ডুসেন-মিলারকে হারিয়ে বিপদে দ. আফ্রিকা 

ওয়ার্ল্ড কাপ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

পাকিস্তান বনাম দ. আফ্রিকার ম্যাচের দৃশ্য: ছবি-সংগৃহীত

walton

কুইন্টন ডি কক ও এইডেন মার্করামের পর রসি ফন ডার ডুসেনকে নিজের তৃতীয় শিকার বানিয়েছেন শাদাব খান। ডেভিড মিলারকে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন ডুসেন। তবে ডুসেনকে (৩৬) মোহাম্মদ হাফিজের ক্যাচ বানিয়ে পাকিস্তানকে ম্যাচে রেখেছেন শাদাব। পরের ওভারে মিলারকে (৩১) সরাসরি বোল্ড করেছেন শাহিন আফ্রিদি। 

এই রিপোর্ট লেখা পযর্ন্ত ৪৩ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান সংগ্রহ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। জিততে হলে ৪২ বলে তাদের দরকার আরো ৯৬ রান। ব্যাটিংয়ে আছেন আন্দিলে ফেলুকাওয়াও (৯) এবং ক্রিস মরিস (১৪)।

পাকিস্তানের দেওয়া ৩০৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। দলীয় ৪ রানে হাশিম আমলাকে (২) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফেরান মোহাম্মদ আমির। 

তবে প্রোটিয়াদের শুরুর ধাক্কাটা সামাল দেয় ওপেনার কুইন্টন ডি কক ও অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিসের ব্যাট। দু’জন মিলে গড়েন ৮৭ রানের জুটি। পাকিস্তানের সামনে দেয়াল হয়ে থাকা সেই জুটি ভাঙেন শাদাব খান। ইমাম-উল-হকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ডি কক ফেরেন ৬০ বলে ৪৭ রান করে। এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৩ চার ও ২ ছ্ক্কায়।

এর পরপরই ফিরেন এইডেন মার্করাম (৭)। খাদ থেকে দলকে টন তোলার চেষ্টা করেন ডু প্লেসি। কিন্তু তার ইনিংসটা বড় করতে দেননি আমির। ডু প্লেসিকে (৬৩) শিকার করে ২০১৯ বিশ্বকাপের উইকেট শিকারিদের তালিকায় শীর্ষে ওঠেছেন আমির। 

এর আগে লন্ডনের লর্ডসে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩০৮ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। 

আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখার ম্যাচে পাকিস্তানের শুরুটা হয় দুর্দান্ত। ফখর জামান ও ইমাম-উল-হকের ওপেনিং জুটিতে স্কোরবোর্ডে ৮৮ রান সংগ্রহ করে তারা। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এই জুটি ভাঙেন ইমরান তাহির। 

ফখরকে (৪৪) হাশিম আমলার হাতে ক্যাচ বানান তাহির। পরের শিকারটিও প্রোটিয়া স্পিনারের। বাবর আজমকে নিয়ে এগোতে থাকা ইমামকেও (৪৪) ঘুর্ণিতে কাবু করেন তাহির। এরপর এইডেন মার্করামের এলবিডব্লউর ফাঁদে পড়েন মোহাম্মদ হাফিজ (২০)। 

ইমামকে ফিরিয়ে একটি রেকর্ড গড়েছেন তাহির। বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি এখন তিনি। ৩৯ উইকেট নিয়ে পেছনে ফেলেছেন অ্যালান ডোনাল্ডকে। পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ৩৭ উইকেট ছিল তাহিরের। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচ ও ৬ ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়ে সপ্তম স্থানে আছেন তিনি। 

পাকিস্তানকে বড় সংগ্রহের পথে নেতৃর্ত্ব দেন বাবর আজম ও হারিস সোহেল। দু’জনে মিলে গড়েন ৮১ রানের জুটি। বাবর তুলে নেন ২০১৯ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ফিফটি। তবে ইনিংসটি বড় করতে পারেন তিনি। ৬৯ রানের মাথায় আন্দিলে ফেলুকাওয়াওর বলে ক্যাচ তুলে দেন লুঙ্গি এনগিডির হাতে। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৭ চারে। 

এরপর ইমাদ ওয়াসিমকে নিয়ে বাকি কাজটি সারেন সোহেল। বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে তুলে নেন ফিফটি। তার ব্যাটে ভর করে তিনশ পেরোনো সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। শেষ দিকে সেঞ্চুরি থেকে ১১ রান দূরত্বে থাককে সোহেলকে থামান এনগিডি। তার ৫৯ বলে ৮৯ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৩ ছক্কা ও ৯ চারে। 

অবশ্য সোহেলের আগে ইমাদকে(২৩) ফেরান এনগিডি। ওহাব রিয়াজকে (৪) নিজের তৃতীয় শিকার বানান এই প্রোটিয়া পেসার। শেষ দিকে অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ (২) ও শাদাব খান (১) অপরাজিত ছিলেন। 

পয়েন্ট টেবিলের তলানির দিকের দুটি দল দক্ষিণ আফ্রিকা ও পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছে বিশ্বকাপের ৩০তম ম্যাচে। ম্যাচটি শুরু হয় বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায়।

বাংলাদেশ সময়: ২২৫৩ ঘণ্টা, জুন ২৩, ২০১৯ 
ইউবি 

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯ CWC19
‘ডি-রেডিকালাইজড’ প্রোগ্রামে গুরুত্বারোপের আহ্বান
বিপিএল কোচ সমাচার-জেমস ফস্টার
ঢাকসু ভি‌পি নুরের বিরুদ্ধে মানহা‌নি মামলা
মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে সিলেটে র‌্যালি
মানবাধিকার দলিলে থাকলেও বাস্তবে নেই: ড. কামাল


গেন্ডারিয়ায় চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে দোকান দখলের অভিযোগ
সাবেক এমপিএ মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদিরের মৃত্যু
বাগেরহাটে সরকারিভাবে আমন ধান সংগ্রহ শুরু
পল্লীর আলোকায়নে বসছে সড়কবাতি
খালেদা জিয়াকে পছন্দমতো হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার দাবি