কাজী ফারুকের একমাসের দণ্ড, বুঝিয়ে দিতে হবে প্রশিকা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

প্রশিকার সাবেক চেয়ারম্যান ড. কাজী ফারুক। ফাইল ফটো

ঢাকা: উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করায় বেসরকারি সংস্থা প্রশিকার সাবেক চেয়ারম্যান ড. কাজী ফারুক আহমদকে একমাসের দেওয়ানি কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

একই সঙ্গে সংস্থাটির বর্তমান চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এম এ ওয়াদুদের কাছে প্রশিকার চেয়ারম্যানের কার্যালয় বুঝিয়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের এ আদেশ প্রতিপালন করে ১৫ দিনের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
 
প্রশিকার বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহীর আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে বর্তমান চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এমএ ওয়াদুদ ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. সিরাজুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন আইনজীবী বারেক চৌধুরী, নুরুল আমীন, নুরুল ইসলাম মাতুব্বর ও মো. সোলায়মান। 

আর কাজী ফারুকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহবুবে আলম (অ্যাটর্নি জেনারেল), জেড আই খান পান্না, মাহবুব আলী, এএম আমিন উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রমজান আলী শিকদার।

তবে হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের আবেদন করার কথা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন।

আইনজীবী সোলায়মান জানান, বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ২০০৯ সালের ২৪ মে সংস্থাটির গভনিং বডির এক সভায় চেয়ারম্যান পদ থেকে কাজী ফারুককে অপসারণ করে এমএ ওয়াদুদকে চেয়ারম্যান করা হয়।

পরদিনই অপসারণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন কাজী ফারুক। একই সঙ্গে এমএ ওয়াদুদের কমিটির উপর নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়। এ আবেদন ওই বছরের ৩১ মে খারিজ করে দেন আদালত। 

এ আদেশের বিরুদ্ধে জজ আদালতে আবেদন করেন তিনি। এ আদালত আবেদনটি খারিজ করে দিলে ফারুক হাইকোর্টে আবেদন করেন। পরে ওই বছরের ১১ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে নিম্ন আদালতে বিচারাধীন মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয়পক্ষকে স্থিতিবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেওয়া হয়। 

রায়ে প্রশিকা ভবনে কোনো সমাবেশ বা র‌্যালি না করতে কাজী ফারুকের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেও হেরে যান কাজী ফারুক। এরপর ২০১২ সালে আবার প্রশিকা ভবনে অবস্থান নেন কাজী ফারুক। পরবর্তীতে কাজী ফারুকের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১০ জানুয়ারি আদালত অবমাননার মামলা করেন এমএ ওয়াদুদ। 

ওই রুলের উপর শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রায় দেন। রায়ে ৭ দিনের মধ্যে এমএ ওয়াদুদকে কার্যালয় বুঝিয়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কাজী ফারুককে ৭ দিনের দেওয়ানি কারাদণ্ড ও ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

পাশাপাশি এ আদেশ কার্যকর করে ১৫ দিনের মধ্যে সংশিষ্ট আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন কাজী ফারুক। 

আপিল বিভাগ মামলাটি পুনরায় হাইকোর্টে শুনানির নির্দেশ দেন। এ নির্দেশে হাইকোর্টে শুনানি শেষে মঙ্গলবার রায় দেন হাইকোর্ট। 

বাংলাদেশ সময়: ২১১১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৩, ২০১৮
ইএস/এমএ

কবি সানাউল হকের জন্ম
ইতিহাসের এই দিনে

কবি সানাউল হকের জন্ম

পরিশ্রম বাড়বে কুম্ভের, বৃষের ব্যবসাক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা
রিয়ালের শেষ ‘হুমকি’ সালাহ!
তৃতীয় দেখায়ও চেন্নাইয়ের বিপক্ষে সাকিবদের হার
এবার বাসের চাকায় থেতলে গেলো চালকের পা
সিলেটে চেইনশপ রিফাতে ২০ হাজার টাকা জরিমানা
নগরের যানযট নিয়ন্ত্রণে ৭ সুপারিশ
সায়েমকে হত্যার হুমকি: সাংবাদিক নেতাদের নিন্দা
প্রিমিয়ার হকি লিগে জয় পেলো বাংলাদেশ এসসি-ওয়ারী
ভ্রাম্যমাণ অভিযানে জরিমানা ও নতুন লাইন্সেস ইস্যু