রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৬৩)

মূল: এনিড ব্লাইটন; ভাষান্তর: সোহরাব সুমন | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

রহস্য দ্বীপ

[পূর্বপ্রকাশের পর]
আর আমি কী করবো? নোরা জানতে চায়। 
তুমি ঝরনার কাছে গিয়ে দুধের বালতিটা সেখান থেকে গুহায় নিয়ে আসবে, জ্যাক বলে। কাজটা করার আগে আমাদের বীজতলাগুলোর ওপর লতা-পাতা ছড়িয়ে দিয়ে আসবে। আর পেগি তুমি নিশ্চিত হবে কাবার্ড এর গুহাটি ফার্ন বা ওরকম কিছুর সাহায্যে লুকানো হয়েছে কিনা। 

আই, আই, ক্যাপটেন! পেগি বলে। এবার আমাদের সবাইকে যার যার কাজ করতে হবে, কিন্তু তোমার কাজটা সবচেয়ে কঠিন, জ্যাক! অমন সরু গলি দিয়ে নামিয়ে ডেইজিকে লুকানো হোক তা আমি চাই না! ওর ভেতর সে আটকে গেলে তখন তুমি কী করবে। 

ও কিছুতেই আটকাবে না, জ্যাক বলে। ও অতটা মোটা নয়! যাই হোক, অনেকক্ষণ ধরে লুকিয়ে থাকতে হলে গুহার ভেতরে একটা কাপ এবং কিছু লতা-পাতা এনে রাখলে ভালো হবে। তাহলে তখন আমরা দুধ খেতে পারবো এবং আরাম করে কোথাও না কোথাও শুয়ে থাকতে পারবো। 

ঢুকবার পথে দু’একটা মোমবাতি এনে রাখলে ভালো হবে, পেগি বলে। অন্ধকারে বসে থাকতে আমার মোটেও ভালো লাগবে না।  

আমরা কী করবো সেটা আমি বলে দেবো, চিন্তুকের মতো জ্যাক বলে।  বাইরের গুহা থেকে যে পথটা ভেতরের বিশাল গুহার দিকে গেছে সেটা দিয়ে আমরা ওখানে ঢুকবো বা বেরুবো না। আমরা খুদে গুহা দিয়ে ঠাসাঠাসি করে সেখানে ঢুকবো আর বেরুবো। যেমনটা দেখলাম, সেটাও ভেতরের গুহার দিকেই গেছে। ভেতরে ঢুকবার জন্য আমরা যদি অন্যান্য গুহা আর সেই পথটা ব্যবহার করি, তাহলে নিশ্চিত কোথাও না কোথাও চিহ্ন রেখে আসবো। আর তাতে করে ধরা পড়ার ভয় আছে। ওখান দিয়ে আমি ডেইজিকে আনবো, কিন্তু সেটা ওদের তেমন কাজে আসবে না। 

এই গুহাগুলোতে শীতের সময় থাকতে অনেক আরামদায়ক হবে, পেগি বলে। আমরা বাইরেরটাতে থাকবো আর ভেতরেরটায় আমাদের জিনিসপত্র এনে রাখবো। খারাপ আবহাওয়াতে আমরা পুরোপুরি সুরক্ষিত থাকবো। 
আমরা কতটা ভাগ্যবান! নোরা বলে। গরমকালের জন্য সুন্দর একটা গাছের বাড়ি আর শীতের জন্য আরামদায়ক একটি গুহা! 

শীত আসতে এখনও অনেক দেরি, জ্যাক বলে। বলছি আমার ক্ষুধা লেগেছে! ডিম ভাজার কী করলে, পেগি, মাইককে কি কিছু রাজবেরি আনতে পাঠাবে? 

এসো! পেগি ডাকে এবং সবাই একসঙ্গে পাহাড় থেকে দৌড়ে নেমে আসে। অন্ধকার আবছা গুহাগুলোকে পিছু ফেলে আসতে পেড়ে ওদের সবাই খুব খুশি।

চলবে...

বাংলাদেশ সময়: ২১৩৪ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৩, ২০১৭
এএ

যেমন ছিল ‘ওৎজি’ মানবের খাবার
বদরগঞ্জের শোলার খোঁজে দূর-দূরান্তের মালিরা
যে শহরে কোটি টাকা আয় করেও গরিব!
তদবিরে বাড়তি চাল বরাদ্দ মিললেও মেলেনি বরাদ্দপত্র
বছরে ৫০ কোটি মেট্রিকটন ক্ষতিকর পোকামাকড় খায় পাখি
যেভাবে চালু করবেন জিমেইলের স্মার্ট কম্পোজ
জয়পুরহাটে ২৫ কোটি টাকা ব্যায়ে বটতলী সেতুর নির্মাণ শুরু
ত্রিপুরায় নকল পণ্যের কারখানায় পুলিশের অভিযান
বরগুনায় ইয়াবাসহ যুবক আটক
ত্রিপুরার পর্যটনকেন্দ্রগুলো বিশ্বমানের করার নির্দেশ