বন্ধুত্ব নিয়ে হলিউড-বলিউডের সেরা ১০ ছবি

বিনোদন ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: সংগৃহীত

বন্ধু ছাড়া জীবনের অনেক কঠিন সময় থেকে উতরে ওঠা মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। কারও কারও জীবনে থাকে বন্ধুর জন্য আত্মত্যাগ। তাই বন্ধুত্বের মতো জাদুকরী এই সম্পর্ককে প্রতি বছর আগস্টের প্রথম রোববার বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবসের মাধ্যমে উদযাপন করা হয়।

হলিউড-বলিউডে এই সম্পর্ক নিয়ে তৈরি হয়েছে বেশকিছু চলচ্চিত্র। সেগুলো সব বয়সী দর্শকের কাছেই বেশ জনপ্রিয়। আজ এই বিশেষ দিনে  দেখে নিন বন্ধুত্ব নিয়ে সেরা ছবিগুলো।

শোলে
বলিউডে বন্ধুত্ব নিয়ে যে কয়েকটি চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম ১৯৭৫ সালের ‘শোলে’। ছবিটির পরিচালক রমেশ সিপ্পি। জয় ও বীরু দুই বন্ধুর কাহিনি উঠে এসেছে এতে। এই দুই চরিত্রে অভিনয় করেন অমিতাভ বচ্চন ও ধর্মেন্দ্র। এ ছবির মাধ্যমে বন্ধুত্বের প্রতীক হয়ে দর্শকের মনে স্থান করে আছেন তারা।

দিল চাহতা হ্যায়
তিন বন্ধু জীবনে কঠিন বাধার সম্মুখীন হয়। এতে তাদের বন্ধুত্ব কঠিন হুমকির মুখে পড়ে। একসময় তা ভেঙেও যায়। কিন্তু প্রকৃত বন্ধুত্ব সবসময়ই টিকে থাকে, ফারহান আখতার পরিচালিত ‘দিল চাহতা হ্যায়’ ছবিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সেটি। গল্পের শেষ পর্যায়ে তারা আগের মতো বন্ধু হয়ে যায়। ২০০১ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটিতে অভিনয় করেছেন আমির খান, অক্ষয় খান্না ও সাইফ আলি খান। নায়িকা চরিত্রে ছিলেন প্রীতি জিনতা, ডিম্পল কাপাডিয়া ও সোনালি কুলকার্নি।

জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা
জোয়া আখতারের এই ছবির কাহিনিও তিন বন্ধুকে ঘিরে। কর্মব্যস্ত জীবন থেকে নিজেদের স্বপ্নের ছুটি কাটাতে বের হয় তারা। এতে অভিনয় করেছেন হৃতিক রোশন, অভয় দেওল, ফারহান আখতার। নায়িকা ছিলেন ক্যাটরিনা কাইফ ও কাল্কি কোয়েচলিন। ২০১১ সালে মুক্তি পায় ছবিটি।

থ্রি ইডিয়টস
২০০৯ সালে মুক্তি পায় বন্ধুত্ব নিয়ে বলিউডের এই বিখ্যাত ছবি। তিন বন্ধুর দেখা হয় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। এরপর গড়ে ওঠে তাদের বন্ধুত্ব। বন্ধু যে জীবনে অর্থ, সান্ত্বনা, সুখ, সহযোগিতা ছাড়াও সঠিক পথ দেখাতে পারে, এ ছবিতে তা-ই দেখানো হয়েছে। রাজকুমার হিরানির পরিচালনায় ব্যবসাসফল এই ছবিতে অভিনয় করেছেন আমির খান, শারমান জোশি, মাধবন, কারিনা কাপুর, বোমান ইরানিসহ অনেকে।

রঙ দে বাসন্তী
দুর্নীতি ও প্রচলিত রাজনৈতিক প্রথার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণাই কেবল নয়, রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরার ‘রঙ দে বাসন্তী’তে উঠে এসেছে বন্ধুত্বের অনন্য রূপ। এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন আমির খান, সোহা আলী খান, সিদ্ধার্থ, কুনাল কাপুর, মাধবন, শারমান জোশির মতো তারকারা। ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি বক্স অফিসে সাফল্যের পাশাপাশি সমালোচকদের প্রশংসাও কুড়ায়।

হ্যারি পটার
সিরিজের ছবি ২০০১ থেকে শুরু, ২০১১ সালে এসে সমাপ্তি। মাঝের ১০টি বছরে নির্মিত ‘হ্যারি পটার’ সিরিজের ছবিগুলো হ্যারি, রন ও হারমিওনির বন্ধুত্বের নিদর্শন হয়ে রয়েছে। জে.কে রাওলিংয়ের উপন্যাস অবলম্বনে সাজানো ‘হ্যারি পটার’ সিরিজে হগওয়ার্টস পড়ুয়া এই তিন বন্ধু সবসময় একসঙ্গে লড়ে গেছে অশুভ শক্তির বিপক্ষে। ডার্ক লর্ড ভল্ডেমর্টের হাত থেকে রেহাই পাওয়া বিস্ময় বালক হ্যারি তার বন্ধুদের স্বার্থে নিজেকে প্রতিবার দাঁড় করিয়েছে মৃত্যুর মুখে, কম যায়নি বাকি দু’জনের কেউই। হ্যারি পটার চরিত্রে ড্যানিয়েল র্যাডক্লিফ, রন ওয়েসলির ভূমিকায় রুপার্ট গ্রিন্ট ও হারমিওনি হিসেবে অভিনয় করেছেন এমা ওয়াটসন।

ই.টি. দ্য এক্সট্রা-টেরেস্ট্রিয়াল
১৯৮২ সালে মুক্তি পায় ‘ই.টি. দ্য এক্সট্রা-টেরেস্ট্রিয়াল’ নামের সায়েন্স ফিকশন ছবিটি। পৃথিবীতে হারিয়ে যাওয়া একটি এলিয়েনকে নিজ গ্রহে ফিরিয়ে দেয় এক কিশোর, এমন গল্পের বন্ধুত্ব ও মানবতার ছবিটি আজও শিশু-কিশোরদের মধ্যে জনপ্রিয়। স্টিভেন স্পিলবার্গের পরিচালনায় এ ছবিতে অভিনয় করেছেন হেনরি থমাস, ড্রু ব্যারিমোর, ডি ওয়ালেস, পিটার কয়োট প্রমুখ।

স্ট্যান্ড বাই মি
রব রেইনারের পরিচালনায় ‘স্ট্যান্ড বাই মি’ মুক্তি পায় ১৯৮৬ সালে। দীর্ঘদিন যোগাযোগ নেই, এমন বন্ধুর মৃত্যুসংবাদে বদলে যায় এক তরুণের জীবন। মৃতদেহ শনাক্ত করতে সে ঘুরে আসে নিজের ছেলেবেলা। এভাবেই এগিয়ে যায় স্টিফেন কিংয়ের রচনায় বন্ধুত্বের পটভূমিতে নির্মিত এ ছবির গল্প। এতে অভিনয় করেছেন উইল হোয়েটন, রিভার ফিনিক্স, জেরি ও’কনেল, কোরি ফেল্ডম্যান, কিফার সাদারল্যান্ড প্রমুখ।

‘টয় স্টোরি’ সিরিজ
১৯৯৫ সাল থেকে শুরু হয় অ্যানিমেশন সিরিজ ‘টয় স্টোরি’। একে একে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির তিনটি সিক্যুয়েল মুক্তি পেয়েছে। নিজের খেলনা পুতুলগুলো খুব বেশিই প্রিয় কিশোর অ্যান্ডির কাছে, বিশেষ করে ‘উডি’নামের কাউবয়টি। অনেকটা জাদুর বলেই অ্যান্ডির অনুপস্থিতিতে তার খেলনা পুতুলগুলো হয়ে ওঠে জীবন্ত। বড় হয়ে যাওয়ার পর অ্যান্ডি বাড়ির বাইরে রেখে আসে পুতুলগুলো। নিজেদের বন্ধুত্বের জোরে সমস্যার সমাধান করে এগিয়ে চলে তারা। ‘টয় স্টোরি’ সিরিজের অ্যানিমেটেড ছবি তিনটিতে পুতুলদের মধ্যে নিবিড় বন্ধুত্ব দেখানো হয়েছে। আগামী বছর আসবে চতুর্থ কিস্তি। ছবিটিতে বিভিন্ন চরিত্রে কণ্ঠ দিয়েছেন টম হ্যাঙ্কস, টিম অ্যালেনের মতো হলিউড তারকারা।

দ্য সিস্টারহুড অব দ্য ট্রাভেলিং প্যান্টস
পেশাগত জীবন কিংবা সংসারের কারণে বন্ধুত্ব নষ্ট হতে পারে, এমন ধারণা থেকেই চার কিশোরী নিজেদের জিন্স প্যান্ট একে অন্যের সঙ্গে বদলে নেয়। ২০০৫ সালে মুক্তি পায় বন্ধুত্ব নির্ভর ছবিটি। কেন কোয়াপিস পরিচালিত ‘দ্য সিস্টারহুড অব দ্য ট্রাভেলিং প্যান্টস’-এ চার বন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন অ্যালেক্সিস ব্লেডেল, আমেরিকা ফেরেরা, ব্লেক লাইভলি ও অ্যাম্বার টম্বলিন।

বাংলাদেশ সময়: ১০৩৩ ঘণ্টা, আগস্ট ০৫, ২০১৮
বিএসকে

মোহাম্মদপুরে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
অক্টোবরের শেষে নির্বাচনকালীন সরকার
নিয়ম না মানা ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা
খালেদার জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন
রোহিঙ্গা ইস্যুতে ব্রিফ করা হলো কূটনীতিকদের
‘ভারতীয় গরু না আসায় বাংলাদেশ লাভবান’
সাভারে যুবলীগ নেতার ১৭ দিন ধরে স্ত্রী নিখোঁজ
ম্যানসিটির ৬ গোলের জয়ে আগুয়েরোর ৩
রাজধানীতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় নিহত ১