এসডিজি অর্জনে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এফবিসিসিআই’র মতবিনিময়

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

মতবিনিময় সভার মঞ্চে এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন (মাঝে) এবং অন্য অতিথিরা। ছবি: শাকিল আহমেদ

ঢাকা: সরকার ঘোষিত রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়ন এবং জাতিসংঘ ঘোষিত ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।
 
 

এ লক্ষ্যে বেসরকারিখাতের বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করছে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিত্বকারী শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
 
এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৩ জানুয়ারি) ২৫টি ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এফবিসিসিআই নেতারা। এফবিসিসিআই ভবনের কনফারেন্স কক্ষে এ মতবিনিময় সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের প্রথম সহ-সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।
 
এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মোন্তাকিম আশরাফ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (মূসক) প্রথম সচিব হাসান মোহাম্মদ তারেক, ঢাকা ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী ই আর খান, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক প্রতিনিধি এম মাশরুর রিয়াজ, মতিঝিল জোন ট্রাফিক পুলিশের টিআই মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষে পরিদর্শক মাসুদুর রহমান, বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি ও সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধিরা। 
 
এসডিজি অর্জনে বিভিন্ন খাত থেকে ব্যবসায়ীরা যেসব প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন, তা মতবিনিময় সভায় তিন মিনিটের মধ্যে সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরা হয়। এসময় সেখানে উপস্থিত বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করার উপায় ও আশ্বাস দেন।
 
সভায় ওয়ার্ল্ড ব্যাংক প্রতিনিধি এম মাশরুর রিয়াজ বলেন, যে কোনো দেশের উন্নয়নে সংলাপের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। কিছু বছর আগেও বাংলাদেশে এর প্রচলন ছিলো না। তবে গত তিন-চার বছর থেকে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে এই সংলাপের প্রচলন হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, বেসরকারি খাতগুলোর মধ্যেও সমন্বয় দরকার, তাদের মধ্যে সামনাসামনি আলোচনা হওয়া দরকার। এফবিসিসআই এই উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে এটা অনেক বড় অবদান রাখবে।
 
মতবিনিময় সভায় কয়েকজন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন হয়রানির অভিযোগ তোলেন। অভিযোগের জবাবে পুলিশ পরিদর্শক মাসুদুর রহমান বলেন, পুলিশের স্বাভাবিক কাজ করতে গিয়ে যদি কারও কোনো সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে আমাদের কিছু করার থাকে না। যেমন কোনো মন্ত্রণালয় আমাদের যদি বলে, ‘অমুক যায়গায় মেলা হচ্ছে, যার অনুমোদন নেই। ওটা বন্ধ করুন’, তাহলে আমাদের ওই মেলা বন্ধ করতে হয়। তবে অযথা রাস্তায় যেন ব্যবসায়ীদের কোনো হয়রানির শিকার না হতে হয়, সেজন্য আমরা ব্যবস্থা নেবো।
 
বাংলাদেশ সময়: ২১৩০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৩, ২০১৮
এসআইজে/এইচএ/

সন্ত্রাসবাদ নয়, যুক্তরাষ্ট্রের আসল হুমকি রাশিয়া-চীন
নবীন মেলা আলোকিত সমাজ গড়ছে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘নিখোঁজ’ দুই কর্মকর্তা গ্রেফতার
গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের সাক্ষী রেলওয়ে হাইস্কুল
জালিয়াত চক্রের ‘ফাঁদে’ ৬০ এসএসসি পরীক্ষার্থী
ওবায়দুল কাদেরের সামনে ফের বিক্ষোভ ছাত্রলীগ নেতাদের
আদালত পরিদর্শনে প্রিমিয়ারের আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা
লাখাইয়ে নকল কীটনাশক বিক্রেতাকে জরিমানা
জঙ্গি সন্তানের মরদেহ নিতে রাজি নন বাবা
‘ভুলে-যাওয়ার-রোগে ভুগছে অপরাষ্ট্র পাকিস্তান!’




Alexa