ম্যাপললিফের অধ্যক্ষ আলী কারামকে হাইকোর্টে তলব

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

হাইকোর্ট

ঢাকা: আদালত আদেশের পরও ধানমন্ডির আবাসিক এলাকা থেকে ম্যাপললিফ স্কুল না সরানোয় অধ্যক্ষ আলী কারাম রেজাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১২ ডিসেম্বর হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। 

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। 
 
ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার বৈশিষ্ট্য রক্ষার নির্দেশনা চেয়ে সেখানকার দুই বাসিন্দা এম এ মাসুদ এবং এম এ মতিন হাইকোর্টে ২০১১ সালের রিট আবেদন করেন। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করেন। একই সঙ্গে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকায় নতুন স্কুল, কলেজ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও অনুমোদনের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

রুলের ওপর চূড়ান্তশুনানি শেষে ২০১২ সালের ১১ জুন এ রায় দেন। রায়ে তিন বছরের মধ্যে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা থেকে অননুমোদিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন। তবে ইতিপূর্বে বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে ঘোষণা করায় ধানমন্ডি-২, ২৭ নম্বর সড়ক,সাত মসজিদ ও মিরপুর সড়কের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
 
হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল ম্যাপললিফ ইন্টারন্যাশনাল। কিন্তু ২০১৬ সালের ০১ আগস্ট সে আবেদন খারিজ হয়ে যায়।
 
কিন্তু রায় কার্যকর না হওয়ায় আদালত অবমাননার আবেদন করে আইনজীবী আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী। এ আবেদনের শুনানি নিয়ে ৩১ মে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের হাইকোর্ট বেঞ্চ ৪ জুলাই ম্যাপললিফের অধ্যক্ষকে তলব করেন। পাশাপাশি রুলও জারি করেন। রুলে আদালত অবমাননার দায়ে কেন তাকে অভিযুক্ত করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন।  
 
মঙ্গলবার মনজিল মোরসেদ বলেন, জুলাইতে তৎকালীন অধ্যক্ষ আদালতে বলেছেন, তিনি দায়িত্বে নাই। এখন দায়িত্বে তার ছেলে আলী কারাম রেজা। এরপর আদালত আলী কারামকে ১২ ডিসেম্বর হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছেন।
 
মূল মামলায় হাইকোর্টর রায়ে পর ব্যাপারে মনজিল মোরসেদ বলেছিলেন, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা থেকে সব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিতে রাজউকের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ধানমন্ডি এলাকায় ম্যাপললিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ১১টি শাখা রয়েছে। তিন বছরের মধ্যে স্কুলের শাখাগুলো একত্র করে অন্যত্র সুবিধাজনক জায়গায় সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। শাখাগুলো স্থানান্তর না করা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্কুল কর্তৃপক্ষকে নিজস্ব লোকবলের মাধ্যমে যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ধানমন্ডি আবাসিক এলাকায় ভবিষ্যতে সিটি করপোরেশন বা রাজউককে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন না দিতে বলা হয়েছে।
 
আপিল বিভাগের রায়ের পর মনজিল মোরসেদ বলেছিলেন, ২০১৫ সালে তিন বছর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। এখন যেহেতু আপিল বিভাগে আবেদন খারিজ হয়ে গেছে তাই যতদ্রুত সম্ভব আবাসিক এলাকার বাণিজ্যিক স্থাপনা সরিয়ে নিতে হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৩১ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৮, ২০১৭
ইএস/এসএইচ

সাদুল্যাপুরে ইয়াবাসহ যুবক আটক
কাবুলে হোটেলে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৯, বিদেশি ১৪
ঈশ্বরদীতে ইয়াবাসহ দুই বিক্রেতা আটক
ফ্রান্সিস বেকন ও লর্ড বায়রনের জন্ম
কুড়িগ্রামে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কম্বল বিতরণ
কুম্ভের বেগুনি শুভ, বৃষের সাদা
সিলেটে হোটেল থেকে তরুণ-তরুণীর মরদেহ উদ্ধার, আটক ১
সন্ত্রাসবাদ নয়, যুক্তরাষ্ট্রের আসল হুমকি রাশিয়া-চীন
নবীন মেলা আলোকিত সমাজ গড়ছে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘নিখোঁজ’ দুই কর্মকর্তা গ্রেফতার




Alexa