বৈদ্যনাথতলার আম্রকানন: সভার আড়ালে শপথগ্রহণ

আসিফ আজিজ, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: মানজারুল ইসলাম-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

যুদ্ধের ৯ মাস ভারতীয় সীমান্তই ছিলো মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। ৮ নম্বর সেক্টরের মেহেরপুরও তাই। ছোট অথচ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ জেলার তিন উপজেলাই গেছে ভারতের নদীয়ার বিভিন্ন গ্রাম ছুঁয়ে।

মুজিবনগর: যুদ্ধের ৯ মাস ভারতীয় সীমান্তই ছিলো মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। ৮ নম্বর সেক্টরের মেহেরপুরও তাই। ছোট অথচ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ জেলার তিন উপজেলাই গেছে ভারতের নদীয়ার বিভিন্ন গ্রাম ছুঁয়ে। ভারতের কৃষ্ণনগর, লালবাজার, বেতাই, নাটনা, বড়ইগাছি,শিকারপুর, চাপড়ার জিরোপয়েন্টে ছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প। প্রায় পুরো অঞ্চলজুড়ে বয়ে গেছে ভৈরব নদের একটি শাখা। কখনও সেটা নাম ধারণ করেছে শিরিষ কখনও বালুখাল।
 
খালপাড়েই ছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাঁটি। তবে খালের বাংলাদেশ অংশে নয়, ওপারে ভারতে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যেহেতু ভারতীয় সীমান্তে ঢুকতে পারতো না সেহেতু এটা ছিল মুক্তিবাহিনীর নিরাপদ জোন। মুক্তিযোদ্ধাদের যে ট্রেনিং যুদ্ধের সময় হয়েছিল তার প্রায় সবই হয়েছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। সেদিক থেকেও ক্যাম্প ভারতের সীমান্তে থাকলে সুবিধা পেতেন মুক্তিযোদ্ধারা। ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদস্থ কর্মকর্তারা সহজে এসব ক্যাম্পে এসে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, পরামর্শ দিতে পারতেন।


ওপারে ভারতের কৃষ্ণনগর সীমান্ত। এপারে বৈদ্যনাথতলা। এদিক দিয়েই বৈদ্যনাথতলা এসেছিলেন, রাজনীতিক, সাংবাদিকরা।


গেরিলা আক্রমণের জন্য সীমান্তের ক্যাম্পগুলো ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পাকিস্তানি ক্যাম্পে আক্রমণ, কোনো অপারেশন পরিচালনার আগে যোদ্ধাদের একটি দল দেশে ঢুকে রেকি করে আসতো। সেক্ষেত্রে সীমান্তের কাছাকাছি থাকলে সুবিধা পেতেন মুক্তিযোদ্ধারা। কারণ দ্রুততম সময়ে রেকি করে আসা এবং অ্যাকশনে যাওয়া ছিল তাদের জন্য সহজতর।
একইভাবে যখন কোনো বড় অপারেশনে মুক্তিযোদ্ধারা যেতেন, তখন আক্রমণ করে দ্রুত নিরাপদ জোনে ফেরাও কঠিন ছিল না। এতে সময়  ও  শ্রমের সাশ্রয় যেমন হতো, তেমনি নিরাপত্তাও নিশ্চিত  হতো মুক্তিযোদ্ধাদের।

ওপারে ভারতের শিকারপুর আর এপারে বাংলাদেশের কাজিপুর। ওপারে লালবাজার, এপারে ইসাখালী, ঝাঁঝা। ওপারে শাহবরপুর, এপারে বুড়িপোতা। ওপারে হৃদয়পুর, এপারে বৈদ্যনাথতলা। ওপারে নাটনা, এপারে শালিকা। ভারতীয় এলাকাগুলোর সবই বাংলাদেশের পশ্চিম সীমান্তলাগোয়া।


বৈদ্যনাথতলার বিখ্যাত আম্রকানন। এখানেই হয় শপথগ্রহণ।

এমনটাই জানাচ্ছিলেন মেহেরপুর সদর, মুজিবনগর ও গাংনী উপজেলার বিভিন্নএলাকায় যুদ্ধ করা মুক্তিযোদ্ধা মো. আইয়ুব হোসেন, মো. আফজাল হোসেন. বশির আহমেদ, কমর উদ্দিন, বজলুর রহমান, গোলাম কিবরিয়া, সিরাজুল ইসলাম, সংগঠন আব্দুল মোমিন চৌধুরী প্রমুখ।
দেশের এতো জায়গা থাকতে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলাকে কেন অস্থায়ী সরকারের আনুষ্ঠানিক শপথগ্রহণের স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হলো- সে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল শুরু থেকেই।

নথি নয়, সেদিন যারা মঞ্চ তৈরির কাজ করেছিলেন, সংগঠিত করেছিলেন এলাকাবাসীকে, ১৭ এপ্রিল ছিলেন সে ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে- তারা কি মনে করেন?

১৯৭১ সালের ১১ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ভবেরপাড়ায় সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেছিলেন মো. আইয়ুব হোসেন, আব্দুল মোমিন চৌধুরীরা। পরে সেই পরিষদের নাম বৈদ্যনাথতলা সীমান্ত সংগ্রাম পরিষদ রাখা হয়।
সীমান্ত বলতে এখানে ছিল বৈদ্যনাথতলা থেকে মাত্র অর্ধ কিলোমিটার দূরে ভারতের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরের হৃদয়পুর। বৈদ্যনাথতলায় ছিল তৎকালীন ইপিআরের বিওপি (বর্ডার অবজারভেশন পোস্ট)। সেখানে পাকিস্তানিদের পাশাপাশি ছিল বেশ ক’জন বাঙালি। তাই ওয়্যারলেসের মাধ্যমে আসা পাকিস্তানিদের বিভিন্ন সংবাদ পৌঁছে যেতো সংগ্রাম পরিষদের কাছে।


এখনও এমন ঘন আমবাগান মুজিবনগরে। উপর থেকে দেখার উপায় নেই নিচে কি হচ্ছে।

বলে নেওয়া ভালো, অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তটি হয় ১০ এপ্রিল ত্রিপুরায়। কিন্তু শপথগ্রহণটা হতে হবে  বাংলাদেশের মাটিতে। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া হয় বর্তমান চুয়াডাঙ্গা জেলাকে। গণপরিষদ সদস্য হ্যাবা ডাক্তার, অ্যাডভোকেট ইউনুস, মির্জা সুলতান রাজা ছিলেন দায়িত্বে। কিন্তু এ খবর আগেই জেনে যায় পকিস্তানিরা। আক্রমণ শুরু হয় সেখানে।এরপর বদলানো হয় সিদ্ধান্ত। নেওয়া হয় অন্য কৌশল। কাউকে জানানো হয় না। পরে নুরুল হক ও ছহি উদ্দীন অত্যন্ত গোপনীয়তার মধ্যে কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় অস্থায়ী সরকারের আনুষ্ঠানিক শপথগ্রহণের  জোর প্রস্তুতি শুরু করেন। অনেকের ধারণা ছিল, বৈদ্যনাথতলায় আওয়ামী লীগের একটি সভা হতে যাচ্ছে।

এরই মধ্যে সীমান্ত সংগ্রাম পরিষদ গঠনের খবর ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিমবঙ্গে। তখন বিভিন্ন লোকজন যোগাযোগ করতে থাকেন পরিষদ নেতা ও সদস্যদের সঙ্গে। সবার আগে এগিয়ে আসেন তৎকালীন কংগ্রেসের বড় নেতা বিশ্বনাথ। বৈদ্যনাথতলার ইপিআর ক্যাম্পে ওয়্যারলেস সেট থেকে বাঙালি অপারেটর গোপনে অনেক সংবাদ পাঠাতেন পরিষদকে। ভারত থেকে অনেক সাংবাদিক, রাজনীতিকও আসতে থাকেন গোপনে।
সেই মুহূর্তে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলাই ছিল শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের মতো কঠিন কাজ করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ও ঝুঁকিমুক্ত, নিরাপদ স্থান।


কথা বলছেন মুক্তিযোদ্ধা ও তৎকালীন সংগঠকরা।

উত্তরে ভবেরপাড়া ও মানিকনগর,পূর্বে বাগডোয়ান-বল্লভপুর, পশ্চিমে সোনাপুর, নাজিরাবোনা দক্ষিণ-পূর্বে আনন্দবাস। মাঝে বৈদ্যনাথতলা। আর  কাছাকাছি ভারতের কৃষ্ণনগরের হৃদয়পুর সীমান্ত। ভারতের সঙ্গে সহজ যোগাযোগের জন্য সেসময় এর চেয়ে সুবিধাজনক বর্ডার খুব কমই ছিল। আবার জায়গাটি ছিলো অত্যন্ত দুর্গম। কাদাপানিতে টইটম্বুর। সহজে আসতে পারতো না খানসেনারা।

সীমান্ত সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি ছিলেন আব্দুল মোমিন চৌধুরী আর সম্পাদক মো. আইয়ুব হোসেন। তারা দু’জন অনেক আগে থেকেই স্বাধীনতার পক্ষে সক্রিয় ছিলেন।

মার্চ মাসে ইপিআর ওয়্যারলেসের মাধ্যমে পরিষদের কাছে গোপন খবর আসে পাকিস্তানিরা ঢাকায় ইপিআর, পুলিশ সদস্যদের মেরে ফেলেছে। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। এ খবর পেয়ে ২৬ মার্চ এলাকাবাসীকে নিয়ে ইপিআর—এর অবাঙালি সদস্যদের অস্ত্রমুক্ত করে আটক করা হয়। ক্যাম্পে ওড়ানো হয় বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা। পাকিস্তানের পতাকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
 
তৎকালীন মেহেরপুর মহকুমা প্রশাসক তৌফিক-ই-ইলাহী এলাকার প্রতিটি ক্যাম্প রক্ষায় আনসার সদস্যদের নিয়োজিত করার নির্দেশ দিলেন। দেশজুড়ে তখন যুদ্ধ শুরু চলছে। কিন্তু মেহেরপুর ছিলো মুক্ত। ভারত থেকে তাই অস্ত্র, খাবার, ওষুধ-পথ্য সব আসতে থাকলো মেহেরপুরে। এখান থেকে পাঠানো হতো বিভিন্ন এলাকায়।
 

গোপনে ভারতের আনন্দবাজার, যুগান্তরসহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার লোকজন মেহেরপুর আসতেন খবর নিতে। ১৪ এপ্রিল জানানো হয় বৈদ্যনাথতলায় অনুষ্ঠান হবে। নির্দেশ এলো মঞ্চ বানাতে হবে আর চেয়ার যোগাড় করতে হবে চার-পাঁচশো। তখন এ এলাকায় এতো চেয়ার ছিল না। তারপরও যা ছিলো সব সংগ্রহ করা হলো। এলাকার বিভিন্ন লোকের বাড়ি থেকে তক্তপোষ এনে ২০ ফুট বাই ২০ ফুটের মতো একটি মঞ্চ বানানো হয় ১৬ এপ্রিল রাতে। মূল স্মৃতিবেদীটি এখন সে মঞ্চের জায়গায়।

বৈদ্যনাথতলায় একই সাইজের প্রায় ২২শ আমগাছের একটি বড় বাগান ছিল। সিদ্ধান্ত হলো নিরাপত্তা বিবেচনায় এটিই হতে পারে শ্রেষ্ঠ জায়গা। কারণ শত্রুপক্ষ যুদ্ধবিমান থেকেও জায়গাটি দেখতে পাবে না। তাছাড়া কয়েক হাজার মানুষ যে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে সেটির জন্য আলাদা শামিয়ানা প্রয়োজন হবে না। আমগাছের ছায়াই সে কাজটি করবে।
বৈদ্যনাথতলায় অনুষ্ঠান করার জোর সুপারিশ করেন ব্যারিস্টার আমীরুল ইসলাম।ভারতের সিকিউরিটি ব্রাঞ্চের লোকজনও এ জায়গাটিই পছন্দ করেন। পাশের ক্যাথলিক মিশন বিভিন্নভাবে অনুষ্ঠানে গান-বাজনা ও মঞ্চ তৈরিতে সহায়তা করে। একটি তোরণও করা হয় উত্তর দিকে।

১৭ এপ্রিল সকালেই ইপিআর ক্যাম্পে এসে হাজির হন চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামরুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলী।নেতারা বললেন, কোরআন তেলাওয়াতের জন্য তো একজন লোক দরকার। কে করবে? তখন দর্শনা কলেজের ছাত্র বাকের আলীকে প্রস্তাব করলে তিনি রাজি হন। তাজউদ্দিন আহমেদ তেলাওয়াতের অর্থও করে দেন। তখনও অনেকে জানে না কি হতে যাচ্ছে। একসময় জানা যায়, জাতীয় সংগীত গাইতে হবে, রবীন্দ্রনাথের ‘আমার সোনার বাংলা’। কিন্তু বাদ্য ও গায়ক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। তখন নটরডেম কলেজের ছাত্র পিন্টু বিশ্বাস গান করতে রাজি হলেন। মিশন থেকে আনা হলো বাদ্য। এর আগে রাতেই সভামঞ্চের সামনে মোটা দড়ি দিয়ে সামনে আলাদা জায়গা করা হয় ভিআইপিদের জন্য। বিছানো হয় কার্পেট। তোরণে বাংলায় ‘স্বাগত’ ও ইংরেজিতে ‘ওয়েলকাম’ লেখা হয়।
 
বেলা ৯টা-১০টার দিকে সরকার গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। হাজার হাজার মানুষ উল্লাসে ফেটে পড়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একইসঙ্গে চলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। একদিন আগ পর্যন্তও স্থানীয় মানুষজন জানতেন এখানে আওয়ামী লীগের একটি সভা হবে। ঐতিহাসিক এ মুহূর্তের সাক্ষী হতে কৃষ্ণনগর বর্ডার দিয়ে আসেন ১০৪ জন বিদেশি সাংবাদিক। অধ্যাপক ইউসুফ আলী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন ও নবগঠিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
 
শপথ অনুষ্ঠান শেষে কৃষ্ণনগর সীমান্ত দিয়ে নেতারা ভারতে চলে যান। সেই কৃষ্ণনগর সীমান্তে এখন দুই দেশে, দুই গেট। মাঝে ফাঁকা জায়গাটি দেখতে এখনও ভিড় করেন অনেক মানুষ। আগের মতো বন-জঙ্গল নেই। সবুজ ঘাসের রাস্তা ধরে এগোলে দুপাশে ফাঁকা মাঠ শুধু। আর সেই বৈদ্যনাথতলার নাম ১৭ এপ্রিলই হয় মুজিবনগর। আম্রকাননের বেশিরভাগ গাছ এখনও ঠায় দাঁড়িয়ে। যেদিক দিয়েই তাকানো যায়, মনে হবে যেন সার বেঁধে  ওরা  দাঁড়িয়ে আছে একে অন্যের গলা ধরে। আর বার্ডস আই ভিউতে এখনও এক অভেদ্য দুর্গ। ঐতিহাসিক মঞ্চের সে স্থানে জ্বলজ্বল করছে স্মৃতিসৌধ।

সহযোগিতায়:
  আরও পড়ুন:
** ‘পাকিস্তান বাগান’: একাত্তরের অরক্ষিত বধ্যভূমি
** জকিগঞ্জ মুক্ত করতে জীবন দিলেন চমনলাল
** শরণার্থীদের মধ্যে তৈরি হলো ভৌতিক কলেরা মিথ
** পীরবাবা সেজে রেকি করে শিকারপুর-কাজিপুর সীমান্তে যুদ্ধ
** মুক্তিযোদ্ধাদের ঢাল ছিলো সীমান্ত-নদী বেতনা
** সুন্দরবন সীমান্তঘেঁষে হরিনগর-কৈখালীর নৌযুদ্ধ
** দেয়ালে গুলির ক্ষত, এখনও আছে সেই শিয়ালের ভাগাড়
** পারিবারিক গণকবরের সীমান্তগ্রাম
** মল্লযুদ্ধেই মুক্ত সীমান্তগ্রাম মুক্তিনগর
** আস্তাকুঁড়ে পড়ে আছে যুদ্ধস্মৃতির ভক্সেল ভিভার


বাংলাদেশ সময়: ১৯৩৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১০, ২০১৬
জেএম/

অনাস্থা ভোটে মোদীর জয়
স্ত্রীর চিকিৎসা করাতে এসে দুর্ঘটনায় স্বামীর মৃত্যু
পাঁচবিবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রের নিহত
মাদক নির্মূলে রাজধানীতে সাইকেল শোভাযাত্রা
রাজশাহী নগর জামায়াতের আমিরসহ গ্রেফতার ২
বরিশালে মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি গ্রেফতার
মহাকবি কায়কোবাদের প্রয়াণ
ইতিহাসের এই দিনে

মহাকবি কায়কোবাদের প্রয়াণ

মতবিরোধে কুম্ভ, সুখবর পাবেন বৃষ
নরসিংদীতে এনা বাসের ধাক্কায় লেগুনার ৫ যাত্রী নিহত
বিদেশি টি-টোয়েন্টি লিগে মোস্তাফিজের ২ বছরের নিষেধাজ্ঞা