আমাদের লক্ষ্যই থাকবে জয়: রোডস

ওয়ার্ল্ড কাপ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

স্টিভ রোডস। বাংলানিউজ ফাইল ছবি

walton

বিশ্বকাপ ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় দিয়ে দারুণ সূচনা করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু পাকিস্তানকে হারিয়ে এবারে আসরে শেষটা রাঙ্গিয়ে দিতে চায় বাংলাদেশ। সেমিফাইনালের আশা শেষ হয়ে গেছে ভারতের কাছে হেরে। তাই সেমিফাইনালে খেলতে না পারলেও শেষ ম্যাচ ‍জিতে বিশ্বকাপ মিশনের ইতি টানতে চায় মাশরাফির দল।

শুধু মাত্র শেষ ম্যাচ নয় মর্যাদার লড়াইয়ে বলেও কথা। পাকিন্তানকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের পঞ্চম স্থানে থেকে নিজেদের সেরা অবস্থানে থাকাই লক্ষ্য টাইগারদের। তাই পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পেতে টিম বাংলাদেশ মরিয়া হয়েই লড়বে।

ম্যাচের আগে বৃহস্পতিবার (০৪ জুলাই) সংবাদ সংম্মেলনে টাইগার কোচ স্টিভ রোডস তাই বললেন। রোডস জানান, ‘আমার মনে হয় এটা ডেড রাবার ম্যাচ হবে না। দুই দলই চায় একে অপরকে হারাতে। আমরাও তাই চাই। ম্যাচের আগে ভালো অনুশীলন করেছি। আমাদের লক্ষ্যই থাকবে জয়।’

তবে আগের ম্যাচের ভুলগুলো এই ম্যাচে করতে চায় না বাংলাদেশ। সেই দিক নিয়ে খুই শতর্ক মাশরাফিরা। রোডস বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সামনের দিকে এগুতে হবে। আপনি যদি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের দিকে লক্ষ্য করেন, দেখবেন ২০ ওভার আমাদের ফিল্ডিং ভালো ছিল না। আমি মনে ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়ার সেটাই ছিল অন্যতম প্রধান কারণ। আমরা জানি আমাদের কি করতে হবে এবং সেই জায়গাগুলো নিয়ে শতর্ক রয়েছি। আমরা যদি একটা ভালো শুরু করতে পারি তাহলে আশা করি কোন ধরনের সমস্যা হবে না।’  

তবে সব কিছুর উর্ধ্বে এটা মাশরাফির শেষ বিশ্বকাপ। তাই তার শেষ বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের একটা জয় তো চাই-ই চাই। লডর্সে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

​বাংলাদেশ সময়: ০১০০ ঘণ্টা, জুলাই ০৫, ২০১৯
আরএআর

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯ CWC19
কর দিতে হয়রানি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: অর্থমন্ত্রী
মিয়ানমারে গণহত্যার বিচার শুরু, সন্তুষ্ট রোহিঙ্গারা
বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসই মানবাধিকার অর্জনের ইতিহাস
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নানা আয়োজন সিএমপির
২ বছরের মধ্যে ডিএনসিসির সব সুবিধা মিলবে অনলাইনে: আতিক


গণপরিবহনে যৌন হয়রানি বন্ধ চান সুজন
১৪২টি পদক নিয়ে ১৩তম আসর শেষ করল বাংলাদেশ
আইয়ুব বাচ্চুকে উৎসর্গ করে ‘উড়ে যাওয়া পাখির চোখ’
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ছাত্রলীগ নেত্রী নিহত
‘শান্তির দূত’ থেকে যেভাবে গণহত্যার কাঠগড়ায় সু চি