রক্তদানে ‍সাবধানতা

লাইফস্টাইল ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

রক্তদানে ‍সাবধানতা

কাছের কারো জন্য রক্তের প্রয়োজন হলেই বোঝা যায়, রক্তের বন্ধন যে অমূল্য। আজকাল রক্ত পাওয়া আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গেছে। বিশেষ করে তরুণরা, খুব আগ্রহ নিয়ে অপরিচিতদেরকেও রক্ত দিয়ে থাকেন।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, রক্তদানের ফলে রক্তদাতার শারীরিক কোনো ক্ষতি হয় না। রক্তের লোহিত কণিকার আয়ু ১২০ দিন। অর্থাৎ আপনি রক্ত দিন বা না দিন ১২০ দিন পর লোহিত কণিকা আপনা আপনিই মরে যায়। সেখানে জায়গা করে নেয় নতুন লোহিত কণিকা। রক্তের আর উপাদানগুলোর আয়ুষ্কাল আরও কম। সুস্থ, সবল, নিরোগ একজন মানুষ প্রতি চার মাস অন্তর রক্ত দিতে পারেন। 

তবে রক্তদানের ক্ষেত্রে রক্তদাতার কিছু শারীরিক বিষয় লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন:
•    রক্তদাতাকে শারীরিকভাবে সুস্থ হতে হবে
•    রক্তদাতার বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে
•    রক্তদাতার ওজনহতে হবে কমপক্ষে ১১০ পাউন্ড 
•    রক্তদাতার রক্তচাপের দিকে লক্ষ্য রাখা দরকার। খুব বেশি বা খুব কম কোনটিই   রক্তদানের ক্ষেত্রে সহায়ক নয়
•    কোনো রোগের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক সেবনরত থাকলে সেক্ষেত্রে রক্তদান করা উচিত নয়
•    নারীরা মাসিক চলাকালীন বা গর্ভাবস্থায় রক্তদান করতে পারবেন না।
•    রক্তদানের কাছাকাছি সময়ে কোনও বড় দুর্ঘটনা বা অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলে রক্তদান না করা বাঞ্ছনীয় 
•    রক্তের হিমোগ্লোবিন ১১-এর নিচে হলে রক্ত দেওয়া ঠিক নয়। এতে করে হার্টবিট বেড়ে যাওয়া, ক্লান্ত লাগা, চোখে ঝাঁপসা দেখা, মাথা ঘোরাসহ অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারেন। 

এছাড়াও খেয়াল রাখতে হবে যে, এক ব্যাগ রক্তদানের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেয়া দরকার। রক্তদানের পর দুই গ্লাস পানি বা জুস খেলে রক্তের জলীয় অংশটুকু পূরণ হয়ে যায়। 

এরপর পর্যাপ্ত পানি ও জুস পান করতে হবে, সেই সঙ্গে ৮ঘণ্টা ঘুম। খাবারে কলিজা, বিভিন্ন ধরনের কচু, ডিম, দুধ রাখতে হবে।  
 

মাধবপুরে এক ব্যক্তির গলিত মরদেহ উদ্ধার
জাতীয় ঈদগাহে ৫ স্তরের নিরাপত্তা
বিমানবন্দর স্টেশনেও উপচে পড়া ভিড়
অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ৩৬ প্রসূতির টাকা লোপাটের অভিযোগ
বংশালে ছুরিকাঘাতে আহত যুবকের মৃত্যু
বাছাইপর্বে বাদ পড়লেন জাকিয়া-রত্না
কামারখন্দে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
পাবনায় বহুতল ভবনে আগুন, পুড়ে গেছে ২০ দোকান 
মানুষের মনে ঈদের আনন্দ নেই: রিজভী
জামিন মিললো নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের আরও ৩ শিক্ষার্থীর