মৌ-নোবেলের সঙ্গে এক দুপুরে

তৃণা শর্মা, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সাদিয়া ইসলাম মৌ ও নোবেল, ছবি-নূর: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

দুপুরের তপ্ত রোদে একটি ছাউনিতে বসে আছেন মডেল-অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ। ‘তুই এমন রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছিস কেনো? আয় এদিকে ফ্যানের সামনে বসে থাক।’ এই বলে তিনি নোবেলকে নিয়ে বসালেন ফ্যানের পাশে।

দুপুরের তপ্ত রোদে একটি ছাউনিতে বসে আছেন মডেল-অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ। পাশে একটি টেবিলে ফ্যান চলছে। অল্প একটু দূরে মডেল-অভিনেতা নোবেল। কড়া রোদে তিনি বারবার ঘেমে যাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর তার সামনে গিয়ে মৌ বললেন, ‘তুই এমন রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছিস কেনো? আয় এদিকে ফ্যানের সামনে বসে থাক।’ এই বলে তিনি নোবেলকে নিয়ে বসালেন ফ্যানের পাশে।
 
নোবেলকে তুই বলে সম্বোধন করেন মৌ। মজার ব্যাপার হলো, মৌকে তুমি থেকে কখনও ভুল করে তুই বলে সম্বোধন করেন না নোবেল। বিজ্ঞাপনচিত্রে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়েই তাদের পরিচয় ও বন্ধুত্ব। সেটা দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে অটুট।

ঢাকার ৩০০ ফুট সড়ক সংলগ্ন বালু নদীর শেষ প্রান্তে ভালোভালি গ্রামে সম্প্রতি পাওয়া গেলো দুই বন্ধুকে। নব্বই দশকের মাঝামাঝি কেয়া সাবানের বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হিসেবে জুটি গড়েন নোবেল-মৌ। তাদের হাত ধরেই মডেলিংয়ে যুক্ত হয় নতুন মাত্রা। টিভিতে প্যাকেজ নাটক প্রচারের শুরুর দিকে কয়েকটি নাটকে অভিনয় করে চমক সৃষ্টি করেছিলেন এই জুটি।

বিশেষ দিন ছাড়া নোবেল কিংবা মৌ, কাউকেই তেমন একটা দেখা যায় না টিভিপর্দায়। নাটকে বা বিজ্ঞাপনচিত্রে মৌকে কম দেখা গেলেও নাচে তিনি নিয়মিত।

মৌ বলেন, ‘আসলে আমি নাটকের কাজ কখনও নিয়মিত করিনি। এখন তো আরও কম করছি। ইদানীং নাটকের গল্প তেমন একটা ভালো লাগে না। কষ্ট করে কাজ করবো কিন্তু মানুষের মনে থাকবে না তেমন কাজ করতে স্পৃহা পাই না। সব কেমন যেন লোক দেখানো নাটক! নাটক করার জন্য করা আর কি। একজন ভালো পরিচালক একটি ভিন্ন ধরনের গল্পে আমাকে রাখতে চাইলে শুটিংয়ের কষ্ট আর গায়ে লাগে না।’
 
অনেকদিন পর পর কাজ করা প্রসঙ্গে নোবেল বাংলানিউজকে বলেন, ‘কয়েকটি ফ্যাশন হাউজের কাজ নিয়মিত করি। আসলে এখন তাদের সঙ্গে চুক্তি থাকলেও সম্পর্কটা ঠিক পেশাগত নয়, তারও বেশি কিছু। তাছাড়া আমি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছি। অফিসের কাজে আজ দেশে তো কাল দেশের বাইরে মিটিং থাকে। এসব কারণে আর সময় বের করা হয়ে ওঠে না। অনেক সময় দেখা যায় সহশিল্পীদের সঙ্গে শুটিংয়ের সময় মেলে না। মৌর সঙ্গে এবার মিলে গেছে। এখন অভিনয়ের কাজটা ব্যাটে-বলে মিলিয়ে করতে হয়।’
 
প্রায় একযুগ পর গত রোজার ঈদের আগে গোলাম কিবরিয়া ফারুকীর নির্দেশনায় একটি মোবাইলফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হন নোবেল-মৌ। মডেলিংয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে এখনও আইডল তারা। তাদের বিকল্প আসলে তৈরি হয়নি। নতুনদের জন্য পরামর্শ হিসেবে মৌ বললেন, ‘সাধনা আর অধ্যবসায়ের বিকল্প কিছু নেই। প্রতিটি কাজেই পরিশ্রম, সাধনা ও অধ্যবসায় থাকা উচিত।’
 
নোবেল ও মৌ এবার অভিনয় করেছেন কৌশিক শংকর দাশ পরিচালিত ‘সবুজ আলপথে একদিন’ নাটকে। এটি লিখেছেন প্রসূন রহমান। ঈদের চতুর্থ দিন (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ৫ মিনিটে এনটিভিতে প্রচার হবে নাটকটি। এর দৃশ্যায়নের ফাঁকে ফাঁকেই কথা হচ্ছিলো তাদের সঙ্গে। তারা গল্প করছিলেন তাদের ব্যস্ততা, কাজ, সন্তান, সংসার নিয়ে।

বাংলাদেশ সময়: ১০৪০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৬
টিএস/জেএইচ

জাপানের ‘শপলিফটার্স’র কান জয়
বরিশাল-ফেনী-ময়মনসিংহে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩
হাকালুকি হাওরের সুস্বাদু মাছ ‘ভেদা’
কাঁদলেন-কাঁদালেন, বিদায় বুফন
আকবর শাহ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু
ইফতার করার মুস্তাহাব নিয়ম কী?
সড়কে ঝরলো প্রাণ, বাড়ি ফেরা হলো না এমির
বিসিসি’র সাবেক কাউন্সিলরের বাড়িতে ডাকাতি 
খুলে যাচ্ছে ফতেহপুর ওভারপাসের আরেক লেন
অন্য মাছের দখলে ইলিশের আড়ৎ