খালেক মণ্ডলসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

ঢাকা: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক মণ্ডল ওরফে জল্লাদ খালেকসহ চারজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

রোববার (১৫ এপ্রিল) রাষ্ট্রপক্ষের প্রথম সাক্ষী ইমাম বারীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য সোমবার (১৬ এপ্রিল) দিন ঠিক করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সাক্ষ্যগ্রহণের আগে এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

এর আগে গত ৫ মার্চ এসব আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেওয়া হয়।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর ছিলেন জেয়াদ আল মালুম ও রেজিয়া সুলতানা চমন। আসামি খালেক মণ্ডলের পক্ষে মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন ও অপর আসামি সাতক্ষীরার রাজাকার কমান্ডার আব্দুল্লাহ হেল বাকীর পক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার পালোয়ান শুনানি করেন।

পলাতক দুই আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী গাজী এমইএইচ তামিম।
 
গত বছরের ১৯ মার্চ এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। চার আসামির মধ্যে খালেক মণ্ডল গ্রেফতার, কমান্ডার আব্দুল্লাহ হেল বাকী শর্তসাপেক্ষে জামিনে রয়েছেন। বাকি দুই  আসামি খান রোকনুজ্জামান ও জহিরুল ইসলাম টেক্কা খান পলাতক।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, আটক, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সাতটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬ জনকে হত্যা, ২ জনকে ধর্ষণ, ১৪ জনকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ।

২০১৫ সালের ১৬ জুন ভোরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খলিলনগর মহিলা মাদ্রাসায় নাশকতার উদ্দেশে কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে গোপন বৈঠকের অভিযোগে আব্দুল খালেক মণ্ডলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই বছরের ২৫ আগস্ট খালেক মণ্ডলের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি মামলার মধ্যে শহীদ মোস্তফা গাজী হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখান ট্রাইব্যুনাল।

শিমুলবাড়িয়া গ্রামের রুস্তম আলীসহ পাঁচজনকে হত্যার অভিযোগে ২০০৯ সালের ২ জুলাই খালেক মণ্ডলের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন শহীদ রুস্তম আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম গাজী।

এ মামলার চার আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ৭ আগস্ট থেকে তদন্ত শুরু হয়ে গত ৫ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জব্দ তালিকার সাক্ষীসহ মোট ৬০ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেবেন।

গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি চারজনের বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। পরে ৮ মার্চ অন্য তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জা‌রি করেন ট্রাইব্যুনাল।

১৭ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের বুলারাটী গ্রামের বা‌ড়ি থেকে আব্দুল্লাহ-হেল বাকীকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯ মার্চ হাজির করা হলে ঢাকায় থাকা ও ধার্য দিনে হাজিরের শর্তে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আব্দুর রউফের হেফাজতে ১০৩ বছর বয়স্ক বাকীকে জামিন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৩০ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৫, ২০১৮
ইএস/জেডএস

প্রাইভেট কারের ধাক্কায় বিচ্ছিন্ন রিকশাচালকের পা
সার্সন রোডের ঝোপে নারীর গলিত মরদেহ
চট্টগ্রামে বাংলা একাডেমির বইমেলা, অভিধানের চাহিদা বেশি
গৃহবধূ হত্যার জেরে স্বামীর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৪
গাফিলতিতে লোকজন মরবে কেন প্রশ্ন ত্রাণমন্ত্রীর
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক মজবুতে আগ্রহী বিজেপি
কোটা সংস্কারের সবশেষ অবস্থান জানতে চায় কমিটি
মিঠামইনে বজ্রপাতে নারীর মৃত্যু
মিথ্যা ঘোষণায় আনা ৩ ট্রাক কসমেটিকস আটক
বীরগঞ্জে নিখোঁজ কৃষকের মরদেহ উদ্ধার

Alexa