চার-পাঁচ প্রকার আম ভাঙায় সময় বেঁধে দেওয়া যেতে পারে

বাংলানিউজ টিম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

আম গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী-ছবি: ডি এইচ বাদল ও আরিফ জাহান

রাজশাহী চেম্বার ভবন থেকে: বাংলাদেশের সব অঞ্চলেই আম হচ্ছে। তবে আমের স্থান হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, সাতক্ষীরা, রংপুর, বগুড়া অনত্যম। এসব অঞ্চলে উৎপাদন হওয়া আমের মধ্যে চার-পাঁচ প্রকার আম ভাঙার ক্ষেত্রে সময় বেঁধে দেওয়া যেতে পারে।

শনিবার (২ জুন) সকালে ‘আমের দেশে নতুন বেশে’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে আম গবেষক ও লেখক মাহবুব সিদ্দিকী একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের। সভাপতিত্ব করছেন নিউজটোয়েন্টিফোর ও রেডিও ক্যাপিটালের সিইও এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম।

মাহবুব সিদ্দিকী বলেন, হাড়িভাঙা রংপুরের আম। এটা প্রায় ১ মাস চলে। প্রশাসন থেকে মাত্র ৪-৫ প্রকার জাতের আম ভাঙার জন্য সময় বেঁধে দেওয়া যেতে পারে। সেই কাজটি প্রশাসন করছে। তবে যেভাবে বিষ প্রয়োগ হচ্ছে তাতে ক্ষতি হচ্ছে। এতে বন্ধু মাছি মরছে। বন্ধু মাছি পরগায়ন ঘটাতে পারছে না। আম গাছে ২-৩ বার বিষ প্রয়োগ করলেই যথেষ্ট।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত রয়েছেন বাংলানিউজের কনসালট্যান্ট এডিটর জুয়েল মাজহার, চট্টগ্রাম ব্যুরো এডিটর তপন চক্রবর্তী, রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত পাল, আম চাষি ও ব্যবসায়ী ইসমাঈল খান শামীম, আম চাষি ও ব্যবসায়ী খন্দকার মনিরুজ্জামান মিনার, রাজশাহী অ্যাগ্রো ফুড প্রডিউসার সোসাইটির আহ্বায়ক মো. আনোয়ারুল হক, আম চাষি ও ব্যবসায়ী (বাঘা) মো. জিল্লুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ আম গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মঞ্জুরুল হুদা।

বাংলাদেশ সময়: ১৩০৪ ঘণ্টা, জুন ০২, ২০১৮
এসসিডি/এমবিএইচ/ইইউডি/এসএম/এমআই/ জেডএস/এএ-

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: আম
জুতা ব্যবসার আড়ালে চোরাই মোবাইলের ব্যবসা!
সুচিন্তার জঙ্গিবাদবিরোধী সমাবেশ
আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকে অর্থবহ করার আহ্বান ফখরুলের
মানসিক অসুস্থতার মিথ্যা সনদ দিলে জেল-জরিমানা
নারী ক্রিকেট দলকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
মেহেরপুরে অস্ত্র মামলায় ইউপি সদস্যের ১০ বছরের কারাদণ্ড
কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, ৫ জন ৩ দিনের রিমান্ডে
সিভাসুর ৪১ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষক হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন
জুন পর্যন্ত গ্রামীণফোনের গ্রাহক ৬ কোটি ৯২ লাখ