ভিসির বাড়ি ভাঙচুরকারীদের ছাড় নয়

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা/ফাইল ফটো

ঢাকা: যারা আন্দোলনের নামে ভিসির বাড়ি ভাঙচুর করেছে, আগুন দিয়েছে তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তাদের তো ছাড়া যায় না, ছাড় দেবো না। যতই আন্দোলন করুক। এটা বরদাশত করা যায় না।

বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদের একথা বলেন।

তিনি বলেন,  আন্দোলনটা হচ্ছে। আন্দোলন  করছে ভালো কথা, কিন্তু ভিসির বাড়িতে আক্রমণ করে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া, গাড়িতে আগুন দেওয়া, বাড়িতে আগুন দেওয়া, ভাঙচুর-লুটপাট করা কেন? এমনকি তার পরিবারও আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে লুকিয়ে থেকে জীবন বাঁচিয়েছে। এটা কি কোনো শিক্ষার্থীর কাজ? এটা কি কোনো শিক্ষার্থী করতে পারে? 

‘আজ তারা কথায় কথায় আন্দোলনের নামে ক্লাসে তালা দেয়, ক্লাস করবে না, পরীক্ষা দেবে না। ক্ষতিগ্রস্ত কে হবে? আগে সেশন জট ছিল। আমরা ক্ষমতায় আসার পর সেশন জট দূর করেছি। সেশন জট ছিল না। তাদের কারণেই আজ আবার সেশন জট হলো।’
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটা সংস্কার আমরা করবো। আমি তো বললাম সব বাদ দিতে। যেহেতু হাইকোর্টের রায় আছে। হাইকোর্টের রায় আমি অবমাননা করলে তখন তো আমি আবার আদালত অবমাননায় পড়েযাবো। এটা কেউ করতে পারবে না।
 
কোটা সংস্কার নিয়ে তিনি বলেন, আমি মন্ত্রী পরিষদ সচিবকে দিয়ে একটি কমিটি করে দিয়েছি, তারা সেটা দেখছেন। তাহলে এদের অসুবিধাটা কোথায়? আমার প্রশ্ন সেটা?
 
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ১৫ টাকা সিট ভাড়া আর ৩০ টাকার খাবার খেয়ে লেখাপড়া করছে, এটা পৃথিবীর কোথায় আছে? আজ হলে হলে থাকে। আবার নতুন নতুন হল বানিয়েছি। ১৫ টাকা সিট ভাড়া দিয়ে আর ৩০ টাকার খাবার খেয়ে তারা লাফালাফি করে। তাহলে সিট ভাড়া আর খাবার বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী যেভাবে আছে সেভাবেই দিতে হবে। সেটা তারা দিক। হলের গেট ভেঙে ফেলবে।
 
‘মধ্যরাতে ছাত্রীরা বের হয়ে যায় আমি চিন্তায় বাঁচি না। আমি পুলিশ, ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের কর্মীদের বলেছি শিগগির যাও এই মেয়েদের যেন কোনোরকম ক্ষতি না হয়। আমি ভোর সাড়ে ৬টা পর্যন্ত জেগে থেকে মেয়েদের হলে পৌঁছে দিয়ে ঘুমাতে গেছি। এটা কি আন্দোলন? এ ধরনের উচ্ছৃঙ্খলা তো বরদাশত করা যায় না।
 
তিনি বলেন, আন্দোলনকারীরা ভিসির বাড়ির সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলেছে। এমনকি ক্যামেরার চিপটা খুলে নিয়ে গেছে, যেন এদের চেহারা দেখা না যায়। কিন্তু তারা জানতো না আশেপাশে আরও অনেক ক্যামেরা ছিল। ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় ক্যামেরা। সেই ক্যামেরা দেখে একটা একটা করে খুঁজে বের করা হচ্ছে। এখানে যারা ভাঙচুর করেছে, অগ্নিসংযোগ করেছে তাদের তো ছাড়া হবে না।

‘তাদেরই গ্রেফতার করা হচ্ছে এবং তদন্ত করা হচ্ছে। তাছাড়া অনেকে স্বীকারও করেছে। কাজেই ভাঙচুরের সঙ্গে যারা জড়িত যেখানেই যারা থাকবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই হবে। যতই আন্দোলর করুক।
 
সংসদ নেতা আরও বলেন, শিক্ষা নীতিমালা তো সরকার করবে। সেটা তো আমাদের দেখার বিষয়। তাদের কাজ পড়াশোনা করা, পড়শোনা করবে। সরকারি চাকরিতে খালি পদ পূরণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা যারা টিকছে যারা ভাইবায় টিকছে তাদের চাকরি হচ্ছে। এখন কেউ ফেল করলে তো পাস করাতে পারি না। কাজেই চাকরি হচ্ছে।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৯২৩ ঘণ্টা, জুলাই ১২, ২০১৮
এসএম/এএ

রেস্ট হাউজে নেওয়া হতে পারে নওয়াজ-মরিয়মকে
ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
জাদুকর লেখকের বিদায়ের ১৯ জুলাই
এইচএসসির ফল জানা যাবে যেভাবে
হিমছড়িতে গুলিতে দু’জন নিহত, অস্ত্র-মাদক উদ্ধার
আগরতলায় হচ্ছে এআইআইএমএসের শাখা
সাভারের পরিণতি কি হাজারীবাগের মতো!
ক্ষমা চেয়ে গ্রাহকের সুদ কমালো উত্তরা ব্যাংক
কোটা ইস্যুতে ক্লাস বর্জন, সেশনজটের আশঙ্কা ঢাবিতে
নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের মন্তব্যে গুরুত্ব দেবে না আ’লীগ