কুমিল্লার এক মামলায় খালেদার জামিন বহাল

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

ঢাকা: কুমিল্লার বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। তবে সাতদিনের মধ্যে হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার ওই আবেদনের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে আদেশ দিয়েছেন আদালত।

খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি করে মঙ্গলবার (২৬ জুন) এ আদেশ দেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর খালেদার পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন।

আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল আলম বলেন, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাস পোড়ানোর মামলায় সেশন কোর্টে জামিন আবেদন করেছিলেন। সেখানে আবেদনটি পেন্ডিং রেখেই তিনি (খালেদা জিয়া) হাইকোর্টে এসেছিলেন। হাইকোর্ট তাকে বেইল (জামিন) দিয়েছিলো। এর বিরুদ্ধে আমরা আপিল বিভাগে গিয়েছিলাম। আপিল বিভাগ মামলাটি পুনরায় হাইকোর্টে ফেরত পাঠিয়েছেন। এবং এই নির্দেশনা দিয়ে যে, এই মামলাটিতে বেইল পিটিশন রক্ষণীয় কিনা সেটি বিবেচনা করার জন্য। সেশন কোর্টে মামলা পেন্ডিং রেখে হাইকোর্টে আসতে পারেন কিনা সেটা বিবেচনা করা হবে। এবং তার পরেই জামিনের বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে। 

জামিন বহালের বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আপিল বিভাগ যদি হাইকোর্টের আদেশটি বহাল রাখতো তাহলে তো আমাদের আবেদনটি ডিসমিস হতো। হাইকোর্টে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলেই স্থগিতাদেশটি (জামিনের ওপর থাকা স্থগিতাদেশ) বাতিল করা হয়েছে।

তবে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, হাইকোর্ট আপিল নিষ্পত্তি করে আমাদের জামিন দিয়েছিলো। এর বিরুদ্ধে সরকারপক্ষ আপিল বিভাগে গিয়েছিলো। দীর্ঘ শুনানির পর আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছে এবং বলেছে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য কিনা তা সাত দিনের মধ্যে পরীক্ষা করার জন্য।

সোমবার (২৫ জুন) এ বিষয়ে শুনানি শেষ হয়।

এর আগে গত রোববার (২৪ জুন) কুমিল্লার আরেক মামলায় (হত্যা মামলায়) রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশের জন্য ২ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

২৮ মে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ কুমিল্লার নাশকতার দুই মামলায় খালেদা জিয়াকে জামিন দেন। এ জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর ২৯ মে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত জামিন স্থগিত রেখে ৩১ মে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির আদেশ দেন। সে অনুসারে ৩১ মে শুনানির পর আপিল বিভাগ খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত রেখে রাষ্ট্রপক্ষকে লিভ টু আপিল করতে আদেশ দেন।

পরে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল করেন।

গত ২০ মে হাইকোর্টে ওই দুই মামলায় জামিন আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ২৭ মে কুমিল্লায় নাশকতার দুই মামলার ওপর শুনানি শেষে ২৮ মে খালেদাকে জামিন দেন হাইকোর্ট। 

২০১৫ সালের শুরুর দিকে ২০ দলীয় জোটের অবরোধ চলাকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামে দুষ্কৃতিকারীদের ছোড়া পেট্রোল বোমায় আইকন পরিবহনের একটি বাসের কয়েকজন যাত্রীর অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়। আহত হন আরো ২০ জন। সেসব ঘটনায় দু’টি মামলা করা হয়।

৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ড নিয়ে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগারে বন্দি রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

বাংলাদেশ সময়: ০৯৩৬ ঘণ্টা, জুন ২৬, ২০১৮
ইএস/জেডএস

গ্যালারি মাতিয়েছে ক্রোয়েট শিশুরাও
কালিয়াকৈরে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে ৮ জন সর্বস্বান্ত
১২৮৮টি কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে শনিবার
ইংল্যান্ডের পথে বিরাট-আনুশকার ভালোবাসা
শিমুলিয়ায় ফেরি চলাচল বিঘ্নিত, পারের অপেক্ষায় ৪০০ গাড়ি
ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরার ৬ বছরের কারাদণ্ড
অভিমান ভুলে
থাই খুদে ফুটবলারদের দেখতে পেলেন স্বজনরা
সীতাকুণ্ডে অস্ত্রসহ শিবির নেতা গ্রেফতার
অরফানেজে খালেদার ১৯ জুলাই পর্যন্ত জামিন, শুনানি মুলতবি