সুন্দরবন সীমান্তঘেঁষে হরিনগর-কৈখালীর নৌযুদ্ধ

আসিফ আজিজ, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: মানজারুল ইসলাম, বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ভৌগোলিক দিক দিয়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সুন্দরবনঘেঁষা সীমান্তগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। যুদ্ধে দক্ষিণাঞ্চলকে শক্তিশালী করতে মুক্তিবাহিনীর প্রয়োজন ছিল সুন্দরবনের মধ্যে বিছিয়ে থাকা নৌপথগুলো ব্যবহার করা। পাকিস্তানিরাও নৌপথ ব্যবহার করে শক্তিশালী অবস্থান পাকাপোক্ত করতে ছিল মরিয়া।

সাতক্ষীরা: ভৌগোলিক দিক দিয়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সুন্দরবনঘেঁষা সীমান্তগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। যুদ্ধে দক্ষিণাঞ্চলকে শক্তিশালী করতে মুক্তিবাহিনীর প্রয়োজন ছিল সুন্দরবনের মধ্যে বিছিয়ে থাকা নৌপথগুলো ব্যবহার করা। পাকিস্তানিরাও নৌপথ ব্যবহার করে শক্তিশালী অবস্থান পাকাপোক্ত করতে ছিল মরিয়া। বনের ভেতর দিয়ে ভারত থেকে আসা অস্ত্রবাহী প্রধান লঞ্চ দু’টি বিধ্বস্ত করতে পারলেও পরে মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডো, গেরিলা বাহিনী, ইপিআর ও ভারতীয় ডিফেন্স সদস্যদের ঐকান্তিক চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত তীরে ভিড়তে পারেনি পাকিস্তানিদের কোনো গানবোট।

শ্যামনগরের সুন্দরবন এলাকা ছিল ৯ নম্বর সেক্টরের অধীনে। মেজর এমএ জলিল ছিলেন সেক্টর কমান্ডার (এপ্রিল-ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ)। পরে কিছুদিনের জন্য দায়িত্ব পালন করেন মেজর জয়নুল আবেদীন। কালিন্দী নদীর পাড়ে ভারতের শমসেরনগরে ছিল সাব-সেক্টর ক্যাম্প। এপারে নদী ঘেঁষে কৈখালী বিওপিতে ছিল মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প। ক্যাম্প ইনচার্জ ছিলেন সুবেদার সেলিম, বাশার ও ক্যাপ্টেন মাহফুজ আলম বেগ। তাদের নেতৃত্বেই মূলত শ্যামনগর, গাবুরা, হরিনগর, কৈখালী, ভেটখালি প্রভৃতি এলাকায় যুদ্ধ হয়।

হরিনগর বাজার সংলগ্ন চুনকুড়ি নদী। ওপারে সুন্দরবন।

৬ মে ১৯৭১ তারিখটি ছিলো মুক্তিবাহিনীর জন্য বিভীষিকার। শ্যামনগরে তখনও যুদ্ধের ডামাডোল বাজেনি। পাকিস্তানিরা ঢোকার চেষ্টা করছে-- এ খবর ছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে। তাই সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছিলেন তারা। ১৯ আগস্ট পর্যন্ত মূলত মুক্তাঞ্চল থাকলেও মোটামুটি বড় একটি যুদ্ধ হয়ে যায় এর আগেই।

শ্যামনগরের একেবারে প্রত্যন্ত দুর্গম উপকূলীয় অঞ্চল গাবুরা। ছদ্মবেশে দুর্গম এ এলাকায় কয়েকদিন অবস্থান করেন মেজর এমএ জলিল। উদ্দেশ্য ছিল এ এলাকার ভাবগতি বুঝে অস্ত্রের একটি বড় চালান খুলনা পৌঁছে দেওয়া। সেখানে তার পরিচয় হয় এক মাদ্রাসাছাত্রের সঙ্গে। তার বাড়ি ছিল বরিশালে। যেহেতু গাবুরা দিয়ে ভারত থেকে লঞ্চভর্তি অস্ত্রগুলো আনার পরিকল্পনা ছিল সেহেতু ওই এলাকায় সোর্স দরকার হয়ে পড়ে মেজর জলিলের। সেই সোর্স হিসেবে মাদ্রাসাছাত্রের সঙ্গে অস্ত্র আনার বিষয়ে আলাপ করেন। তাকে বলেন, এদিকে কোনো বিপদ দেখলে যেন কোনোভাবে তাকে সতর্ক করা হয়।

চুনকুড়ি যেখানে মিশেছে কালিন্দীতে।

তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা সোহরাব হাজি জলিলের পরিচয় জেনে যান। জলিল এলাকা ছাড়ার পর ওই মাদ্রাসাছাত্রকে টর্চার করে সব পরিকল্পনা জেনে নেন রাজাকার সোহরাব। তিনিই পাকিস্তানিদের কাছে এ খবর পৌঁছে দেন। সে অনুযায়ী সাতদিন আগে থেকেই প্রস্তুত থাকে পাকিস্তানি গানবোট। ঘটনার দিন ভারত থেকে রায়মঙ্গল হয়ে সুন্দরবনের নদীপথে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চাঁদনীমুখা পৌঁছায় লঞ্চ দুটি। সন্ধ্যার পর কপোতাক্ষ ও খোলপেটুয়া নদীর মোহনায় যখন আসে তখন অতর্কিত হামলা চালায় আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা পাকিস্তানি গানবোট। মেজর এম এ জলিল, ক্যাপ্টেন মাহফুজ আলম বেগসহ স্থানীয় মুক্তিবাহিনীর একটি ইউনিট ছিলো সঙ্গে। হামলায় আগুন ধরে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় অস্ত্রবাহী লঞ্চ দু’টি। লঞ্চ থেকে অস্ত্র নিয়ে প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয় গানবোটগুলোকে। কিন্তু এতো ভারী অস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ছিলো না। একসময় গুলিও ফুরিয়ে যায়।

পানিতে নেমে পালাতে গেলে পিস কমিটির লোকজনের হাতে ধরা পড়েন মুক্তিযোদ্ধারা। সেই যুদ্ধক্ষেত্র থেকে রাতের অন্ধকারে কৌশলে কোনো রকমে বেঁচে ফেরেন এমএ জলিল, মাহফুজ আলম বেগসহ কয়েকজন। মারা পড়েন ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা।

যুদ্ধস্মৃতি বর্ণনা করছেন মুক্তিযোদ্ধা আবু বকর সিদ্দিকী।

এভাবে রাজাকারদের সহযোগিতায় গাবুরার ভেতরপথ দিয়ে খুলনায় অস্ত্র ঢোকানোর প্রথম চেষ্টাটিই ব্যর্থ করে দেয় পাকিস্তানিরা।

গাবুরায় এছাড়া বড় কোনো যুদ্ধ না হলেও শ্যামনগরের আরও একটি প্রত্যন্ত উপকূলীয় ইউনিয়ন কৈখালীর পাঁচ নদীর মোহনা, হরিনগর ও ভেটখালির চুনকুড়ি নদীতে তিনটি সম্মুখ নৌযুদ্ধ হয়। যুদ্ধগুলো হয় আগস্টের শেষের দিক থেকে। এছাড়া খণ্ড যুদ্ধ হয়েছে কয়েকটি। যুদ্ধগুলোতে ভারতীয় বাহিনীর সহযোগিতা ছিলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মূলত কালিন্দী নদীর পাড়ের শমসেরনগর থেকে ভারী অস্ত্র দিয়ে কাভারিং ফায়ার দেয় তারা। ভারতীয় বাহিনীর কাভারিং ফায়ার ছাড়া পাকিস্তানিদের অত্যাধুনিক শক্তিশালী গানবোটের মোকাবেলা করা সম্ভব ছিল না।

কৈখালীর পর ভারতের সঙ্গে আর স্থলসীমার যোগ নেই দক্ষিণের জেলা সাতক্ষীরার। ওপারে ভারতের শমসেরনগর। কৈখালী স্থলসীমানা যেখানে শেষ, ঠিক সেখানেই পাঁচ নদীর মোহনা। পশ্চিমে কালিন্দী, দক্ষিণে মামুনদি, উত্তরে মাদার, পূর্বে মীরগাঙ আর দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ দিয়ে ভারতে ঢুকেছে কালিন্দী নদীর একটি শাখা। এই পাঁচ নদীর মোহনায় যুদ্ধের শেষের দিকে একটি সম্মুখযুদ্ধ হয়।
পাঁচনদীর মোহনা।

কৈখালী ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের বড় ঘাঁটি। কয়েকশো যোদ্ধা সবসময় এখানে অবস্থান করতেন। শ্যামনগর থেকে যারা যুদ্ধে অংশ নেন তাদের বড় একটি অংশ ভটভটিতে করে ভারতের মহল্লাখালি যান প্রথমে। সেখান থেকে হাসনাবাদ। সেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের খাতায় নাম লেখান। তারপর বাগুন্ডি, বাগুন্ডি থেকে টাকি। বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই শেখ আবু নাসের আসেন তকীপুর ক্যাম্পে। উনি খাদ্য-খাবারের ব্যবস্থা করে হাতে ২৫ টাকা করে দিয়ে  উচ্চতর ট্রেনিংয়ের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের বিহার নিয়ে যেতে বলেন। বিহারের চাকুলিয়ায় অষ্টম ব্যাচে ট্রেনিং নিয়ে কয়েকশো মুক্তিযোদ্ধা আসেন শমসেরনগর। আট নম্বর উইংসে মনমোহন সিং, যুপ সিং, বলবীর সিং প্রমুখ ট্রেনিং করান যোদ্ধাদের।

ক্যাপ্টেন মাহফুজ আলম বেগ শমসেরনগর, তকীপুর, টাকি ক্যাম্প থেকে প্রথমে ৯০ জন, পরে আরও ১০০ জন যোদ্ধাকে নিয়ে আসেন যারা শ্যামনগর, ভেটখালী, কৈখালী, কালিগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ এলাকাটি ভালো করে চেনেন। নদীঅঞ্চল হওয়ায় নৌযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখা হয় মুক্তিযোদ্ধাদের। নৌকাকমান্ডো ছাড়াও গেরিলাযোদ্ধারা ছিলেন দলে।

হরিনগর, কৈখালী অঞ্চলের চুনকুড়ি, কালিন্দী, মালঞ্চ নদী দিয়ে পাকিস্তানি নৌসেনারা অনেকবার চেষ্টা করেছে ডাঙায় ওঠার। কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হয় মুক্তিযোদ্ধাদের নৌকমান্ডো, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ মহড়ার কারণে।

৩ সেপ্টেম্বর পাকসেনাদের একটি দল হরিনগর স্কুলে যাওয়ার চেষ্টা করে। তারা আসে হরিনগর ছুঁয়ে যাওয়া চুনকুড়ি নদী নিয়ে। এ খবর পৌঁছায় এলাকার সাহসী শিকারি নবাব্দি ফকিরের কাছে। নিজের পরিবারের সদস্যসহ ১৫ জনের মতো একটি মুক্তিযোদ্ধা দল নিয়ে আক্রমণ করেন গানবোটের উপর। এতে গানবোটের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিশোধ নিতে পাঁচদিন পর পাকিস্তানিরা হরিনগর বাজারে এসে নির্বিচারে গুলি করে প্রায় ২৮ জনকে হত্যা করে। জ্বালিয়ে দেয় বাজার ও বাজার সংলগ্ন অনেক দোকানপাট-ঘরবাড়ি।

এই নদীর প্রায় একই জায়গায় আরও একটি যুদ্ধ করেন ১১ জন নৌকমান্ডো। সেটা ছিল ১৯ অক্টোবর। সাতক্ষীরার কুলিয়া গ্রামের আব্দুল গফফার ভাগীরথী নদীতে নৌকমান্ডো ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধ করেন দেশের বিভিন্ন নদী-বন্দর এলাকাগুলোতে। বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ থেকে অক্টোবর মাসের ৯-১০ তারিখের দিকে রওয়ানা করে শিবসা, হংসরাজ, খোলপেটুয়া, মালঞ্চ নদী হয়ে আব্দুল গফফার, মুজিবুর সরদার, শমসের আলী, আব্দুল কাদের, ডা. মাহফুজ, নূর ইসলামসহ ১১ জন নৌকমান্ডো নিয়ে নৌপথ ব্যবহার করে ভারতে যাচ্ছিলেন মাইন আনতে। তাদের টার্গেট ছিলো হরিনগর, কৈখালী হয়ে ভারতের শমসেরনগর যাওয়া। কিন্তু হরিনগরের চুনকুড়ি নদী অতিক্রম করার সময় দলটি পাকিস্তানিদের গানবোটের শব্দ পেয়ে ছোট খালে ঢুকে লুকিয়ে ডাঙায় অবস্থান নেয়। গানবোট দুটি হরিনগর থেকে একটু এগিয়ে কৈখালী মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প লক্ষ্য করে শেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এক পর্যায়ে গোলাগুলি শেষে একটি বোট ফিরে যায় কালিন্দী নদী দিয়ে রায়মঙ্গলের দিকে। আরেকটি বোট আসে হরিনগর।

ওপারে ভারতের শমসেরনগর। এপারে কৈখালী।

সেখানে অবস্থান নেওয়া নৌকমান্ডোরা চুনকুড়ি নদীতে বোটটি এলেই এলএমজি, এসএলআর নিয়ে আক্রমণ চালান। অপরদিকে থ্রি-ইঞ্চ মর্টার দিয়ে শেলিং করতে থাকে পাকিস্তানিরা। ওপারে ভারতের শমসেরনগর। নদীর মাঝখানে তখন চর ছিলো। সেই চরের কারণে ভারতীয় সৈন্যরা ঠিকমতো দেখতে পাচ্ছিলেন না গানবোটের অবস্থান। ফলে তাদের ছোড়া থ্রি-ইঞ্চ মর্টার শেলগুলো ঘায়েল করতে পারছিল না পাকিস্তানি গানবোটকে।

তবে যুদ্ধের এক পর্যায়ে গানবোটের উপরে থাকা তিনজন পাকসেনা মারা যায়। পরে তারা সটকে পড়তে বাধ্য হয়। যুদ্ধে পাকিস্তানিদের বিস্ফোরিত শেলের টুকরোয় নৌকমান্ডো গফফার আহত হলে তাকে নিয়ে ‍যাওয়া হয় শমসেরনগর। পরে হেলিকপ্টারযোগে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া বারাকপুর। শরীরে এখনও সেই শেলের টুকরোর ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।
 
অক্টোবর মাসেরই কোনো এক সময়ে তিনটি গানবোট নিয়ে কৈখালী ক্যাম্প আক্রমণ করতে আসে পাকিস্তানিরা। শ্যামনগরের গেরিলাযোদ্ধা আবুল হোসেন ছিলেন সেসময় কৈখালী ক্যাম্পে। বঙ্গোপোসাগর দিয়ে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে পাকবাহিনী তিনটি গানবোট  নিয়ে আসে। এদের একটির রঙ ছিলো কালো। এটা ছিলো আবুল হোসেনের দ্বিতীয় যুদ্ধ। কালো গানবোটটি পানির ভেতর অনেকটা ডুবে থাকতে পারতো। অনেকটা সাবমেরিনের মতো। এক দেড় ফুট শুধু উপরে থাকতো। সেখান থেকে তারা গুলি ছুড়তো। বোট থেকে ছোড়া শেলগুলো চার পাঁচ কিলোমিটার দূরে গিয়ে পড়তো।

ওইদিনের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিলো মিত্রবাহিনী। তাদের ১৫ ফুট ব্যারেলের কামান ছিলো। আর মুক্তিবাহিনীর ছিলো আরআর। যেটা দিয়ে প্লেন ও গানবোটে আঘাত হানা যেতো। দুপুর থেকে ঘণ্টা তিনেক টানা গোলাগুলিহ হলেও তীরে ভিড়তে পারেনি গানবোটগুলো।
এই যুদ্ধে কেউ শহীদ না হলেও গোলায় আহত হন আঞ্চলিক কমান্ডার মিজানুর, মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার ও আমজাদসহ কয়েকজন।
 
ঘটনার বর্ণনা করেছেন:
মুক্তিযুদ্ধের নৌকমান্ডো আব্দুল গফফার, গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন ও আবু বকর সিদ্দীক ও মীর আব্দুর রাজ্জাক।


সহযোগিতায়:

আরও পড়ুন:
** দেয়ালে গুলির ক্ষত, এখনও আছে সেই শিয়ালের ভাগাড়
** পারিবারিক গণকবরের সীমান্তগ্রাম
**মল্লযুদ্ধেই মুক্ত সীমান্তগ্রাম মুক্তিনগর
** আস্তাকুঁড়ে পড়ে আছে যুদ্ধস্মৃতির ভক্সেল ভিভার

বাংলাদেশ সময়: ০৭৫৮ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০৫, ২০১৬
এএ/জেএম

পিলখানা ট্রাজেডির ৯ বছর
সাতক্ষীরায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে হেলপার নিহত
রাজনৈতিক বৈরিতা ভুলে মিনুর পাশে লিটন
বরিশালে আলু বোঝাই ট্রাক উল্টে খাদে
আশুলিয়ায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
সৈয়দপুরে আবাদি জমিতে গড়ে উঠছে ইটভাটা
বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু হ্যারিসনের জন্ম
প্রেমে ভুল বোঝাবুঝি মিথুনের, রাগ সামলান সিংহ
যতো ভালোবাসা গম্ভীরায়
ট্রেনের ছাদে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত




Alexa