বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেরা ৩ ম্যাচ

ওয়ার্ল্ড কাপ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ইংলিশদের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী ইনিংসে দলকে জয় এনে দেন কেভিন ও’ব্রায়েন। ছবি: সংগৃহীত

walton

চলছে আইসিসি ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসর। এর আগে এগারোতম আসরে এশিয়ার তিন দেশ ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলংকা সব মিলিয়ে চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। খেলেছে বিশ্বের আরো নানান দেশ। আর সেসব খেলায় কিছু ম্যাচ বিভিন্ন কারণে স্মরণীয় ও অনন্য হয়ে আছে। বিবিসি'র তথ্য অনুযায়ী তেমন তিনটি ম্যাচ তুলে ধরা হলো এ প্রতিবেদনে।

এক.
১৯৭৫ সালের বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম ফাইনালে বেশ টান টান উত্তেজনার ম্যাচ হয়। সেদিন লর্ডসে সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও বিধ্বংসী হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার গিলমোর। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভিভ রিচার্ডস, ক্লাইভ লয়েড, আলভিন কালিচরণদের মতো ব্যাটসম্যানদের ফিরিয়ে তুলে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। তবে ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক লয়েডকে ফেরানোর আগে খেলেন মহাকাব্যিক এক ইনিংস। তাতে ২৯১ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় দলটি। ১২ চার ও ২ ছক্কায় ৮৫ বলে ১০২ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক। জবাবটা ভালোই দিচ্ছিল অসিরা। ৩ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল ১৬৩ রান। পরে স্নায়ুচাপে ভেঙে পড়ে দলটি। রানআউট হন পাঁচ ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত অসিরা থামে ২৭৪ রানে। প্রথম বিশ্বকাপ জিতে নেয় ক্যারিবিয়ানরা।

বিশ্বকাপ জয়ের পর ক্যারিবিয়ানদের উল্লাস। ছবি: সংগৃহীত

দুই.
১৯৯৯’র বিশ্বকাপকে আলাদা করে মনে রাখার মতো ঘটনা রয়েছে কয়েকটি। প্রথমত বলতে হয় আসরের সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার নাটকীয় টাই’র কথা। এরপর রানার্সআপ পাকিস্তানের বাংলাদেশের বিপক্ষে হার এবং অস্ট্রেলিয়ার ‘হ্যাটট্রিকের’ শুরুর গল্প দিয়ে। ওই আসরেই বিশ্বকাপ অভিষেক হয় বাংলাদেশের। প্রথম আসরেই পুরো বিশ্বকে চমকে দিয়ে বাজিমাত করে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের দল।

এই বিশ্বকাপ দিয়েই অস্ট্রেলিয়ার ‘হ্যাটট্রিক’ শিরোপার যাত্রা শুরু হয়। গ্রুপ পর্ব ও সুপার সিক্সে সমান ৫ ম্যাচে ৩ জয় নিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে স্টিভ ওয়াহর দল। এর সেমিফাইনালে সেই নাটকীয় টাইয়ে কপাল খুলে তাদের। ‍সুপার সিক্সে তারা প্রোটিয়াদের হারিয়েছিল ৫ উইকেটে। সেই জয়ে ফাইনাল ভাগ্য খুলে যায় তাদের। আর লর্ডসে অনুষ্ঠিত ফাইনালে পাকিস্তানকে দর্শক বানিয়ে শিরোপা জেতে অসিরা। ওই আসরের পর ধারাবাহিকভাবে ২০০৩ ও ২০০৭ সালেও বিশ্বকাপের মুকুট জেতে অস্ট্রেলিয়া।

১৯৯৯ সালে বিশ্বকাপ জয় করে হ্যাট্রিক শিরোপা জয়ের প্রথম ধাপে অসিরা।

তিন.
২০১১ সালের ২ মার্চ ভারতের ব্যাঙ্গালোরে আইরিশম্যান কেভিন ও'ব্রায়েন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় নিশ্চিত করতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বিস্ময়কর ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন। সেদিন গোলাপী রঙা চুলের এ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানের ৫০ বলের সেঞ্চুরি এক্ষেত্রে ছিল অসাধারণ। আর ১১১/৫ মুহূর্তে আয়ারল্যান্ডের অঘটনটি ছিল আরও বেশি অভাবনীয়। সেদিন ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা বোলার জেমস এন্ডারসন, স্টুয়ার্ট ব্রড এবং গ্রায়েম সোয়ানের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে আয়ারল্যান্ডের এ ব্যাটসম্যানের শক্তি ও সামর্থ্যের একটি দুর্দান্ত মিশ্রণ ছিল। যাতে পাঁচ বল বাকি থাকতেই ৩২৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে জয় তুলে নেয় তারা।

ইংলিশদের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী ইনিংসে দলকে জয় এনে দেন কেভিন ও’ব্রায়েন। ছবি: সংগৃহীত

এ নিয়ে কেভিন ও’ব্রায়েন বলেছিলেন, সেদিনের মধ্যে কেবল একটাই ছিল, আমি যা আঘাত করেছি, তাই কাজে দিয়েছে। এর সঙ্গে অবশ্য কিছু ভাগ্যও ছিল।

বাংলাদেশ সময়: ২০৫০ ঘণ্টা, মে ৩১, ২০১৯
এইচএমএস/এমএমইউ

রোহিঙ্গা নির্যাতন তদন্তে ঢাকায় আইসিসি প্রতিনিধিদল
মুহূর্তেই রাজ্যের নীরবতা নেমে আসে উৎসবমুখর বিয়ে বাড়িতে
মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, রাজধানীর ৮ ফার্মেসিকে জরিমানা
টেলিযোগাযোগ সেবায় সোনালী ব্যাংক-পিএসসি-বিটিভির চুক্তি
এরশাদের মৃত্যুতে পাকিস্তানের শোক


কিশোর গ্যাংয়ের ৯ সদস্য সংশোধন কেন্দ্রে
নিজ দেশে ফেরত গেছেন ৫১৯ ভারতীয় জেলে
চুয়াডাঙ্গায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু
আজিজ কো-অপারেটিভ ব্যাংকের চেয়ারম্যান তাজুল কারাগারে
ভারতে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়বে, আশা এফবিসিসিআইয়ের