বাংলাদেশের ফুটবলকে টেনে তুলতে চায় ব্রাজিল

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার/ছবি: বাংলানিউজ

ঢাকা: স্যোশাল প্রোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশে ফুটবল স্কুল খুলতে চায় লাতিন আমেরিকার অন্যতম ফুটবলপ্রেমী জাতি ব্রাজিল। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীনে তাদের এমন একটি কর্মসূচি রয়েছে। চীনের পর তারা বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ বাংলাদেশকে তাদের ডেস্টিনেশন ঠিক করেছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার।

বৃহস্পতিবার (২১ জুন) সচিবালয়ে দেশটির ঢাকাস্থ রাষ্ট্রদূত হোয়াও তাবাজারা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এ প্রস্তাব দেন।

মূলত, বিশ্বকাপ ফুটবলে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনাকে ঘিরে বাংলাদেশিদের উন্মাদনাই এদেশের ফুটবল নিয়ে আগ্রহী করে তুলেছে তাদের।

প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, যুব ও ক্রীড়া সচিবসহ একটি প্রতিনিধি দল কিছুদিন আগেই ব্রাজিল সফর করেছেন। সেখানে এ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়। তারা আমাদের এ প্রস্তাব দিয়েছিলো। আমাদের ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করতে চায় ব্রাজিল। এ দেশের ফুটবলকে টেনে তুলতে চায়। তারা স্কুল প্রোগ্রাম ও কোচদের প্রশিক্ষণ দিয়ে এ প্রক্রিয়া শুরু করতে চায়। এরপর ধীরে ধীরে এর পরিসর বাড়বে।

তিনি বলেন, কাজটা আসলে কিভাবে শুরু হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পুরোটাই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তারা চীনের পর বাংলাদেশকেই টার্গেট করেছে। তাদের বিকেএসপি’তে (বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আমাদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রোগ্রামের কথা বলেছি। তারা খুশি হয়েছেন। 

মন্ত্রী বলেন, তারা আমাদের কোচ দেবে, প্রযুক্তি দেবে এবং মানসম্পন্ন স্থানীয় কোচ তৈরিতে সহায়তা করবে। এটা নিয়ে আমরা আবারও বসবো। সব ধরনের সহায়তা দিতে নীতিগতভাবে রাজি হয়েছে। আশা করি বাংলাদেশের ফুটবল এতে লাভবান হবে।

তিনি বলেন, ফুটবলের উন্নয়নে আমরা ভালো একটা উদ্যোগ এরইমধ্যে নিয়েছি। সেটা হলো বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল। সেখানে প্রাইমারি স্কুলের ছেলে-মেয়েরা খেলে। কিন্তু এরপর আর কোনো ধারাবাহিকতা থাকেনা। আমরা সেটাকে ফুটবলের অগ্রগতিতে বড় ধরনের বাধা হিসেবে দেখছি। এজন্য আমরা অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল আয়োজন করছি। এটাও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ। নতুন বাজেটে এজন্য বরাদ্দও রাখা হয়েছে। এখানে কেবল স্কুল নয়, ১৭ বছরের কম, যে কেউ খেলতে পারবে। উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রধান হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এই টুর্নামেন্টের প্রধান থাকবেন। প্রথমে ছেলেদের টুর্নামেন্ট হচ্ছে। পরে মেয়েদেরটাও শুরু হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এ টুর্নামেন্টে এক লাখ ২২ হাজার ফুটবলার অংশ নিচ্ছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে এ টুর্নামেন্ট হবে। প্রথমে ইউনিয়ন-ইউনিয়ন খেলা হবে। এখান থেকে উপজেলার সেরা ১১ নির্বাচন হবে। উপজেলা-উপজেলা খেলার পর সেরা জেলা ১১ নির্ধারণ হবে। জেলা-জেলা খেলে বিভাগীয় ১১ নির্বাচন হবে। এভাবে চূড়ান্ত টুর্নামেন্ট শেষ হবে একটি বিভাগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মাধ্যমে। এ টুর্নামেন্ট থেকে আমরা দেশসেরা ৬৬ অনূর্ধ্ব ফুটবলার বাছাই করে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণে পাঠাবো। এরাই এক সময় জাতীয় দল এবং ক্লাব ফুটবলের উৎস হবে।

বাংলাদেশ সময়: ২০১২ ঘণ্টা, জুন ২১, ২০১৮
আরএম/এসএইচ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: ফুটবল
লেবানন থেকে ফেরত আসছেন ২১০ কর্মী
ঢাকায় এসেছেন রুশনারা আলী
চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির নির্বাচন সম্পন্ন
ঢাকার সঙ্গে ৪ বিভাগ যুক্ত হবে বুলেট ট্রেনে
চট্টগ্রামে হচ্ছে নতুন কারাগার
পিএসজিকে উড়িয়ে দিল বায়ার্ন
জনগণ নৌকায় ভোট দিয়েছে বলেই দেশ উন্নত হচ্ছে
শিহালা রেস্ট হাউজ নয়, আদিয়ালা জেলেই থাকতে চান মরিয়ম
মির্জাপুরে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
৮ দিন পানি নেই বাকলিয়ায়!