‘ভুয়া কাগজপত্র সৃজন করে খালেদার বিরুদ্ধে মামলা’

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

আদালতে খালেদা জিয়া, (ছবি: সুমন শেখ)

ঢাকা: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ভুয়া কাগজপত্র সৃজন করে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে পঞ্চম দিনের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপনকালে এ দাবি করেন তিনি। 

আগের চারদিন যুক্তি তুলে ধরেছেন অ্যাডভোকেট আব্দুর রেজ্জাক খান ও অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন।

রাজধানীর বকশিবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামানের আদালতে ষষ্ঠদিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপিত হয়। এর মধ্যে গত ১৯ ডিসেম্বর প্রথম দিনে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কৌসুলি মোশাররফ হোসেন কাজল খালেদার জিয়ার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দাবি করেন।

আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় আগামী ০৩ ও ০৪ জানুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘ভুয়া কাগজপত্র সৃজন করে খালেদার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যেসব কাগজপত্র সৃজন করা হয়েছে তাতে ঘঁষা-মাজা, ওভার রাইটিং ও কাটাকাটি রয়েছে। তাছাড়া এগুলো তেল চিটচিটে। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নথিপত্র এমন হতে পারে না’। 

নথিপত্রের কোথায় কোথায় ঘঁষা-মাজা, ওভার রাইটিং ও কাটাকাটি রয়েছে- সেগুলো আদালতের সামনে তুলে ধরে বলেন, এ মামলায় খালেদার সাজা হতে পারে না। 

ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করায় দুদক কর্মকর্তার শাস্তিও দাবি করেন এ জে মোহাম্মদ আলী।

এ সময় আদালত বলেন, ‘যে ডকুমেন্টগুলো নিয়ে এতো কথা বলছেন, এ ডকুমেন্টগুলো ৩১তম সাক্ষী যখন আদালতে দাখিল করেন, তখন আপত্তি দেননি কেন? তখন আপত্তি না দিয়ে যুক্তিতর্কের সময় এ দাবি করলে মেলাবেন কি করে?’

আদালতের এ প্রশ্নের জবাবে অ্যাডভোকেট আব্দুর রেজ্জাক খান বলেন, ভুয়া কিংবা সৃজিত কাগজপত্রের বিষয়ে আপত্তি দিলেই কি, না দিলেই কি। আপত্তি না দিলেই ভুয়া ডকুমেন্ট আসল হয়ে যায় না।


খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার প্রমুখ।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজল, মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু, অ্যাডভোকেট মীর আব্দুস সালাম, অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন মানিক প্রমুখ।

এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সকাল ১১টা ৫ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা হয়ে ১১টা ৩০ মিনিটে আদালতে উপস্থিত হন।

আদালত প্রাঙ্গনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

একই আদালতে চলছে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলারও বিচারিক কার্যক্রম। দুই ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা দু’টি মামলারই প্রধান আসামি খালেদা জিয়া।

বাংলাদেশ সময়: ১৫১৬ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৮/আপডেট ১৫৩০ঘণ্টা
এমআই/ওএইচ/আইএ/এএসআর

বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চায় নেপাল
ধামরাইয়ে চালককে গলা কেটে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই
ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে ফের উত্তেজনা
ভূতের টাকায় ধনী হয়ে গেলো সেরালি | বিএম বরকতউল্লাহ্
হাথুরুর ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন থিসারা
প্রাণ জাতীয় আচার প্রতিযোগিতায় বর্ষসেরা শরিফা
মাধবপুরে পাচারকালে মুরগির বাচ্চা জব্দ
চুনারুঘাটে নারী নির্যাতন ও অপহরণ মামলার আসামি আটক
দক্ষিণাঞ্চল অন্যতম বাণিজ্যিক অঞ্চলে রূপান্তরিত হবে
প্রবাসী নারীদের সহযোগিতায় ঘর পেলেন ক্ষতিগ্রস্তরা




Alexa