঙ্গায় সন্তানকে গলা কেটে হত্যা, গ্রেফতার মা
৮০ বছর পর বাংলাদেশে ধূসর নেকড়ের দেখা, পিটিয়ে হত্যা
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে নিয়োগ