php glass

সিআইইউতে প্রোগ্রামিং কনটেস্টে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

নিউজ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

কনটেস্টে সমস্যার চুলচেরা বিশ্লেষণে ব্যস্ত একদল শিক্ষার্থী

walton

চট্টগ্রাম: লড়াই করে জেতার ভেতর আছে অন্যরকম অনুভূতি। আছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। আর সেই লড়াইটা যদি হয় প্রোগ্রামিং কনটেস্ট নিয়ে তাহলে তো কথাই নেই!

চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউর) স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো জমজমাট আন্তঃস্কুল প্রোগ্রামিং কনটেস্ট প্রতিযোগিতা। সম্প্রতি নগরের জামালখানের সিআইইউ ক্যাম্পাসে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

বিপুল উৎসাহ আর উদ্দীপনা নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে প্রতিযোগিতায়। এতে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ১৪টি দল অংশগ্রহণ করে। যার মধ্যে তিনটি দলকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল হক খান বলেন, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ের শিক্ষার্থীরা সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা প্রোগ্রামিংয়ে তাদের পেশা গড়তে চায়। এই ধরনের আয়োজন তাদের ভবিষ্যতে ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের প্রধান সহকারি অধ্যাপক আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সহযোগী অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল, সহকারী অধ্যাপক রাইসুল ইসলাম রাসেল, প্রভাষক হাবিবুর রহমান, ইরতিজা চৌধুরী প্রমুখ।

জানতে চাইলে প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক ও সহকারী অধ্যাপক রাইসুল ইসলাম রাসেল বলেন, প্রোগ্রামিং কনটেস্টের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তুলতে এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আমরা মনে করি এখানে অংশ গ্রহণের ফলে তাদের মানসিক দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যবহারিক কোডিং দক্ষতা ও এলগরিদমিক চিন্তাভাবনা বেড়ে যাবে।

আয়োজকরা জানান, তিন ঘন্টাব্যাপি প্রতিযোগিতায় আটটি সমস্যার মধ্যে চারটির সমাধান করে চ্যাম্পিয়ন হয় সিআইইউ অ্যাভেন্জার্স গ্রুপ। এই দলের সদস্যরা হলেন: সাদমান সাইফ, পার্থ চক্রবর্তী, অমিত ঘোষ ও রাফিয়া রহমান।

অপর দুই রানার্স আপ দল হলো সিআইইউ ইগ্নিটার্স ও ইনকুইসিটিভ। এরা প্রত্যেকে দুটি করে সমস্যার সমাধান করেন।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের বিষয়ে বিজয়ী দলের সদস্য সাদমান সাইফ বলেন, প্রোগ্রামিং নির্দেশনাগুলো যত বেশি নিখুঁত হবে, সমস্যা সমাধান ততবেশি সহজ হয়।

রাজীব হাসান নামের রানার্স আপ দলের একজন প্রতিযোগী বলেন, বর্তমান যুগে প্রায় সব রকম জটিল ও কঠিন সমস্যার সমাধান করা যায় কম্পিউটার সফটওয়ারের মাধ্যমে। তাই এমন প্রতিযোগিতা অনেক বেশি হওয়া উচিত।

অপর সদস্য শিক্ষার্থী মাহমুদা তাসনিম বলেন, প্রথমে সমস্যাগুলো নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছিলাম। পরে বন্ধুরা মিলে দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করেছি। যদিও রানার্স আপ হয়েছি। তবে বিজয়ী হলে আরও ভালো লাগতো।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৪৫ ঘণ্টা, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
এমআর/টিসি

‘রনির মতো ৫ জন এগিয়ে এলে রিফাত বাঁচতো’
ফতুল্লা থানা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
রিফাত হত্যায় জড়িতদের যতো দ্রুত সম্ভব গ্রেফতার
উপ-নির্বাচন: পশ্চিম বাকলিয়ায় ভোট ২৫ জুলাই
সুশাসন নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে দুদক


সেপ্টেম্বরে ঘরের মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে টাইগাররা
ঠাকুরগাঁওয়ে বখাটের ছুরিকাঘাতে আহত নার্সের মৃত্যু
পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটার ইনস্টিটিউট হবে চসিকে
‘নারীদের কাছে এখন দুঃসাধ্য বলতে কিছু নেই’
ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথের দাম কমিয়ে ১৮০ টাকা নির্ধারণ