খালেদাসহ তিনজনেরই আপিল শুনানি একসঙ্গে

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

খালেদা জিয়ার ফাইল ফটো।

ঢাকা: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার দণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিলের সঙ্গে অপর কারাবন্দি দুইজনের আপিল এবং খালেদার সাজা বৃদ্ধিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) রিভিশন আবেদনের শুনানি হবে একইসঙ্গে।

রোববার (০১ জুলাই) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ দুই আপিলসহ দুদকের আবেদনের শুনানির জন্য ৩ জুলাই দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত বুধবার খালেদা জিয়ার আপিলের শুনানির জন্যও ৩ জুলাই দিন ঠিক করেছিলেন। আদালতে ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান, অ্যাডভোকেট মাসুদ রানা প্রমুখ।

এ মামলায় ছয় আসামির মধ্যে খালেদা জিয়াসহ তিনজন কারাবন্দি। বাকি তিন আসামি পলাতক রয়েছেন।

খালেদা জিয়া ছাড়া বাকি দুইজন হলেন, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ।

পলাতক তিনজন হলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।
 
আইনজীবী খুরশীদ আলম বাংলানিউজকে বলেন, এই মামলায় দণ্ডিত ছয় আসামির মধ্যে তিনজন কারাবন্দি। বাকিরা পলাতক। ইতোমধ্যে কারাবন্দি তিনজনেরই আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া দুদকের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার সাজা বাড়াতে একটি রিভিশন আবেদন করা হয়েছিল। সে আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেছেন।

এখন খালেদা জিয়ার আপিলের সঙ্গে বাকি দুই আসামির আপিল এবং দুদকের রিভিশনের প্রেক্ষিতে জারি করা রুলের শুনানি একসঙ্গে হবে বলে ‍জানান দুদকের এই কৌসুলি।
 
গত ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান মামলাটিতে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে খালেদার ছেলে ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

রায় ঘোষণার ১১দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্রুয়ারি এ আবেদন দায়ের করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ এবং অর্থদণ্ড স্থগিত করে নথি তলব করেন।
 
এরপর ৭ মার্চ অপর আসামি মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামালের আপিলও শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট।
 
১০ মে আরেক আসামি শরফুদ্দিনের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

এই মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে জামিন আবেদনের পর খালেদা জিয়াকে ১২ মার্চ চার মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট।

এর বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের পর গত ১৬ মে তা বহাল রেখে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৩০৯ ঘণ্টা, জুলাই ০১, ২০১৮
ইএস/টিএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: খালেদা জিয়া খালেদার রায়
সুপারস্টারদের বিপরীতে আমাকে কখনও নেওয়া হয় না: তাপসী
প্রিয়াঙ্কার জন্মদিনে প্রেমিকের বিশেষ পরিকল্পনা
এক নজরে সব বিশ্বকাপের জয়ী যারা
শিল্পকলায় গুজরাটি সন্ধ্যা
টয়াকে শুভ কামনা জানালেন সিয়াম
চাঁদের অভিমুখে মানুষের যাত্রা
ব্যয় বাড়বে কুম্ভ, সাফল্য পাবেন বৃষ
ফ্রি-স্টাইল ফুটবলে হেডস্কার্ফে মালয়েশিয়ান তরুণী!
ফাইনালে সেই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক
বিশ্বকাপজয়ে প্যারিস যেন উৎসবের নগরী