তিন ব্যাংকের ১২ জানুয়ারির পরীক্ষা আটকে গেলো

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সোনালী, রূপালী ও জনতা ব্যাংকের লোগো

ঢাকা: রাষ্ট্রায়ত্ত  সোনালী, রূপালী ও জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার, অফিসার (জেনারেল) ও অফিসার (ক্যাশ) পদে নিয়োগের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 
 

আদেশের ফলে এ তিন ব্যাংকের ক্ষেত্রে ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় সমন্বিত নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
 
২৮ জনের রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার (০৭ জানুয়ারি) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
 
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রাশেদুল হক খোকন। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট তানজিম আল ইসলাম ও মির্জা সুলতান আল রাজা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাতার হোসেন সাজু। 
 
পরে রাশেদুল হক খোকন জানান, সোনালী ব্যাংক ২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ৭০১টি শূন্যপদের বিপরীতে অফিসার ক্যাটাগরির দু’টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়।
 
একই বছরের ২৬ জুলাই রুপালী ব্যাংক ৪২৩টি শূন্য পদে সিনিয়র অফিসার এবং ৩ আগস্ট ৭৩৬টি শূন্যপদে অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়।
 
কিন্তু এসব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির নিয়োগ পরীক্ষা না নিয়ে গত বছরের ২৩ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক ৮টি রাষ্ট্রয়ত্ব ব্যাংকের এক হাজার ৬৬৩টি সিনিয়র অফিসার (সাধারণ) শূন্যপদের জন্য সমন্বিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়। একই বছরের ২৯ আগস্ট তিন হাজার ৪৬৩টি অফিসার (জেনারেল) শূন্যপদ এবং ৭ সেপ্টেম্বর দুই হাজার ২৪৬টি অফিসার (ক্যাশ) শূন্যপদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়। এসব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে আগামী ১২ জানুয়ারি নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা।
  
রাশেদুল হক আরও বলেন, এ অবস্থায় ২০১৬ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদনকারীদের মধ্যে ২৮ জন গত বছর বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত তিনটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন।
 
আদালত আবেদনের শুনানি নিয়ে তিন ব্যাংকের ক্ষেত্রে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির সব কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। এ আদেশের কারণে ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় এ তিন ব্যাংকের ক্ষেত্রে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। একইসঙ্গে ২০১৭ সালের বিভিন্ন সময়ে দেওয়া এ তিনটি ব্যাংকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ হবে না এবং একই সালে দেওয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার আগে ২০১৬ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন বলে জানান রাশেদুল হক।
 
চার সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থসচিব, ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্য সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
 
রাশেদুল হকের মতে, ২০১৬ সালের অনেক আবেদনকারীর নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার বয়সও শেষ হয়ে গেছে। তারা এখন অন্য কোথাও আর চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। অথচ তাদের পরীক্ষা না নিয়ে পরের বছর কর্তৃপক্ষ নতুন করে সার্কুলার দেয়। এ কারণে অনেক আবেদনকারী বঞ্চিত হচ্ছেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৭২৮ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৭, ২০১৮/আপডেট: ১৯০৫ ঘণ্টা
ইএস/জেডএস

আ’লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা মঙ্গলবার
রাইড শেয়ারিংকে ‘৯৯৯’ এর আওতায় আনা হবে
গফরগাঁওয়ে টিকিট কালোবাজারির কারাদণ্ড 
সাকিবের উইকেট হারালো বাংলাদেশ
অনিয়মের অভিযোগে ১৪ হজ এজেন্সিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
চালের দাম কেজিতে ৭ টাকা কমেছে
বাংলাদেশের দলীয় শতক
যারা বাংলা ভাষাকে রক্ষা করেছেন, তাদের শ্রদ্ধা জানাই
লরির ধাক্কায় প্রাণ গেলো কারচালকের
হাতে একতারা, মনে তার ক্রিকেট




Alexa