মামলা থেকে ‘রেহাই’ পেলেন শাকিব

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

চিত্রনায়ক শাকিব খান। ফাইল ফটো

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে সিএনজি অটোরিকশা চালক ইজাজুল মিয়ার দায়ের করা ক্ষতিপূরণ মামলা থেকে রেহাই পেলেন চিত্রনায়ক শাকিব খান।

মামলার তদন্তে তার নাম বাদ দিয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি মো. শাহ আলম।

তিনি জানান, নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার (১৩ মার্চ) বিকেলে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সম্পা জাহানের আদালতে প্রতিবেদন জমা হয়েছে। 

‘মামলায় ৪২০ ধারার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে ৫০০ ধারার অস্থিত্ব আছে। সেন্সর বোর্ড থেকে যেহেতু সিনেমাটি অনুমতি পেয়েছে তাই নায়ককে অভিযুক্ত করার সুযোগ নেই।’  

ওসি বলেন, সিনেমাতে যারা অভিনয় করেন তারা শুটিংয়ে পরিচালকের নির্দেশ মেনে চলেন। পরিচালক যে ডায়ালগ দিতে বলেন নায়ক-নায়িকারা তাই বলেন। ডায়ালগের ব্যাপারে সাধারণত অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিজস্ব মতামত নেই। এ মামলায় শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস দু’জনই মোবাইল নম্বর আদান-প্রদান করেছেন পরিচালকের নির্দেশে। কিন্তু শাকিবকে আসামি করা হলেও অপু বিশ্বাসকে করা হয়নি। 

‘আইনের বিধান মেনেই শাকিব খানকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তবে মামলার অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৩১ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন তৈরির সময় বাদীর মানা ও নিরপেক্ষ ছয়জনের ৬১ ধারায় সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থা থেকে তথ্য-উপাত্ত এবং মোবাইল অপারেটরের কাছ থেকেও তথ্য নেওয়া হয়।

তবে প্রধান আসামি শাকিব ভারতে শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকায় হবিগঞ্জে আসেননি। কিন্তু তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হয়েছে। অপর দুই আসামি সিনেমার পরিচালক বুলবুল বিশ্বাস ও প্রযোজক আশফাক আহমেদ হবিগঞ্জে এসে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। 

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ জানান, মামলার আসামির তালিকা থেকে নায়ক শাকিব খানকে বাদ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। 

এ ব্যাপারে প্রতিবেদনের ওপর নারাজি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি। 

গতবছরের ২৯ অক্টোবর হবিগঞ্জের আদালতে ৫০ লাখ টাকার মানহানির অভিযোগ এনে মামলা করেন ইজাজুল মিয়া। 

‘রাজনীতি’ ছবিতে নায়িকা অপু বিশ্বাসকে একটি মোবাইল নম্বর দেন শাকিব, যা কাকতালীয়ভাবে বানিয়াচংয়ের যাত্রাপাশা গ্রামের মোবারক মিয়ার ছেলে ইজাজুলের নম্বরের সঙ্গে মিলে যায়। 

এরপর তিনি দাবি করেন, চলচ্চিত্র মুক্তির পর প্রতিদিনই অসংখ্য ছেলে-মেয়ে তাকে ফোন করে বিরক্ত করেন। অপরিচিত মেয়েদের নম্বর থেকে কল আসায় স্বামী পরকীয়ায় আসক্ত সন্দেহে বাবার বাড়ি চলে যান তার স্ত্রী মিশু আক্তার। 

এ অবস্থায় গতবছরের ২৮ অক্টোবর বানিয়াচং থানায় রাজনীতি সিনেমার নায়ক শাকিব খান, প্রযোজক আশফাক আহমেদ, পরিচালক বুলবুল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ইজাজুল। 

বাংলাদেশ সময়: ০৬০৮ ঘণ্টা, মার্চ ১৪, ২০১৮
এমএ/

চন্দ্র ভ্রমণে পর্যকবাহী রকেট উন্মোচন করলেন এলন মাস্ক
কসবায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ
সিলেটে ভারতীয় সুপারির চালান জব্দ, আটক ১
একাত্তরের ১৮ সেপ্টেম্বর কৃষ্ণপুরে হত্যা করা হয় ১২৭ জনকে
সিরিয়ার আকাশে রাশিয়ান সামরিক প্লেন নিখোঁজ 
শরিকদের ছাড় দিতে ‘নারাজ’ আ’লীগ-বিএনপি
নেইমারের ‘অতি অভিনয়’কে সমর্থন দেন ক্লপ
দুই ব্যাংকে ৬৯ কর্মকর্তা নিয়োগ
চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল