ব্যর্থতার দায়ভার নিজের কাঁধে তুলে নিলেন ম্যাশ

ওয়ার্ল্ড কাপ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বিমানবন্দরে নামার পর সাংবাদিকদের সামনে মাশরাফি বিন মর্তুজা-ছবি: শোয়েব মিথুন

walton

বিশ্বকাপ মিশন শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সাফল্য ও ব্যর্থতা দুইয়ের মিশ্রণেই ছিল টাইগারদের এবারের সফর। সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা থাকলেও শেষ দিকে নিজেদের সেভাবে মেলে ধরতে না পারায় শেষ চারের টিকিট কাটা হয়নি।

রোববার (০৭ জুলাই) বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছায় বাংলাদেশ।

বিমানবন্দরে নেমে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেন, ‘যেই এক্সপেক্টেশন নিয়ে গিয়েছিলাম, অবশ্যই সেই জায়গা থেকে হতাশা ছিল। তবে পুরো ওয়ার্ল্ড কাপ ‍যদি দেখেন, যদি-কিন্তুর হিসেবে আমরা সেমিফাইনালে যেতেও পারতাম। খেলার ধরন বা সবকিছুই ইতিবাচক ছিল।’

সেমিফাইনালে কেন যেতে পারলাম না এমন প্রশ্নের জবাবে ম্যাশ বলেন, ‘সেটাই বললাম, ইন্ডিয়ার ম্যাচ পর্যন্ত আমাদের অফিসিয়ালি সুযোগ ছিল। তবে পারফরম্যান্স হয়তো সাকিব বা মুশফিক ছাড়া অন্যদের ধারাবাহিক ছিল না। একই সময় কিছু ব্যাপার ছিল ভাগ্যের ওপর, যা আমাদের সহায় ছিল না। একটা সপ্তাহ গেছে যেখানে বৃষ্টির কারণে শুধু আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হইনি, অন্য কিছু দল লাভবানও হয়েছে।’

বিশ্বকাপে আমরা সফল না ব্যর্থ? জবাবে মাশরাফি, ‘আগেও বলেছি, সাকিব, মোস্তাফিজ, মুশফিক ও সাইফউদ্দিন অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছে। আর যারা আছে আমার কাছে মনে হয় ইন এন্ড আউট পারফরম্যান্স করেছে। তবে আমার কাছে মনে হয় এই চারজন দারুণ ছিল। ওভারঅল পারফরম্যান্সের কথা আগেও বলেছি, আশাঅনুযায়ী পারফর্ম করতে পারিনি।’

সবশেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে মাশরাফির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পুরো টিমের দায়ভার আমাকে নিতে হবে এটা স্বাভাবিক। অন্য যেকেউ থাকলে তাকেও নিতে হতো। যেকোনো টুর্নামেন্ট শেষে এমন সমালোচনা হবেই। এটাকে মেনে নিতে হবে।’

বাংলাদেশ সময়: ১৮৪১ ঘণ্টা, জুলাই ০৭, ২০১৯
এমএমএস/আরএআর

নাটোরে সব যানবাহন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
করোনায় ইরানে নতুন করে আরও ১২২ মৃত্যু, মোট ৪২৩২
স্পর্শহীন লেনদেন জোরদার করেছে মাস্টারকার্ড
অন্য জেলা থেকে কাউকে ফেনীতে প্রবেশ না করতে আহ্বান
কুমিল্লা লকডাউন


খাগড়াছড়িতে শতাধিক শ্রমিককে আটক করে হোম কোয়ারেন্টিনে
করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান আমতলী আ’লীগ সভাপতি
ভবিষ্যতের আগুয়েরো হবে মার্তিনেস: ক্রেসপো 
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটিও ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত
স্পেনে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন ৬০৫ মৃত্যু